ক্যাটেগরিঃ আইন-শৃংখলা

নামের পাশে কর্মটি সূর্যের আলোয় হউক আলোকিত
ধুয়ে মুঁছে সকল অপ-আত্মা,
যেখানে যতুটুকুর চিহ্ন তোমাতে আমাতে
লিখে রেখো দু’টি নামের পাশে, পরকালে হবে দেখা ।

আজকের অভিজৎ সেদিনের বিশ্বজিত তারও আগে সাগর-রুনি শ্লোগান আর শ্লোগান টি এস সির চত্বরে কিংবা সমগ্র দেশে কত কোকিল সুর তুলে গান ধরে। নদীর জলের মতোই আজকের সমাজ এবং সমাজে বসবাসরত মানুষগুলো। কূল ভাঙার খেলায় মেতেছে সবে। কেন জানি কেউ গড়তে চায় না সবাই ধবংসটাকে ভালবাসে আর যারা তিলতিল করে গড়তে শিখে তখনি ঝড় উঠে আসে। বালুর বাঁধের মতো জীবনের প্রতিটি পথ চুর্ণবিচূর্ণ হয়ে যায়। কমগুণে কেউ মানুষ চেনে না নামের গুনেই আজ সবাই মানুষ চেনে। যে যতবেশি খারাপ তাকে সবাই চেনে জানে এবং ভয় করে। আইনও অন্ধ হয়ে যায় সেই নষ্ট মানুষের নিকট। এটাই নাকি সোনার বাংলা। আমাদের গর্ব। ছি! ছি! এই বাংলাকে আজ ধিক্কার দিতে ইচ্ছে করে। এখানে জন্মিয়ে বড় ভুল করেছি এমনটাই মনে হয়।

সোনার বাংলায় সৌদি, ইরানি, ইরাকের মতো মাথায় টুপি পড়ুয়া ব্যক্তির সংখ্যা বেড়েই চলছে। আগে মসজিদে গেলে মসজিদে জায়গা অনুযায়ী অর্ধেক মুসুল্লি জোড়ো হতো না কিন্তু বর্তমানে মসজিদে জায়গা দেয়া যায় না। মনে হয় আগের থেকে মানুষগুলো অনেক অনেক ভাল হয়েছে। ধর্মের পথে হাটছে সবাই। আসলেই ভুল ধারণা….এখন প্রায় মুসুল্লি হাজিরা দিতে যায়। লেবাছ, ধর্মকে অপমান ছাড়া আমি আর কিছুই দেখি না।

প্রতিটি ধর্মে খুন, হত্যা, ব্যাভিচার, মিথ্যে বলা তথা সকল খারাপ কাজকে নিষেধ করেছে। আর ইসলাম ধর্ম হচ্ছে শান্তির ধর্ম, তবে এই ইসলামের ভেতর কেন এতো অশান্তি। ইসলাম ধর্মে হাজারও গোত্র তৈরী হয়েছে, শিয়া, সুন্নী, কাদেয়ানী, আহলে হাদীস একটি ধর্মে কতগুলো বিভন্নতা। আমি সৃষ্টিকর্তা আল্লাহ এবং নবী করিম (সঃ) বিশ্বাস করি, এবং ইসলাম ধর্মকে প্রাণ দিয়ে ভালবাসি। কিন্তু আমাদের মাঝে এতো ফতোয়া জারি হয়েছে যে মাঝে মাঝে ভুল পথে এমনি তেই যেতে হয়।

নবী করিম (সঃ) যখন ইসলামের প্রচারে ব্যস্ত ছিলেন, তখন ইচ্ছে করলে কি তিনি সকল মানবকে জোর করে ইসলাম ধর্মে দীক্ষা দিতে পারতেন না ? অবশ্যই পারতেন। তিনি ইচ্ছে করলেই পারতেন। প্রকৃত কথা হলো ইসলাম মানেই শান্তি। শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য যদি অশান্তির পথ বেঁছে নিতে হয় তাহলে কেমন করে ইসলামকে অন্যান্য ধর্মাবলম্বীরা বিশ্বাস আনবে। একমাত্র ইসলাম ধর্মই সেরা ধর্ম সেটা যাদের বোঝার তারা ঠিক বুঝেন আর সেজন্যই ইসলামের মাঝে কিছু উগ্রপন্থী আর লোভী মানুষ আছে যাদের ঈমান নেই তাদেরকে দিয়েই ইসলাম ধবংসের পায়তারা করছে। সