ক্যাটেগরিঃ অর্থনীতি-বাণিজ্য

 

জনৈক ব্লগার ভাইয়ের লেখা প্রসঙ্গে লিখছি, ঐ ব্যাংকের শাখায় ক্যাশ কাউন্টিং মেশিন অতীব জরুরীভাবে প্রয়োজন। তাতে সময় ও কষ্ট উভয়ই বাঁচবে , কারণ সবাই এখন ব্যাস্ত , তবে ব্যাংকিং লেনদেনের সময় সূচী আবারও ৯টা ৩টা করা উচিত। কারন সকালে ০১(এক) ঘ্ন্টা নষ্ট করার কোন মানে নাই। আর তাছাড়া যে এলাকায় যে বারে মার্কেটের সাপ্তাহিক বন্ধ সেই বারে ঐ এলাকায় ব্যাংক বন্ধ রাখা উচিত। আর যেহেতু জাল টাকায় এখন বাজার সয়লাব সেহেতু ক্যাশে পর্যাপ্ত লোকবল রাখা উচিত। বেশী বয়স্ক লোকদের ক্যাশে না রেখে তাদের ক্যাশ ক্যাডার পরিবর্তন করে দেয়া ভালো, তবে চেক জালিয়াতির কথা বিবেচনায় রেখে তারা চেক পাশ করেন তাদের কিছু সময়তো লাগবেই। সব কিছু ইতিবাচক ভাবে নেওয়া উচিত। ঐ ব্যাংকের শাখার একটা নিজস্ব ভাবমূর্তির প্রশ্নতো আছে, এভাবে না লিখে, ব্যাংক ম্যানেজারকে অভিযোগ করা যেতে পারে। আর তাছাড়া কোন ব্যাংক কোন শাখা এভাবে উল্লেখ না করে শুধু মাত্র বাংকের শাখা বলা যেতে পারে । আমাদের ব্লগে এই সব সমস্যার বাস্তবগত কারন ও তার সমাধান নিয়ে লেখা উচিত, কাউকে ব্যক্তিগতভাবে এভাবে আক্রমন করা উচিত নয়, কারন তাতে ঐ পঞ্চাশোর্ধ বয়সের মুরব্বীর চাকুরীর ক্ষতি হতে পারে, তাহলে তা তার সংসারের ছেলেমেয়েদের পড়াশুনার জন্য মারাত্মক হুমকির কারন হয়ে দাড়াতে পারে । তবে হ্যাঁ আমরা ব্লগে লিখতে পারি, যেন ব্যাংক কর্তৃপক্ষ জরুরীভাবে কাউন্টিং মেশিন সরাবরাহ করেন। কাকরাইলে ‘এন এস এস’ নামে একটি প্রতিষ্ঠান আছে। উনারা কাউন্টিং মেশিন বিক্রি করে, বিজিএমইএর সভাপতি সালাম মুর্শেদি সাহেব এই কোম্পানীর মালিক, (সালাম মুর্শেদি সাহেব প্রিমিয়ার ব্যাংকের পরিচালক ও বটে )। আমরা পূবালী ব্যাংকের কাছে কাউন্টিং মেশিন চেয়ে ব্লগে অনুরোধ করে লিখতে পারি । এনএসএস এর ফোন নং – ৮৩১১৩৮৫ , ৮৩৫৮৭১০, ০১৭১৩৪৩৪৯৬৩ ।