ক্যাটেগরিঃ অর্থনীতি-বাণিজ্য

দুদুক ৩ মাস ধরে অনেক কষ্ট করলো তদন্ত করে প্রমাণ পেলো সাধারন জনগনের ৩২৮৫ কোটি টাকা পাচার করেছে ডেসটিনির ২২ পরিচালক, তাই কলা বাগান থানায় ২টি মামলা করলো দুদুক সারা দেশের মানুষ দুদুককে ধন্যবাদ দিতে দিতে অস্থির। সারা দেশের মানুষ খুশিতে আত্মহারা ডেসটিনির ৪৫ লক্ষ বোকা মানুষ এবার বুঝবে তারা এতদিন কিশোর পিছনে ছুটছিল ।

সেদিন এক বাসে যাবার সময় এক যাত্রীর সাথে কথা, সে বললো টাকা পাচারের খবর শুনে আমি তো মহা খুশি, এলাকার ডেসটিনির এক ডিস্ট্রিবিউটরকে মদন বানানোর জন্য ধরলাম।

– কি হে ভাইজান সব টাকা পয়সা তো চইলা গেল আর কত দিন বলদের মত ঘুরবেন
– কার টাকা চইলা গেল
– তোমাদের মত সব মদনের টাকা তো বিদেশ পাচার হয়ে গেল
– কে বলল টাকা পাচার হয়েছে
– কেন তুমি দেখ নাই দুদুক মামলা করলো গত কাল তো সব পত্রিকার হেডলাইন ছিল
– অসচেতন ব্যক্তিরাই ঐ পত্রিকার লেখা বিশ্বাস করে
– মানে তুমি কি বলতে চাও আমি অসচেতন
– কোন অংক না করে আপনি যদি বিশ্বাস করে থাকেন তো আপনি অসচেতন তো বটেই
– কি বলতে চাও তুমি , কি অংক করতে হবে
– আচ্ছা ভাইজান কত টাকা পাচার হয়েছে রিপোর্ট এসেছে
– ৩২৮৫ কোটি টাকার মামলা
– আপনি কি জানেন ডেসটিনি টাকা লেনদেন করেছে
– কত টাকা …
– ৫৯১১ কোটি টাকা, তার মধ্যে গ্রাহকের বিনিয়োগ ডেসটিনি মাল্টিপারপাস এ ২১৫৬ টাকা আর ডেসটিনি ট্রি-প্লানটেশন এ ৯৪৬ মোট ৩১০২ কোটি টাকা। বাকি টাকা পণ্য ক্রয়বিক্রয় এর মাধ্যমে
– এই যে গ্রাহকের ৩১০২ কোটি টাকা এই টাকাই তো পাচার করেছে
– এই জন্যই তো বললাম অসচেতন, আপনি কি পত্রিকার এই রিপোর্ট দেখেননি ডেসটিনির ৩৩৫০ কোটি টাকার সম্পদ আছে।
– হ্যা দেখেছি তো …
– ডেসটিনি মোট লেনদেন করলো ৫৯১১ কোটি টাকা । তাহলে ৫৯১১ কোটি থেকে সম্পদের ৩৩৫০ কোটি বাদ দিলে থাকে = ২৫৬১ কোটি টাকা। প্রশ্ন হচ্ছে গ্রাহকের বিনিয়োগ ৩১০২ কোটি টাকা কিন্তু সম্পদ আছে ৩৩৫০ টাকার তাহলে গ্রাহকের বিনিয়োগ ১০০% নিরাপদ আছে। অবশিষ্ট থাকলো পণ্য বিপণন করে যে ২৫৬১ টাকা আয় করেছে তা। আপনি কি মনে করেন ১২ ডেসটিনি গ্রুপ টাকা ছাড়াই চললো
– না তা হবে কেন টাকা ছাড়া একটা মানুষ চলতে পারেনা আর একটা কোম্পানী
– এই ২৫৬১ টাকা কোন কোন খাতে ব্যয় হল ।

১২ বছরে দেশিবিদেশি বিভিন্ন পণ্য ক্রয় বাবদ ৭৯৫ কোটি টাকা
১২ বছরে ক্রেতা পরিবেশক দের সেলস কমিশন দেওয়া ১৪৫৬ কোটি টাকা
১২ বছরে সরকারকে ট্যাক্স প্রদান ৩১৩ কোটি টাকা
১২ বছরে অফিস, কর্মচারীদের বেতন আরো অনেক খরচ একটু হিসাব করে দেখুন ডেসটিনির লেনদেন কৃত সব টাকার পাই টু পাই হিসাব আছে ।

– তাহলে মামলা করলো কেন
– আসলে ডেসটিনির বিরুদ্ধে একটি কু-চক্র মহল ষড়যন্ত্র করছে । তারা জানে বাংলাদেশের ৯৫% মানুষ অসচেতন আম জনতা তারা কখনো অংক করে এসব বের করে ভাল মন্ধ বিচার করবেনা তারা হুজুগে বাজ্ঞালী এই জন্যই এই সব কু-চক্রি মহল দেশের হুজুগে বাঙালির চোখে মিডিয়ার ধুলা দিয়ে দেশের ১২ টা বাজাচ্ছে। এই কুচক্রি মহল জানে ডেসটিনির পরিচালকদের নামে ৩২৮৫ কোটি টাকার মামলা দিলে দেশের মানুষ ভাববে রফিকুল আমিন সাধারন মানুষের টাকা আত্মসাত করেছে। আর সবার চোখেধুলা দিয়ে কুচক্রি মহল ডেসটিনির ৩৩৫০ কোটি টাকার সম্পদ লুটপাট করে খাবে।
– আমি দুঃখিত আমি এসেছিলাম তোমাকে মদন বানানোর জন্য তোমরা বোকামি করছ। কিন্তু এখন আমি বুঝতে পারলাম যারা আমরা ডেসটিনি বিষয়ে না জেনে মন্তব্য করি আমরা ভুল করছি, এই কুচক্রি মহলের বিরুদ্ধে তোমরা কিছু করছেনা কেন ।
– হ্যা আমরা করছি এবং করবো কুচক্রি মহল বুঝতে পারেনি ডেসটিনির মানুষ দেশের সাধারণ আম জনতা নয় এরা সবাই বিচক্ষণ বুদ্ধিমান সচেতন তাই আমরা ঠান্ডা মাথায় তাদের ষড়যন্ত্র মোকাবেলা করছি। আমাদের পাশে থাকুন দেখুন আমরা কি করি। এই ষড়যন্ত্র কারীদের কথা শুনে স্বাধীনতার ৪০ বছর পরেও আজ আমরা বিদেশীদের কাছে ভিক্ষা করে খাই এটা আমাদের লজ্জা। দোয়া করুণ ডেসটিনির মাধ্যেমে একটি স্বপ্নের বাংলাদেশে গড়ব

কেন ডেসটিনির বিরুদ্ধে এই ষড়যন্ত্র আমার পরের লেখায় তা জানাবো