ক্যাটেগরিঃ ব্লগালোচনা

বিডি ব্লগে আসলাম ৩ মাসের বেশি হয়ে গেল । অনেক কিছু দেখলাম, অনেক কিছু জানলাম । আদর্শ গত কারনে অনেকের সাথে দ্বন্দ হয়েছে । তারপরেও বেশ কয়েকজন ভাল বন্ধু পেয়েছি । আমাকে ব্লগ লিখার জন্য যেই মানুষটি সবচেয়ে বেশি অনুপ্রানিত করেছেন তিনি হচ্ছেন আমাদের সবার পরিচিত মুশফিক ভাই । গুরু তোমায় সালাম ।

বেশ কিছুদিন আগে মুশফিক ভাই একটা মন্তব্যে বলেছিলেন,

মুশফিক ইমতিয়াজ চৌধুরী বলেছেন:
রাত ০:০১, সোমবার ৮ আগস্ট ২০১১

আমি চাই ৩টি দেশই সমান ধারায় এগোক, কিন্তু অবস্থাদৃষ্টে মনে হয়, আমার এই স্বপ্ন সফল হবেনা।

মুশফিক ভাই এখানে তিনটি দেশ বলতে বাংলাদেশ, ভারত এবং পাকিস্তানকে বুঝিয়েছিলেন । উক্ত মন্তব্যের প্রেক্ষিতে আমি মুশফিক ভাইকে বলেছিলাম ।

আধারের বাসিন্দা বলেছেন:
রাত ৪:৩৫, সোমবার ৮ আগস্ট ২০১১

আপনি আজকে উন্নয়নের আশ্বাস দিন, আগামীকাল দেশের লাখো তরুণ আপনাকে সমর্থন যুগাবে । আপনি স্বপ্ন দেখবেন আমরা সবাই মিলে তা বাস্তবায়ন করব । পারবেন আশ্বাস দিতে? পারবেন দেশের এই দেশেহারা মানুষগুলোকে পথের সন্ধান দিতে?

আমার মন্তব্যের উত্তরে মুশফিক ভাই বোল্ড অক্ষরে যেই উত্তরটা দিয়েছিল তা হচ্ছে,

মুশফিক ইমতিয়াজ চৌধুরী বলেছেন:
রাত ৮:১৬, সোমবার ৮ আগস্ট ২০১১

একেবারেই অর্থহীন।

উনার উক্ত উক্তি ধারা কি প্রতিয়মান হয়?
দেশের দিশেহারা মানুষগুলোর উন্নয়নের জন্য উনার কাছে আশ্বাস চেয়েছিলাম । আর উনি উত্তরে বললেন একেবারেই অর্থহীন।

আমি কি উনাকে একেবারেই অর্থহীন প্রশ্ন করেছিলাম?

সবার দৃষ্টিতে আমি অর্থহীন প্রশ্ন করেছিলাম । কারন উনি দেশের কেউ না যে, উন্নয়নের আশ্বাস দিবে । আমিও জানতাম উনি কেউনা তবে আমি জানতাম উনি কেউ হতে যাচ্ছেন তাই মুশফিক ভাইকে এই প্রশ্ন করেছিলাম ।

তথ্যসূত্রঃ http://blog.bdnews24.com/Sha/30829

সকল জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে মুশফিক ভাই নিজেই ঘোষনা দিলেন,

মুশফিক ইমতিয়াজ চৌধুরী বলেছেন:
সন্ধ্যা ৭:৪৩, রবিবার ১৬ অক্টোবর ২০১১

আমি বলছি – আওয়ামী বিএনপির প্রতি অন্ধ ভালবাসা ত্যাগ করে আমাকে ক্ষমতায় নিয়ে আসুন, আমি বাংলাদেশকে দ্রুততার সঙ্গে শীর্ষ রাষ্ট্রগুলোর কাতারে নিয়ে আসবো ।

তথ্যসূত্রঃ http://blog.bdnews24.com/dr_mushfique/42790

মুশফিক ভাইয়ের ভোট পার্থনার স্টাইল দেখুন ➡ 😆 😀 😆

ইসলাম নিয়ে উনি যা লিখার লিখছে, কিছুদিন পর উনার নতুন আর্টিকেল আসছে, বিষয়বস্তু হবে আওয়ামী বিএনপির প্রতি অন্ধ ভালবাসা ত্যাগ করুন

