ক্যাটেগরিঃ দিবস প্রসঙ্গ, ফিচার পোস্ট আর্কাইভ

একটি মেয়ে, ধরা যাক তার নাম মন্দিরা, একসময় সংসারে তার উপস্থিতি প্রতিটি পদে পদে টের পাওয়া যেতো। মেয়েটি রাঁধে বাড়ে, হাট বাজার থেকে শুরু করে ছেলেমেয়ের সব ধরনের বায়না মেটায়। শুধু ছেলেমেয়ে কেনো, মন্দিরা তার স্বামী নামের যে ভালোবাসার মানুষটি আছে, তার দেখভালও ঠিকভাবেই করে যায়। মন্দিরা অতিথি আপ্যায়ন করে, মন্দিরা তার দুয়ারে ভিখিরি এসে ‘ভাত দেনগো মা’ বলে হাঁক দিলে , তাকেও ফিরিয়ে দেয়না, একমুঠো ভাত তাকেও দেয়। ঘরে-বাইরের প্রতিটি সদস্যের দিকেই তার সমান নজর। এভাবেই মন্দিরার ছেলেমেয়েরা মন্দিরাকে দেখে এসেছে, মন্দিরার বাপের বাড়ী, শ্বশুরবাড়ীর আত্মীয়-স্বজনেরা দেখে এসেছে।

মন্দিরার ছেলেমেয়েরা বড় হতে হতে মন্দিরারও বয়স বেড়েছে, ছেলেমেয়েরা জীবনে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে, যার যার নিজের সংসার হয়েছে। কিনতু হঠাৎ করেই যেনো মন্দিরার ভেতর পরিবর্তনটা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। মন্দিরা প্রায়ই মেজাজ খারাপ করে সকলের সাথে, বাড়ীর যে কাজের মেয়েটি, তার প্রতিটি কাজে ভুল ধরে আর খিটিমিটি করে। যে স্বামীকে আগে সমীহ করে চলতো, তাকেও গঞ্জনা দিতে ছাড়েনা। ডাক্তার বদ্যির কাছে তাকে যেতে হয়নি কখনও, কারন পরিবারের অন্যের দেখভালের দায়িত্ব ছিল তার উপর, সে তার দায়িত্ব পালন করেছে, কিনতু তার দেখভাল করার দায়িত্ব কেউ নেয়নি। হয়তোবা কেউ ভেবেও দেখেনি মন্দিরারও দেখভালের প্রয়োজন আছে। তাই মন্দিরা যখন পেটের যন্ত্রণাতে কষ্ট পেতো, পেটে হাতচাপা দিয়ে বসে থাকতো, স্বামী হয়তো বড়জোর বলেছে ফার্মেসী থেকে দুইটা ‘ফ্ল্যাজিল’ ট্যাবলেট কিনিয়ে এনে খেতে। স্বামীর ধারনা আমাশয় জাতীয় কিছু হবে হয়তো। মন্দিরাও তাই করে গেছে। কিনতু পেটের ব্যথা কমেনি, খিটিমিটিও বেড়েছে তার ব্যবহারে। আস্তে আস্তে সকলেই মন্দিরাকে এড়িয়ে চলতে শুরু করেছে অথবা চুপ করে তার খিটখিটানি সহ্য করেছে। এরপর কেউ কেউ মুখের উপর হয়তো বলে দিয়েছে , ‘ সব সময় এত ক্যাট ক্যাট ভালো লাগেনা। আগেতো তুমি এমন ছিলেনা, এখন কেনো দিন দিন তুমি এমন অসহ্য রকমের অসহ্য হয়ে যাচ্ছো”! এমন কথা শুনে মন্দিরার মনে অভিমান জন্মেছে। ‘যাদের জন্য সারা জীবন এমন কষ্ট করে গেলাম, তারাই আজ আমাকে অসহ্য বলছে!’ ব্যস! মন্দিরা নিজের সমস্যার কথা চেপে যেতে শুরু করলো, পেট ব্যথা বাড়তেই থাকলো, স্বামীও আর বলেনা ‘ফ্ল্যাজিল’ কিনে এনে খেতে। স্বামীও ধরে নিয়েছে ‘মাইয়া মাইনষের তো সব কিছুতেই পেটের ব্যথা, এমনি এমনিই সেরে যাবে।

