ক্যাটেগরিঃ রাজনীতি

ইতিমধ্যেই ভোটার তালিকা হালনাগাদ করার কাজ শুরু হয়ে গেছে । কোন কোন এলাকা হতে অভিযোগ পাওয়া গেছে যে , কোন মাঠকর্মী পৌঁছায়নি তাদের বাড়িতে , আর এমন কিছু বিচ্ছিন্ন অভিযোগ থাকা সত্ত্বেও জাতীয় নির্বাচনের প্রস্তুতি অনুযায়ী নির্বাচন কমিশন তার গৃহিত পদক্ষেপ হিসেবে যে সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে তা এখন দৃশ্যমান । তবে একটা বিষয় এখনো সুস্পষ্ট নয় যে সত্যিকারের রাজনৈতিক সদিচ্ছার প্রতিফলন হিসেবে ‘তত্ত্বাবধায়ক সরকার’ প্রশ্নে সরকার কি আদৌ কোন সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে পারবেন ? এ বিষয়ে আমার মনে অনেক সন্দেহ হয় যে, সরকার নির্বাচনকালীন সময়ে তত্ত্বাবধায়কের দায়ীত্বে নিজেরাই থেকে প্রশাসনে সম্পুর্ণ নিরেপক্ষতা বজায় রাখতে পারবেন কি না ? যেহেতু দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন হলে প্রশাসনের সর্বস্তরে একটি অলিখিত পক্ষপাতিত্ব হবার সম্ভাবনা অনেকাংশে স্পষ্ট , আর সেক্ষেত্রে স্বাধীন নির্বাচন কমিশনের গ্রহন যোগ্যতা ও নিরেপেক্ষতা একটি দলীয় রাষ্ট্রযন্ত্রের পৃষ্ঠদেশে পিষ্ট সম্ভাবনাও অধিকতর সুস্পষ্ট । তাই একটি গ্রহণযোগ্য স্বাধীন তত্ত্বাধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন, একটি অবাধ ,নিরপেক্ষ , ও সুষ্ঠু নির্বাচনের বার্তা বহণ করে বলে পর্যবেক্ষকদের ধারনা । এক্ষেত্রে বিগত তত্ত্বাবধায়ক সরকার এর সময়ের তিক্ত অভিজ্ঞতার আলোকে আইন দ্বারা অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের ক্ষমতাকে বিষয় ভিত্তিক ভাবে খর্বিত করে এবং তাকে নির্দিষ্ট নীতিমালার বাধ্যবাধকতার জালে আবদ্ধ করে সীমাবদ্ধ মেয়াদের জন্য শুধুমাত্র নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য প্রতিশ্রুতিবদ্ধ করে গঠন করা যেতে পারে ।