এবং যুক্তি প্রমান দিয়ে উনি তা ব্যাখ্যা করে দিবে । সবাই আওয়ামী-বিএনপি থেকে ভালবাসা উঠিয়ে নিবে আর গড়গড় করে উগড়িয়ে তা মুশফিক ভাইকে দিবে । উনার স্বপ্ন বাস্তবায়নের জন্য সকলের প্রতি উদার্ত আহ্বান জানাচ্ছি ।

আমি যখন বলেছিলাম, উন্নয়নের আশ্বাস দিন সেদিন তিনি আমাকে, আমার মন্তব্যকে অর্থহীন বলে উড়িয়ে দিয়েছিল । তাহলে আজকে এই মুশফিক ভাই কিভাবে বলে, আমাকে ক্ষমতায় নিয়ে আসুন, আমি বাংলাদেশকে দ্রুততার সঙ্গে শীর্ষ রাষ্ট্রগুলোর কাতারে নিয়ে আসবো ।

উনি দেশীয় গনতন্ত্রের প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানকে নিয়ে অশ্লীল মন্তব্য করেছেন । ডাঃ ইউনুসকে নিয়ে অশ্লীল উপহাস করে উনার নামে দুর্নাম ছড়ানোর সকল অপচেষ্টা করেছেন । দেশের শীর্ষ ব্যাক্তিদের মাইনাস করার কি অপূর্ব চেষ্টা । ভাবলেই শান্তির ঘুম চলে আসে ।

আওয়ামী বিএনপির প্রতি অন্ধ ভালবাসা ত্যাগ করে আমাকে ক্ষমতায় নিয়ে আসুন ।

আচ্ছা এইটাকি মাইনাস টু ফর্মুলা নাকি প্লাস টু? মাইনাস টু ফর্মুলার বিপক্ষে সর্ব প্রথম সোচ্চার কন্ঠ উচ্চারিত হয়েছিল বাংলাদেশ প্রতিদিন পত্রিকায় । আর আজ বিডি ব্লগে কেউ আবার নতুন করে মাইনাস টু ফর্মুলা প্রচার করছে আর বিডি ব্লগ কিছুই বলছেনা বরং উতসাহিত করছে । সবকিছু কেমন যেন গোলমাল লেগে যাচ্ছে ।

এখন প্রশ্ন জাগে বাংলাদেশ প্রতিদিন সেদিন মাইনাস টু ফর্মুলার বিপক্ষে বলেছিল নাকি প্রথম আলোর, নাকি মতিউর রহমানের?

যদি সেই পদক্ষেপ সত্যিকারের দেশ ও জাতি ধ্বংসকারি মাইনাস টু ফর্মুলার বিপক্ষে হয়ে থাকে তাহলে মুশফিকের বিরুদ্ধে জোরধ্বনি বিডি ব্লগ থেকেই উঠতে হবে ।

মুশফিক ইমতিয়াজ চৌধুরী বলেছেন:
রাত ০:০১, মঙ্গলবার ১৮ অক্টোবর ২০১১

দেশের জন্য রাজনীতিতে আশা লাগলে একসময় অবশ্যই আসবো, …………………। আমাকে আজকে যত মানুষ চেনেন, আগামীদিনে আরো বেশি করে চিনবেন। আওয়ামী লীগ বিএনপির প্রতি মানুষ ক্ষ্যাপা। সুতরাং, তারা যদি নিজেদের সংশোধন না করে তবে স্বতন্ত্র প্রার্থীদেরই দিন আগামীতে। আর পরিশ্রম করলে, কাজ করে দেখাতে পারলে, ডেডিকেশন থাকলে মানুষ আস্তিক নাস্তিক দেখবেনা, মানুষ দেখবে – এই লোকটা নাস্তিক হলেও আমাদের জন্য কাজ তো করে, পরিশ্রম তো করে। জওহরলাল নেহেরু নাস্তিক বলে কি হিন্দু মুসলিম তার নেতৃত্ব মানেনি ? অখণ্ড ভারতবাদী সেক্যুলার মুসলিম মওলানা আজাদ কি নাস্তিক জওহরলাল নেহেরুকে পছন্দ করতেন না ? নাস্তিক নেহেরু কি নিজে নাস্তিক বলে মুসলিমদের প্রতি অন্যায় অত্যাচার করেছেন ? নাস্তিক নেহেরু কি মুসলিম মওলানা আজাদকে শিক্ষামন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ দেননি ? মানুষ দেখবে – কথা দিয়ে কথা কে রাখতে পারে। তাকেই মানুষ নির্বাচিত করবে।

