ক্যাটেগরিঃ অর্থনীতি-বাণিজ্য

 

 

মফস্বল শহর ছেড়ে ঢাকায় এসেছি খুব বেশিদিন নয়, তবে এ কয়দিনে যতটুকু বুঝেছি তা হল এখানে চলাচল করতে হলে সর্বদা সতর্ক থাকতে হয়, তা না হলে পদে পদে সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়, এই তো কিছুদিন পূর্বে ‘কতটা কৌশলী হলে চলা যায় এই ঢাকা শহরে?’ এমন নামক একটা পোস্ট করেছিলাম, আজ ঐ একই ধরনের ব্যাপার নিয়ে কিছু কথা বলতে চাই।

আমার ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারিং লাইফের বন্ধু ইকরামুল, ওকে যতদিন থেকে চিনি ও অপেক্ষাকৃত সহজ সরল ও পরোপকারী, ও কিছুদিন হল চাকরির উদ্দেশ্যে ঢাকায় এসেছে, আমি যেহেতু বেশ কিছুদিন এই শহরে তাই কিছুটা হলেও পূর্বের থেকে সতর্ক হয়েছি, কিন্তু ও এ ব্যাপারে নিতান্তই কাঁচা।

ইকরামুল ঢাকায় ওর এক আত্মীয় এর কাছে আমি যে রোডে থাকি মিরপুর ১ এ ও তার পাশের রোডের একটি বাসায় উঠেছে, তো সেদিন আমায় ফোন করে বলল কি রে কি করিস? আমি বললাম এইতো একটু লেখালেখি, তো ও বলল আমি আসতেছি তোর ওখানে, আমি বললাম অবশ্যই।

যেহেতু ও নতুন তাই বেশ খুঁজে খুঁজে আমার বাসার লোকেশন বের করল তবুও আমি নিচে গিয়ে দাঁড়িয়েছিলাম ওকে আনতে, তারপর রুমে আসার পর কথায় কথায় ও বলল যে বুলবুল (আমার আর এক বন্ধু) ফোন করেছে চল এপাশে নাকি কোথায় স্টেডিয়াম আছে (মিরপুর ২ এর শের এ বাংলা) ওখানে B C L খেলা হচ্ছে দেখতে যাই, আমি যেহেতু লিখছিলাম তাই না না করছিলাম তবুও ওর পিড়াপিড়িতে রাজি হলাম, তারপর দুইজন একসাথে নেমে মিরপুর ১ এ বাসের জন্য অপেক্ষা করতে লাগলাম, কিন্তু ভিড় কম এমন বাস পাচ্ছিলাম না শেষে একটা বাস আসল পল্লবী ( ৯ নাম্বার নামে অনেকে চিনেন ) তো ১ নাম্বার এ পুলিশ দাঁড়াতে দিচ্ছিল বিধায় দৌড়ে গিয়ে আমি কোনরকম উঠলাম, আমার ফ্রেন্ড ও কোনরকমে উঠল।

গাড়ি চলতে লাগল একটু পরেই আমার বন্ধু যা বলল তাতে তো আমি বাকরুদ্ধ, ব্যাপার টা হল, ও ধার্মিক হওয়ায় পাঞ্জাবী পাজামা পরে এছাড়া পাঞ্জাবীর পকেটে চেইন ও লাগানো ছিল, এরপরেও চোরে ওর পকেট থেকে মানিব্যাগ উঠিয়ে নিয়েছিল যাতে বেশ কিছু টাকা সহ সিম ও মূল্যবান কাগজ পাতি ছিল।

এমন ঘটনা এ শহরে অহরহ ঘটে ঘটে চলেছে আমি মাত্র একটির বর্ননা দিলাম মাত্র এ ছাড়া মলম পার্টি তো আছেই, এইতো কিছুদিন আগে গাড়িতে উঠার সময় ভিড়ের মধ্য থেকে আমার খালাতো ভাইয়ের বেশ দামি স্মার্ট-ফোনটিও পকেট থেকে উঠিয়ে নেয় চোরেরা।