হঠাৎ করেই এক সকালে মন্দিরার ব্লিডিং শুরু হয়ে গেলো। তার পঁয়তাল্লিশ বছর বয়সেই মেনোপজ (ঋতুবন্ধ) হয়ে গেছিলো, সাত বছর পরে এমন ব্লিডিং শুরু হতেই ঘরের আর সকলে সচকিত হয়ে উঠলো। পাঠালো হাসপাতালে, নানা পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে ডাক্তার জানালো, ইউটেরাসে ম্যালিগন্যান্ট টিউমারের উপস্থিতি, যাকে সোজা বাংলায় বলে ইউটেরাসে ক্যান্সার। এবং তা লাস্ট স্টেজে চলে গেছে। সকলেই নিজেদের মধ্যে বলাবলি করতে লাগলো, “মানুষটা একটা দিনের তরেও আমাদের কিছু জানায়নি, সব কথা পেটের মধ্যে লুকিয়ে রেখেছে, না বললে আমরা জানবো কিভাবে! আর ইদানিংতো কিছু বলাই যেতোনা, কথায় কথায় রাগ দেখাতো, আমাদের কি দোষ, আমরা আর কি করতে পারি, আমাদের নিজেদের কত ব্যস্ততা”। এখন যখন জানালো তখন সব প্রায় শেষ। এখন সকলের চিন্তা মন্দিরার কিছু হয়ে গেলে মন্দিরার স্বামীর কি হবে, ছোট মেয়েটির এখনও বিয়ে হয়নি, তারইবা কি হবে! সব রাগ যেনো গিয়ে মন্দিরার উপরই পড়তে চাইছে, কেনো সে এতো তাড়াতাড়ি এমন এক দুঃসংবাদ বয়ে নিয়ে এলো তাদের জীবনে!

উপরের সিনারিওটা আমাদের সমাজে খুব সাধারন একটি চিত্র। আমাদের দাদী-নানি, ঠাকুমা দিদিমা বা মায়েরা মন্দিরার মত জীবন পার করেছেন বা এখনও করছেন। আমরাও এর চেয়ে খুব একটা ব্যতিক্রম নই। ছোটবেলাতে অনেক বাড়ীতেই একটা সূচীকর্ম শোভা পেতো, ” সংসার সুখের হয় রমনীর গুণে”। একটি মেয়েকে ছোট্টবেলাতেই এই মন্ত্রে দীক্ষিত করা হতো। মেয়েটি বাবার ঘরে থাকতে ঘরকন্নার কাজে মা’কে সাহায্য করতো, বিয়ের পরে স্বামীর ঘরে এসে স্বামী সন্তানের দেখভাল করেই তার যৌবনকাল পার করেছে, নিজের বাবা বা ভাইকে কখনও দেখেনি মা’য়ের ভালো-মন্দের খোঁজ নিতে, নিজের সংসারে এসেও কাউকে দেখেনি তার ভালো-মন্দের খোঁজ নিতে। এবং এগুলো নিয়ে তার মনে কোনদিন কোন প্রশ্নও জাগেনি। কারন সে শুধু শিখেছে ‘সংসার সুখের হয় রমণীর গুণে’। এরপরের অংশটুকু আর তার শেখা হয়নি, ” গুণবান পতি যদি থাকে তার সনে”।