তথ্যসূত্রঃ http://blog.bdnews24.com/dr_mushfique/42790

মুশফিক ভাইয়ের মন্তব্যের চুলচেরা বিশ্লেষন করার আগে একটা কথা বলে রাখি, গতকাল উনার মন্তব্যে যখন আমি পড়লাম “আমি বলছি – আওয়ামী বিএনপির প্রতি অন্ধ ভালবাসা ত্যাগ করে আমাকে ক্ষমতায় নিয়ে আসুন, আমি বাংলাদেশকে দ্রুততার সঙ্গে শীর্ষ রাষ্ট্রগুলোর কাতারে নিয়ে আসবো ।“ সাথে সাথে আমি একটি মন্তব্য করেছি । এই বিষয়ে পোষ্ট দেয়ার চিন্তা-ভাবনা তখনই করলাম । কিন্তু ভাবলাম পাখি যখন খাচায় আটকাইছে তাহলে শিগ্রই ডিম দিবে । আহহা ঘুম থেকে উঠে দেখি শুধু ডিম না বাচ্চা ফুটিয়ে বসে আছে । ➡ 😀 😆 😀

….::::মুশফিকের বক্তব্যের বিশদ ব্যাখ্যা::::….

পয়েন্টঃ ।১।

দেশের জন্য রাজনীতিতে আশা লাগলে একসময় অবশ্যই আসবো,

উনার রাজনীতিতে যুক্ত হওয়ার আগ্রহের বহিঃপ্রকাশ । যদিও উনি এর আগেই ভোট প্রার্থনা করে বসে আছেন ।

পয়েন্টঃ ।২।

আমাকে আজকে যত মানুষ চেনেন, আগামীদিনে আরো বেশি করে চিনবেন।

এটাই হচ্ছে রাজনীতির সুত্র, যত পরিচিতি, তত জনপ্রিয়তা, তত ক্ষমতা । তার মানে, আগামি দিনে উনি আরো বহু মানুষের সাথে পরিচিত হওয়ার প্রত্যেয় ব্যাক্ত করেছেন ।

এখন প্রশ্ন, উনি কিভাবে পরিচিত হবেন?

(ক) মুশফিক যদি এখন সরাসরি দল গঠনের চিন্তা করেন অথবা মাঠে আত্নপ্রকাশ করেন তাহলে হিতে নিশ্চিত ভাবেই বিপরীত হবে । তাই উনি বেছে নিয়েছেন এই ভার্চুয়াল প্লাটফর্ম । যেখানে তিনি প্রথমে একদল সমর্থক তৈরি করবেন এবং একটা নতুন ইস্যু তৈরি করে মাঠে নেমে যাবেন ।

(খ) উনার পরিচিতি বাড়ানোর আরেকটা বড় হাতিয়ার হচ্ছে নাস্তিকতা । সবাইকে একটা সুত্র বলি, আপনি যদি আলোচিত হন তাহলে আপনি পরিচিত হবেন একদল মানুষের কাছে কিন্তু আপনি যদি সমালোচিত হন তখন আপনি পরিচিতি পাবেন দুই দল মানুষের কাছে, একদল সমালোচনা করবে অপরদল আলোচনা করবে । আর আপনি তখনই সমালোচিত হবেন যখন একদল মানুষের বিপরীতে কথা বলবেন ।

আমরা জানি বাংলাদেশের ৯০ ভাগের বেশি মানুষ মুসলমান এবং তারা নিশ্চিত ভাবেই আল্লাহ বিশ্বাস করে । এখন কেউ যদি নাস্তক হয়, আল্লাহ অবিশ্বাসী হয় এবং এই বিশাল অংশের উপর তার মনোভাব চাপাতে চায় তখন সে হবে সমালোচিত । এবং এই ৯০ ভাগ মানুষ হবে একটা পক্ষ এবং সে হবে আরেকটা পক্ষ ।

ধরাযাক, ৯০ ভাগ মানুষ = এক পক্ষ = ১৫ কোটি মানুষ
এবং অপর পক্ষ = ১ জন মানুষ

তাহলে এক পক্ষ : অপর পক্ষ = ১৫ কোটি মানুষ : ১ জন মানুষ

পরিস্থিতি যদি এইরকম হয় তখন ফলাফল কি হবে? এই ১৫ কোটি মানুষের কাছে এই ১ জন লোক পরিচিতি পাবে ।

কিন্তু এই একজন যদি ঐ ১৫ কোটির অংশ হয় তাহলে এই সুত্রের প্রয়োগ সম্ভব না ।

এই সূত্রের আলোকে মুশফিকের নাস্তিকতা খুব সহজে ব্যাখ্যা করা যায় এবং হুবহু মিলে যায় ।

তার এই নাস্তিকতার অর্থ হচ্ছে ১৫ কোটি মানুষের বিরোধিতা করা এবং দ্রুত জনপ্রিয়তা পাওয়া । এখানে অনেকই আছেন যারা জন্মসূত্রে মুসলমান কিন্তু বর্তমানে আল্লাহ বিশ্বাস করেন না, তাই তারা মুশফিককে অনুসরন করতে চায় ।

আপনাদের প্রতি প্রশ্নঃ নাস্তিক মানে কি ইসলাম বিদ্বেষী?

