ক্যাটেগরিঃ রাজনীতি

সমুদ্রে বাংলাদেশের ন্যায্য দাবী আন্তর্জাতিক সালিশী আদালতের মাধ্যমে আদায় দেশের একটি বড় অর্জন। এজন্য সরকারেরে ভুমিকা অত্যন্ত প্রশংসাযোগ্য। আর এই অর্জন এবং দেশের স্বার্থের বিজয় নিশ্চয়ই খুশীর আর আনন্দের। বার্মার / মায়ানমারের সাথে কিংবা অন্য কোনও প্রতিবেশীর সাথে সংঘাত এড়িয়ে বহুপাক্ষিক সমঝোতা মাধ্যেমে সমস্যার সমাধান করা আমাদের মতো দেশের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।

যেকোনো সালিসী সমঝোতার রায় উভয় পক্ষই খুশী মনে গ্রহন করে। সেটা দুই দেশের মধ্যে হউক কিংবা দুই ব্যক্তির মধ্যে হউক। আর এমন রায় পাওয়ার পর কোনও ব্যক্তি প্রতিপক্ষের নাকের ডগায় উল্লাস করতে থাকে তখন শান্তির সমঝোতা অশান্তির সৃষ্টি করে।

কোনও মানুষ/ পক্ষ কখনো নিজের পরাজয় দেখতে চায় না; অন্যকে দেখাতেও তার আত্মসম্মানে লাগে। নিজের হার এর কারনে প্রতিপক্ষ উল্লাস করুক তাতো কোনও কেউ সহ্য করেনা। আর একটা রাষ্ট্রের আত্মসম্মানবোধ একজন ব্যক্তির চাইতে হাজার গুণ বেশী।

তাই এই জয় নিয়ে আমাদের উল্লাসকে আমরা যেন আমাদের প্রতিবেশীর আত্মসম্মানবোধ কে আহত করার মতো কিছু না করি। যার কারনে বিজয়টাই ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে যেতে পারে। প্রতিবেশীকে নতুনভাবে শত্রুভাবাপন্ন করে তুলতে পারে।

বিজয়ী দলকে তৈরি থাকতে হয় বিজিত দলের মন জয় করার মহান যুদ্ধের জন্য। যেটা সেই বিজয় কে দীর্ঘ স্থায়ী আর মহিমান্বিত করে তোলে।