মন্দিরা বা মন্দিরার পরিবারের কেউই জানতোনা মন্ত্রটির দ্বিতীয় চরণটুকুর কথা। তাই মন্দিরার স্বামী আগে কোনদিন খেয়াল করেনি যখন মন্দিরা হঠাৎ হঠাৎ করে ‘উফ! গরম লাগছে’ বলে মাঝরাতে ঘুম থেকে জেগে উঠতো, দর দর করে ঘামতো। অথবা মাঝে মাঝেই বুক ধড়ফড়ানির কথা বলতো, একেবারে গুম হয়ে চুপচাপ বসে থাকতো। আসলে অনেকেই জানেইনা মেনোপজের সময় মেয়েদের এই সিম্পটমগুলো দেখা দেয়। মেয়েরা মেনোপজের আগে বা পরে ভীষন রকম ডিপ্রেসড হয়ে থাকে, মেনোপজ মানেই মেয়েটির গর্ভধারণ ক্ষমতা চিরতরে থেমে যাওয়া। একজন নারীর কাছে মাতৃত্ব এক অহংকারের বিষয়, মেনোপজের কারনে সেই অহংকারে ঘা পড়ে। ফলে মেয়েটি মানসিকভাবে ভেঙ্গে পড়ে। ঠিক এই সময়টিতেই পরিবারের অন্য সকলের সেই মেয়েটির প্রতি সাময়িকভাবে হলেও আলাদা ভালোবাসা, আলাদা সহানুভূতি নিয়ে এগিয়ে আসতে হয়। নিয়ম অনুযায়ী একটি মেয়ের বয়স চল্লিশ পার হতেই তাকে ডাক্তারের কাছে যাওয়া উচিত। কারন চল্লিশের পরেই মেয়েদের হাড়-গোড়েও ক্ষয় ধরা শুরু হয়। কত বুড়ীকে দেখা যায় কুঁজো হয়ে চলতে, যাদেরকে আমরা ডাকি কুঁজো বুড়ি বলে। কিনতু আমরা কোনদিন ভেবে দেখিনি, কুঁজো হয়ে চলতে কত কষ্ট, বুড়ি নিজেও মনে হয় টের পায়না, কুঁজো হয়ে চলার কি কষ্ট। কারন সে জানতোইনা, মেয়েদের শরীরের জন্য ক্যালসিয়াম এক বিরাট গুরুত্ব বহন করে। দুধ হচ্ছে ক্যালসিয়ামের এক বিরাট সোর্স। আমাদের অভাবের দেশে বাচ্চারাই দুধ খেতে পায়না, মা কোত্থেকে পাবে দুধ বা দুগ্ধজাত খাবার, অথচ এই ক্যালসিয়ামের ঘাটতির কারনেই মেনোপজের পরে মেয়েদের হাড়-গোড় বেঁকেচুরে যায়, লাঠিতে ভর করে হাঁটতে হয়। তাই চল্লিশের পরেই মেয়েদেরকে ‘ক্যালসিয়াম’ ট্যাবলেট খেতে বলা হয়।

চল্লিশের পরে মেয়েদেরকে বছরে একবার ডাক্তারের কাছে যেতে হয় আরও একটি কারনে। তার ব্রেস্ট চেকাআপের জন্য। কারণ মেয়েদের ব্রেস্ট ক্যানসার খুবই কমন একটা সমস্যা হয়ে দাঁড়াচ্ছে। নিয়মিত চেকআপ এই জন্যই করাতে হয়, যদি কোন কারণে ব্রেস্টে কোন টিউমার ধরা পড়ে, সময়মত ধরা পড়লে এর চিকিৎসা সম্ভব এবং আরোগ্য হওয়ার চান্সও অনেক বেশী। ইউটেরাসের বেলাতেও একই কথা, ইউটেরাসে টিউমারও যদি সময়মত ধরা পড়ে, এর থেকে আরোগ্যলাভ করা খুবই সহজ। বছরে একবার পেপ্সমিয়ার টেস্ট করাতে হয় সার্ভিক্স নামক অর্গ্যানটির সুস্থতার কথা চিন্তা করে। কিনতু মন্দিরার মত লাস্ট স্টেজে চলে গেলে আর কিছু করার থাকেনা। মন্দিরার অনেক সিম্পটম দেখা যাচ্ছিল, এই যে স্বাভাবিক একজন মানুষের আচরনে এমন পরিবর্তন অথবা হঠাৎ হঠাৎ গরম লেগে ঘেমে নেয়ে উঠা (হট ফ্ল্যাশ) বা পেটে হাত চাপা দিয়ে বসে পড়া, এগুলো সবগুলোই আগাম সঙ্কেত।

