ক্যাটেগরিঃ রাজনীতি

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আগামি পহেলা এপ্রিল ব্র্যান্ডিং জেলা চাঁদপুরে আসার কথা রয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর আসা উপলক্ষ্যে চাঁদপুরকে সাজানো হচ্ছে বর্ণিল সাজে। মমতাময়ী নেত্রী শুধু বাংলাদেশের নয় এখন বিশ্ব নেত্রীর তকমা ও পেয়ে গেছেন। তাঁর এ আগমনকে উপলক্ষ্য করে সাধারণ মানুষের মাঝে বিরাজ করছে এক অন্যরকম আনন্দ। খেটে খাওয়া মানুষ, কৃষক, শ্রমিক, মুজুর থেকে শুরু করে নিম্ন আয়ের লোকেদের মধ্যে বিরাজ করছে অনাবিল আনন্দ।

নেত্রীকে একটি পলক দেখার জন্য উৎকন্ঠা নিয়ে অনেকেই দিন গুণছেন এক এক করে। সাধারণ মানুষ তাকিয়ে আছেন সবকিছু উপেক্ষা করে বঙ্গকন্যা সাধারন মানুষের মনের কথাগুলো শুনবেন। অব্যক্ত কথা মালা সাজিয়ে-গুছিয়ে রেখেছেন তাই তারা। এর আগেও একবার ভিডিও কনফারেন্স এর মাধ্যমে সাধারন খেটে খাওয়া মানুষদের সাথে আলাপ করেছিলেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী।আর সেজন্য সাধারন মানুষের প্রত্যাশাটা একটু বেশি। সবাই অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন বঙ্গবন্ধুর কন্যা সাধারণ মানুষের মনের কথাগুলো শুনবেন।

অনেকেই শেখ হাসিনাকে বলেন ‘বাপকা বেটি’। বাবা যেমন ছিলেন দেশপ্রেমী, সাধারণ মানুষের আপনজন; তেমনি মেয়েও জনদরদী, সাধারণের আপনজন। বড় কিংবা ছোট সব সমস্যারই সমাধান হয়ে যায় ওনার নিকট বার্তা পৌঁছালে।

জনদরদী, এ নেত্রী এখন বিশ্ব মিডিয়ায় ও ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করে চলেছেন। কয়েকদিন আগে যুক্তরাজ্যের টেলিভিশন চ্যানেল ‘চ্যানেল ফোর’ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে আখ্যায়িত করেছেন “মাদার অফ হিউম্যানিটি” হিসেবে।বিপুল পরিমান রোহিঙ্গা শরনার্থীকে বাংলাদেশে আশ্রয় দিয়ে তিনি এ সম্মানে ভূষিত হয়েছিলেন। বড় মনের পরিচয় দিয়ে পৃথিবীতে একজন উদার মনের প্রধানমন্ত্রী হিসেবেও পরিচিতি লাভ করেছেন তিনি।

একজন নেত্রীকে কত দিক সামলাতে হয়। দেশ-বিদেশের খবরসহ কোথায়, কখন কী ঘটছে সে খবরটাও রাখেন তিনি। প্রতিদিন নামাজ পড়েন, কোরআন পড়েন। বহুবার মৃত্যুর খুব নিকট থেকে বেঁচে ফেরা এ মহান নেত্রী রাজনীতি করেন সাধারণ মানুষের জন্য।  আতি নেতা, পাতি নেতা, সিকি নেতাদের যখন ছড়াছড়ি দেশে, ঠিক তখন মমতাময়ী নেত্রী অন্যায়ে আপোসহীন ভূমিকা পালন করে চলেছেন। নিজ দলের কেউ অন্যায় করলেও তাকে কোনো ক্ষমা করা যাবে না বলে হুশিয়ারি দিয়ে রেখেছেন।

বিশ্বের ক্ষমতাধর নারীদের তালিকায়ও রয়েছে তাঁর নাম। ’৭৫ এ সপরিবারে যখন বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করা হয় ঠিক তখন বিদেশে থাকার কারণে বেঁচে গিয়েছিলেন তিনি। শুধু তিনি নন, সাথে বেঁচে গিয়েছিলেন তাঁর বোন শেখ রেহানাও। সেই দুঃখ আজো ভুলতে পারেননি তিনি। তবু অন্যের দুঃখ, দুর্দশা দূর করতে বদ্ধপরিকর মানবতার মা নামে খ্যাত শেখ হাসিনা। বুক ফাটা কষ্ট বুকে নিয়েও, দিব্যি সাধারণ মানুষের পাশে ওনার সেবার হাত বাড়িয়ে চলেছেন। এত কিছুর পরও বলতে হয় বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গঠনে তার ভূয়সী কার্যকালাপ সত্যি প্রশংসার দাবিদার।

এখন শুধু অপেক্ষা চাঁদপুরবাসীর জন্য কোন  শুভ সংবাদ নিয়ে হাজির হবেন তিনি ।সাধারণ মানুষের কথাগুলো তিনি শুনবেন তো?সেই অপেক্ষায় কথার মালা সাজিয়ে রেখেছে হয়তো খেটে খাওয়া মানুষেরা।

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী চাঁদপুরে আসবেন, সাধারণের সমস্যার কথা শুন বেন এবং সে অনুযায়ী সমস্যা লাঘবে কাজ করবেন সেটাই প্রত্যাশা।সাধারণ জনগনের কথাগুলো যেন পৌঁছায় নেত্রীর কাছে সেটাই এখন কামনা।