নাস্তিকতা কোন ধর্ম না, এটি হচ্ছে একটা আদর্শ । অপরপক্ষে ইসলাম হচ্ছে একটি ধর্ম এবং আদর্শ ।

দুইটা যেহেতু দুই রকমের আদর্শ তাহলে তাদের মাঝে ভিন্নতা থাকবেই । তাই নয় কি?

এখন নাস্তিকরা ইচ্ছা করলে তাদের আদর্শ প্রচার করতে পারে । কিন্তু অন্য একটি আদর্শের বিরোধিতা কেন?

বিরোধিতা করে কি আপনাদের(নাস্তিক) আদর্শ প্রচার করছেন নাকি এক বৃহত গোষ্ঠির বিপক্ষ সেজে সস্তা জনপ্রিয়তা পেতে চাচ্ছেন?

পাঠকদের কাছেও আমার প্রশ্ন মুশফিক ইসলামের বিরোধিতা করে কি নাস্তিকতা প্রচার করছে নাকি ১৫ কোটি মানুষের বিরোধী সেজে সস্তা জনপ্রিয়তা অর্জনের মাধ্যমে দেশিয় রাজনীতিতে অংশগ্রহন করতে চাচ্ছে?

পয়েন্টঃ ।৩।

আওয়ামী লীগ বিএনপির প্রতি মানুষ ক্ষ্যাপা।

এইটা হচ্ছে মাইনাস টু ফর্মুলার সবচেয়ে সরল উক্তি, মানুষ যেহেতু আওয়ামী-বিএনপির উপর ক্ষেপা তাই মুশফিক মানুষকে এই দুই দলের প্রতি আরও ক্ষেপিয়ে তুলতে চাচ্ছে এবং মাইনাস টু এবং প্লাস ওয়ান করে মুশফিক বাংলার ক্ষমতা হস্তগত করতে চাচ্ছে । ঠিক যেমনটি করছিল ইতিহাশের বর্বরতার নায়ক এডলফ হিটলার । ক্যু করে, বিরোধী দলীয় নেতাদের হত্যা করে, বিরোধী দলের মধ্যে ফ্যাসাদ সৃষ্টি করে ক্ষমতায় এসে ৬০ লক্ষ ইহুদি হত্যা করেছিল । বন্দুকের বুলেটের খরচ বাচাতে শত শত মানুষকে একটি কক্ষে ঢুকিয়ে কার্বন মনোক্সাইড গ্যাস দিয়ে মেরেছিল । হিটলার কেন এই অরাজকতা করেছিল তা আমরা সবাই জানি । আমি শুধু আপনাদের মনে করিয়ে দিলাম । মুশফিকের লেখার ধরন থেকে আমারও সন্দেহ হয়, মুশফিকের মুসলিম বিরোধী লেখায় আমারও ভয় হয় । মুশফিকের রাজনীতিতে অংশগ্রহন আমাকের আরও বেশি ভীত-সন্ত্রস্ত্র করে তুলে ।

মুশফিকও কি তাই করতে যাচ্ছে? যে মুসলমানদের এক বিন্দু সহ্য করতে পারেনা । তার দ্বারা ১৫ কোটি মুসলমানের উন্নয়নের কোন পরিকল্পনা থাকতে পারে কি?

আমি সত্যিই ভীত ।

পয়েন্টঃ ।৪।

সুতরাং, তারা যদি নিজেদের সংশোধন না করে তবে স্বতন্ত্র প্রার্থীদেরই দিন আগামীতে।

দেখুন মুশফিক সব ধরনের পরিকল্পনা করে রেখেছে । তাহলে মুশফিকের পরিকল্পনার আরেকটা অংশ হল যদি নিজ দল গঠন করা না যায় তাহলে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবেই সে মাঠে নামতে চায় ।

পয়েন্টঃ ।5।

আর পরিশ্রম করলে, কাজ করে দেখাতে পারলে, ডেডিকেশন থাকলে মানুষ আস্তিক নাস্তিক দেখবেনা

এই উক্তি দ্বারা কি প্রতিয়মান হয়? মুশফিক প্রথমে একজন স্বতন্ত্র প্রার্থী হবে এবং মানুষকে কাজ করে দেখাবে এবং যখন সময় হবে তখন ঝোপ বুঝে কোপ মেরে দেশের প্রধানমন্ত্রী । তাই কি?