আমাদের দেশের মেয়েরা ব্রেস্ট চেকআপ করাবে কি, ব্রেস্ট শব্দটাই মুখে আনতে লজ্জা পায়, আমি নিজেও এর বাইরে নই, এই লেখাটি লিখতে গিয়ে আমার নিজের আঙ্গুলগুলো কতবার থেমে গেছে কীবোর্ডের উপর, তা স্বীকার করতে একটুও দ্বিধাবোধ করছিনা। আমিও ঐ সমাজেই বড় হয়েছি। আমি ভাগ্যের জোরে আমেরিকার মত দেশে আছি বলেই আমাদের দেশের সমাজে মেয়েদের প্রতি বৈষম্যগুলো দেখতে পাচ্ছি। আমি এই দেশে আছি বলেই জানতে পেরেছি চল্লিশ বছর বয়সের পরে প্রতিটি মেয়েকে বছরে একবার ডাক্তারের কাছে যেতে হয়। কারন চল্লিশের পরে মেয়েদের দেহে নানা পরিবর্তন আসে, বিশেষ করে হরমোনাল লেভেলে ভারসাম্যহীনতা দেখা দিতে শুরু করে। সেই থেকেই মেয়েদের বাহ্যিক ও মানসিক, দুই লেভেলেই পরিবর্তনগুলো শুরু হয়। উন্নত দেশে আছি বলেই আমি নিজে নিজেই টের পেতে শুরু করেছি, আমার ব্যবহারে অস্থিরতা বাড়ছে, আমিও মাঝে মাঝে ডিপ্রেসড থাকি। আমি ভাগ্যবতি বলেই আমার মেয়েরা আমার এই পরিবর্তন নোটিশ করছে, তারা আমাকে ডাক্তারের কাছে যেতে বলছে। আমি নিজে গাড়ি চালাতে জানি, ইংলিশ বলতে পারি, চাকুরী করি, হেলথ ইনসিওরেন্স আছে, হসপিটালও চিনি, তারপরেও গড়িমসি করছি। ঐ যে, ছোটবেলাতে শিখেছিলাম, ‘সংসার সুখের হয় রমণীর গুণে’, এতো আমার অস্থিমজ্জায় ঢুকে গেছে। আমি অপেক্ষায় থাকি, কখন আমার স্বামী আমাকে বলবে, ‘চলো, তোমাকে ডাক্তারের কাছে নিয়ে যাই। তোমার একটু মেডিক্যাল চেকআপের প্রয়োজন আছে।

না, শেষ পর্যন্ত আমি আমার স্বামীর অপেক্ষায় থাকতে পারলামনা। কারন সেওতো মায়ের আঁচলে থেকে বড় হয়েছে, সেও দেখেছে তাদের ঘরের বেড়ার চালে মায়ের অথবা বোনের হাতের সূচীকর্ম, “সংসার সুখের হয় রমণীর গুণে’। তাই হয়তো ছেলেদের অস্থিমজ্জায় ঢুকে গেছে, মেয়েরাতো সংসার সুখী করার কারিগর, কারিগরদের অসুখ বিসুখ হতে নেই, তারা সংসার সুখী করতে করতে কুঁজো হয়ে যায়, এটা প্রকৃতির নিয়ম, এতো বড় একটি সংসারের ধকল সামলাতে গেলেতো কুঁজো হতেই হবে। তাই এরা কুঁজো হয়, কিনতু কাজকর্মতো দিব্বি করে যায়। কাজেই কুঁজো হলেও তারা ভালোই থাকে।

