ক্যাটেগরিঃ নাগরিক সমস্যা

 

ব্র্যাক এর মানবাধিকার ও আইনী সহায়তা কর্মসূচীতে কাজ করার কারণে বেশ কিছু বিচিত্র অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হতে হচ্ছে। খুব ছোট একটি ঘটনা শেয়ার করি। বরিশাল জেলার মুলাদি উপজেলাতে অভিযোগ গ্রহণকালে অভিযোগকারীর নিকাহনামা বা কাবিননামা দেখার সময় দেখা যায় কাবিননামায় তার কোন স্বাক্ষর নেই। কেন স্বাক্ষর নেই জানতে চাইলে জানা যায় যে, তাদের এলাকা বিয়ের সময় কনেকে ক্ষেত্র বিশেষে পাত্র দেখিয়ে নামমাত্র মতামত নিয়ে কাবিননামায় স্বাক্ষর ছাড়াই এবং ইসলাম ধর্মালম্বিদের বিয়েতে প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী কবুল বা আলহাদুলিল্লাহ্ বলা ছাড়াই বিয়ে সম্পন্ন হয়। মেয়ের বাবা বা বড় ভাই এর মতামত গ্রহণ করেই কাজী বিয়ে সম্পন্ন করেন। নারী অধিকার যে কতভাবে লঙ্ঘিত হচ্ছে তা কল্পনা করাও যায় না। বরের সাথে কার বিয়ে হচ্ছে তা এখানে বোধগম্য নয়। একটু গভীরভাবে চিন্তা করলে দেখা যায় কনেটি কোনপ্রকার নিয়মতান্ত্রিক আনুষ্ঠিকতা ছাড়া একটি অপরিচিত পুরুষের সাথে সংসার জীবন শুরু করল। কনের পক্ষ থেকে তার বাবা বা বড় ভাই বিয়ে সম্পন্ন করল। আর সংসার শুরু করছে মেয়েটি। মোবাইল বা টেলিফোনেও যে বিয়ে হয় শেখানেও তো কনের মৌখিক সম্মতি নেয়া হয় কিন্তু এ প্রচলিত ধারায় কী হচ্ছে তা বোধগম্য নয়।