কাজ করে দেখাতে পারলে । এই বক্তব্যের উদ্দেশ্য কি?

সে কাজ করবে মানুষকে দেখানোর জন্য? জনপ্রিয়তার জন্য? আরও বড়ও ক্ষমতা হস্তক্ষেপের জন্য?

সবচেয়ে বড় ক্ষমতা পেলে কি করবে?

মুসলমানদের নাস্তিক বানাবে?

মুশফিকের ইসলাম বিরোধী মনোভাব জোড়ালো ভাবেই এই ইঙ্গিত করে ।

পয়েন্টঃ ।6।

জওহরলাল নেহেরু নাস্তিক বলে কি হিন্দু মুসলিম তার নেতৃত্ব মানেনি ?

জওহরলাল নেহেরু নাস্তিক ছিল তাই বলে কি ইসলাম বিদ্বেষী ছিল? রোযা বিদ্বেষী ছিল? হজ্ব বিদ্বেষী ছিল?
উত্তর হচ্ছে, না, না এবং না ।

কিন্তু আপনার ক্ষেত্রে এই তিনটার উত্তর হচ্ছে হ্যা, হ্যা এবং হ্যা ।

তাহলে এটা স্পষ্টতই বুঝা যায় যে, আপনি হিটলার হবেন নাকি জওহরলাল ।

১৫ কোটি মানুষের আদর্শকে ঘৃনা করে, অবজ্ঞা করে তাদের উন্নয়নের আশ্বাস, সত্যিই হাস্যকর ।

নাস্তিক নেহেরু কি নিজে নাস্তিক বলে মুসলিমদের প্রতি অন্যায় অত্যাচার করেছেন ?

না করেনি, কিন্তু এই প্রসঙ্গ কেন আসছে?

নাস্তিক নেহেরু অত্যাচার করেনি বলে, নাস্তিক মুশফিক অত্যাচার করবেনা? আপনি এতোটা বোকা কি করে হলেন যে, আপনি যাই বলবেন মানুষ তাই গ্রহন করবে?

আপনি অত্যাচার করবেন কি করবেন না সেটাতো পরে আসবে । আচ্ছা একটা প্রশ্ন, কোন ব্যাক্তি ভোট প্রার্থনা করতে গিয়ে কি বলে আমাকে ভোট দিন, আমি জয়ী হলে আপনাদের অত্যাচার করবোনা?

তাহলে মুশফিক এই কথা কেন বলছে?

উজ্জ্বল ভাই এবং মাহাবুব ভাই আপনেরা কে কোথায় আছেন? আপনাদের সেই উক্তিটা এখন বেশ মনে পরছে ।

ঠাকুর ঘরে কে রে? আমি কলা খাইনা । ➡ 😆 😀 😆

মুশফিকের উক্তিটিকি ঠিক সেই রকম মনে হচ্ছে না?

তার এই উক্তিতে আমি আবারো ভীত-সন্ত্রস্ত্র হলাম ।

এই ব্লগে যারা মুশফিকের অনুসারী তাদেরকে বলি, আপনারা যদি অন্যান্য ব্লগ গুলো নিয়ে একটু ঘাটাঘাটি করেন তাহলে দেখতে পাবেন আসিফ মহীউদ্দিন, জোবায়েন সন্ধি এরাও কিন্তু নিজেদের অনেক বড় নাস্তিক বলে পরিচয় দেয় । এবং তাদের নাস্তিকতা প্রচারও করে । কিন্তু তাদের সাথে মুশফিকের সম্পর্ক ভাল নেই ।

আচ্ছা আপনাদের একটা কথা বলি, নাস্তিক মানেই তো একটু বেশি জ্ঞানি । তাই নয় কি? তাহলে আপনারা মুশফিকেকে অনুসরন কেন করছেন? মুশফিককে আপনাদের অনুসারী বানান ।

শুধু একটা কথা মনে রাখবেন, মুশফিকের আপনাদের চায় কারন তার দরকার, তার নিজের প্রয়োজনে । আপনাদের প্রয়োজনে না । যখন মুশফিক ছিলনা আপনারা ভালোই ছিলেন এবং যখন থাকবেনা তখনো ভালো থাকবেন ।

সবাইকে ধন্যবাদ ।