ক্যাটেগরিঃ অর্থনীতি-বাণিজ্য

অসচেতন মানুষ,এখন দৌড়াচ্ছে সিম রেজিষ্ট্রেশন করতে। হুদা, ভাওতাবাজি, আঙ্গুলের ছাপ নিয়া যাইলে অসুবিধা আছে, এমন নানান অজুহাতে করা হয়নি নিজ সিমখানা রেজিষ্ট্রেশন। আর তাই এখন ছুটছে সিম রেজিষ্ট্রেশন করতে। লাইন দিয়ে ভিড় জমাচ্ছে এজেন্ট দোকান কিংবা কাস্টমার কেয়ারগুলোতে। লাইন আর ধৈর্য এতটা অসহনীয় যে ঘন্টার পর ঘন্টা দাঁড়িয়ে থাকার পর হয়তো অনেকেরই রেজিষ্ট্রেশনের ভাগ্য হয় না! কথা বলেছিলাম গ্রামের নারী মোবাইল ফোন ব্যাবহারকারীদের কাছে। তাদের উত্তরকে বুঝছিলো রেজিষ্ট্রেশন না করলে সিম বন্ধ কইরা দিবো! আমাগো কত গুরুত্বপূর্ন কাজ আছে মোবাইল দিয়া।স্বামী বিদেশ থিকা ফোন করে।স্বামী টাহাও পাডায় ফোনে।পোলা ঢাকায় থাহে!

03_Biometric+SIM+Registration_GP_AM_290416_006

প্রশ্ন করেছিলাম, তা আগে করেননি কেনো? সরকার তো অনেক দিন সময় দিয়েছিলো।

ভাবছিলাম কী আর অইবো,অহন তো দেহি যা হইবার তাহাই অইতাছে।

ছোটবেলায় সময়ের মূল্য নামে একখানা রচনা পড়েছিলাম। সেখানে উল্লেখ আছে সময়ের কাজ সময় করতে হয়। অসময়ে কাজ করলে তো তার খেশারত দিতেই হবে এটা স্বাভাবিক! আরো একটা মজার গল্প হলো অনেকেরই ধারণা হাতের আঙ্গুলের ছাপে সর্বস্ব হারানোর সম্ভাবনা রয়েছে। আবার রেজিষ্ট্রেশন করতে গিয়ে কেউ, কেউ স্বজনপ্রীতির স্বীকার হচ্ছেন। আর ভোগান্তিতে পড়ছেন  আমজনতা। সরাসরি রেজিষ্ট্রেশনের বিনিময় নানা অযুহাত খাড়া করিয়ে কিছু অসাধু চক্র হাতিয়ে  নিচ্ছে অর্থ! সাথে সেই চিরসত্য  বাণী, যে সরকারই থাকুক ক্ষমতায়, খুব বিশ্রী শব্দে গালি…। সরকার আমাগরে ভোগান্তিতে ফেলে। অথচ সরকার আরো তিন মাস আগ থেকে প্রচার – প্রচারনার মাধ্যমে সিম নিবন্ধনের কথা জানিয়ে দিয়েছিলেন।