ক্যাটেগরিঃ গণমাধ্যম

 

এমন বিজ্ঞাপন কারা বানায়, কিভাবে তা সেন্সর হয়? আমার বোধগম্য নয়, একজন ব্যক্তি এমন এনার্জি ড্রিংক খেলো যে, কেউ ফুটবলের বসলো আর সে মারলো লাথি, অমনি ফুটবলে চড়ে মক্কেল ঢাকায় চলে এলো উড়ে, আবার কেউ এমন শক্তিমান হলো যে ক্যারামের ঘুঁটি উড়ে গিয়ে মুরগী টুরগি মেরে জানালার কাঁচ ভেঙ্গে হাসপাতালের রুগীর মাথায় লাগলেই উনি দেখতে শুরু করলেন, এ রকম বহুতল ভবন হতে পড়ে যাওয়া বিড়াল ধরে ফেললেন আরেক শক্তিবর্ধক পানীয়ের ভোক্তা। বাহ কী সস্তা, বস্তাপচা বিজ্ঞাপন! একজন ভন্ড খেলেন হজমী, আর তারপর লোহা খেয়ে লোহা হজম করে ফেললেন, পরে অবশ্য দায় এড়ানোর জন্য জেলও খাটলেন, (তাই বলে কেউ লোহা খাবেন না যেন)। আগে টিভিতে সিগারেটের বিজ্ঞাপন হতো, কালের বিবর্তনে এখন তা বন্ধ হয়েছে, একদিন এসব এনার্জি ড্রিংকের আজগুবি বিজ্ঞাপনও পুরোপুরি বন্ধ হবে, না হলেও এরূপ সম্পুর্ণ অসত্য তথ্যনির্ভর বিজ্ঞাপন প্রচারে কড়াকড়ি বিধি নিষেধ আরোপিত হবে বলে আমার বিশ্বাস। আর সেই সাথে আমার জানতে ইচ্ছে করে কী ভাবে পন্যের গুনগত মান অনুযায়ী বিজ্ঞাপণের বক্তব্য অনুসৃত হবে আর কিসের মাপকাঠির উপর ভিত্তি করে সেন্সর বোর্ড তা অনুমোদন দিবেন, এবং এও জানতে ইচ্ছে করে সরকার সেন্সর বোর্ডের হাতকে শক্তিশালী করতে ও তাকে নিয়ন্ত্রন করতে তার নীতিমালায় কোনো সংশোধনী এনে তা প্রজ্ঞাপন আকারে প্রচার করবেন কিনা?