ক্যাটেগরিঃ ফিচার পোস্ট আর্কাইভ, রাজনীতি

বর্তমান জাতীয় সংসদের প্রধান বিরোধী দল বিএনপি আগামী ৯ মে থেকে আন্দোলনে যাচ্ছে। তাদের দাবি বর্তমান মহাজোট সরকার দেশ পরিচালনায় ব্যর্থ। দ্রব্যমূল্যের উর্ধ্বগতি, সীমান্তে ফেলানী হত্যা, ছাত্রলীগের চাঁদাবাজি-টেন্ডারবাজি, মানবাধিকার লঙ্ঘন, অপশাসন, অযোগ্যতা, নিপীড়ন, বিচারবহির্ভূত হত্যা, গুপ্ত হত্যা ও মানুষ গুম বিভিন্ন ইস্যু নিয়ে আন্দোলনে যাবেন। বিএনপি সরকারকে দুই সপ্তাহের আল্টিমেটাম দিয়েছেন এবং মধ্যবর্তী নির্বাচনেরও দাবি করে আসছেন। এমনকি, সংবিধান সংশোধন কমিটিতে যায়নি বিএনপি। সংবিধান সংশোধন করতে নির্বাচন দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন দলের ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব। বিএনপির দাবি সংবিধান সংশোধনে গণভোট চাই।

মহাজোট সরকারের বয়স আড়াই বছর। এরই মধ্যেই শুরু হয়েছে বিএনপির নানা অভিযোগ। তাদের দাবি, মধ্যবর্তী নির্বাচন দিন নইলে আন্দোলন। আর আন্দোলনে মানে হচ্ছে মাঠ গরম রাখা। কিন্তু বিএনপি এই আন্দোলনের কর্মসূচীর মধ্যে রয়েছে জেলা পর্যায়ে বিক্ষোভ সমাবেশ, মানববন্ধন, এবং তুরুপের তাস হিসেবে হরতাল। কঠোর আন্দোলনের কথা বললেও বিএনপি জানে তাদের তৃণমূল পর্যায়ে মাঠ গরম রাখার মত অবস্থা এখন নেই। তাই দলে শুরু করছে শুদ্ধি অভিযান। এই শুদ্ধি অভিযান কতটুকু শুদ্ধ হবে তা বিএনপি কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দরাই ভাল জানেন। দলের সিনিয়র নেতা তারেক রহমানও রয়েছেন চিকিৎসার নামে দেশের বাইরে । বিদেশে বসে দলের খোজখবর রাখছেন। শেষ পর্যন্ত বিএনপি আন্দোলনে কতটুকু সফল হবে? হরতাল, সংঘর্ষ দেশের অর্থনীতিকে আরো পঙ্গু করে দিবে। তাই মাঠ গরম না করে জাতীয় সংসদে এসে কথা বললে জনগণের উপকার হবে। বিরোধী দল হিসেবে বিএনপি, খালেদা জিয়ার বাড়ি রক্ষা, তারেক-কোকো’র মামলা প্রত্যাহার এই সব দাবি নিয়ে জোড়ালো ছিল। গত আড়াই বছরে প্রধান বিরোধী দল কী দিয়েছে জনগণকে?

***
ফিচার ছবি: ইন্টারনেট