আজকে বিশ্ব নারী দিবস। দেশের টিভিতে বেশ ঘটা করে অনুষ্ঠান দেখাচ্ছে। আমেরিকাতে কিছুই সারাশব্দ পেলামনা নারী দিবস নিয়ে। কারন এখানের নারীরা নিজেরাই অনেক সচেতন নিজেদের ব্যাপারে। তারা নিজেরাই নিজেদের ডিসিশান নিয়ে ফেলে। কার সাথে সংসার করবে সেটাও যেমন নিজেই সিদ্ধান্ত নেয়, আবার কাকে ছুঁড়ে ফেলে দেবে সেটাও নিজেরাই সিদ্ধান্ত নেয়। এখানে সরকার থেকেও মেয়েদের জন্য নানারকম সুবিধা দেয়া হয়। কুমারী মায়েরা যেমন বাচ্চাসহ নানারকম বেনিফিট পেয়ে থাকে, ডিভোর্সি মেয়েরাও সরকারী ভাতা পেয়ে থাকে। চল্লিশের পরে মেয়েদেরকে ব্রেস্ট চেকআপের জন্য বিনে পয়সায় ‘মেমোগ্রাম’ করার ব্যবস্থা থাকে, প্যাপ্সমিয়ার টেস্ট (সারভিক্স এর টিউমার টেস্ট) করানোর সুযোগ আছে, কাজেই এখানে মেয়েদেরকে তার স্বামী বা বয়ফ্রেন্ডের কথার অপেক্ষায় থাকতে হয়না। তারা নিজে নিজেই চলে যায় ক্লিনিকে।

আমাদের দেশের মেয়েরা স্বভাবে অনেক বেশী নমণীয়, ব্যবহারে অনেক বেশী কোমল। তারা খুবই দরদী, সংসারের জন্য তারা নিজেদের জীবন অক্লেশে খরচ করে। জীবনে কারো কাছেই তাদের কোন দাবী দাওয়া থাকেনা, কোন অহেতুক চাহিদা থাকেনা। খুব অল্পে যারা সন্তুষ্ট, তাদের দিকে তাকানো আমাদের সকলের কর্তব্য। পরিবারের কর্ত্রীর প্রতি সংসারের সবার নজর রাখা উচিত। সংসারের নির্লোভ মানুষটির ভালো লাগা, মন্দ লাগা সকলের বিবেচনায় আনা উচিত। এটা কোন রেষারেষি বা ভাগাভাগির ব্যাপার নয়, এটা হচ্ছে প্রত্যেকের জন্য প্রত্যেকের ভালোবাসা। যুগ পাল্টেছে, সমাজ পাল্টেছে, ছেলেমেয়েদের দৃষ্টিভঙ্গী অনেক পাল্টেছে। এখন আর আলাদা করে নারী দিবস উদযাপন করে নারীর প্রতি বৈষম্য দেখানো ঠিক না, কারন নর-নারী মিলিয়েই এই সংসার, নর-নারী মিলিয়েই এই পৃথিবী সার্থক। এই আধুনিক যুগের ছেলেমেয়েরা আর কোনভাবেই অসমাপ্ত কবিতার চরণ আওড়াবেনা, তারা সম্পূর্ণটুকুই বলবে,
“সংসার সুখের হয় রমণীর গুণে
গুণবান পতি যদি থাকে তার সনে”।

এবং ওরা এটাও আওড়াবে,

“এই সৃষ্টির যা কিছু সুন্দর
অর্ধেক তার করিয়াছে নারী
অর্ধেক তার নর”।

***
ফিচার ছবি: ইন্টারনেট থেকে সংগৃহিত