ক্যাটেগরিঃ নাগরিক সমস্যা

বগুড়া জেলার শেরপুর উপজেলার পৌরসভা সংলগ্ন শাহ বন্দেগি ইউনিয়নের ধুনট মোড় বাসি আজ দুই দিন যাবৎ অন্ধকারে বসবাস করছে । এলাকাবাসীর কাছ থেকে জানা যায় ঝড়ের কারনে ট্রান্সমিটার পুড়ে যাওয়াই বৃহস্পতিবার রাতে বিদ্যুৎ চলে যায় এবং আজ অবধি বিদ্যুৎ আসে নাই । তারা বার বার স্থানীয় বিদ্যুৎ অফিসে যোগাযোগ করার পরও কোন সমাধান হচ্ছে না । এলাকাবাসী জানায় “তারা বার বার আশ্বাস দেয়া সত্ত্বেও এখন পর্যন্ত বিদ্যুৎ অফিসের কোন ব্যাক্তি এখানে আসে নাই এবং তাদের ফোন দেয়ার পর উল্টো বলে ইঞ্জিনিয়ার ঢাকা গেছে তাই উনি না আসা পর্যন্ত সম্ভব না ।“ নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন বলেন “আমাদের এলাকায় কোন সন্ত্রাসী বা রাজনৈতিক ব্যক্তি না থাকায় ওরা কথা শুনে না এবং অবহেলা করে, আর যদি থাকত কিংবা আমরা রাস্তা অবরোধ করে গাড়ী ভাংচুর করতাম তাহলে কয়েক ঘন্টার মধ্যে সমস্যা সমাধান হয়ে যেত ।“ অবশেষে রাত ৯ টার দিকে আবার এলাকাবাসী যোগাযোগ করলে জানা যায় আগামী কাল দুপর ১২ টায় ট্রান্সমিটার খুলে বগুড়া পাঠানো হবে এবং দুই তিন দিনের মধ্যে সমস্যা সমাধান হয়ে যাবে । বেশিরভাগ মানুষ টিউবওয়েল ব্যাবহার না করায় তারা খাবার এবং গৃহস্থালি কাজে ব্যবহিত পানি সমস্যায় ভুগছে । এই সমস্যা চরম থেকে চরমের দিকে অগ্রসর হচ্ছে । এই এলাকার বেশিরভাগ মানুষ এখন সর্দি জনিত রোগে ভুগছে , বিশেষ করে এইসএসসি পরিক্ষার্থী, শিশু, নারী এবং বৃদ্ধ মানুষেরা খুবই কষ্টে আছে ।

এখন প্রশ্ন হল –
১। বিদ্যুৎ অফিসের ইঞ্জিনিয়ার ঢাকা গেছেন কিন্তু তার বিকল্প কোন ব্যাবস্থা কেন রাখা হল না ?
২। বিদ্যুৎ অফিসে যারা কাজ করেন তাদের দায়িত্ব কি মানুষ দেখে কাজ করা ?
৩। যেসব পরীক্ষার্থী পরীক্ষা দিচ্ছে তাদের সকল সুযোগ সুবিধা নিশ্চিত করার দায়িত্ব কার ?
৪। এলাকাবাসীকে ভুল বা উল্টা পাল্টা তথ্য দেয়ার কারন কি?
৫। বিদ্যুৎ অফিসে একের অধিক ট্রান্সমিটার না থাকার কি কারন?
৬। একটা ট্রান্সমিটার বদলাতে কয় দিন লাগে নাকি এর পিছনে কোন রহস্য আছে ?

অবশেষে একটি কথায় বলতে চাই..সরকারের ভাবমূর্তি ঠিক রাখতে এবং ডিজিটাল বাংলাদেশ স্বপ্ন পুরন করার জন্য বিদ্যুৎ অপরিহার্য, বিদ্যুৎ ব্যাতিত ডিজিটাল বাংলাদেশ সম্ভব নয় ।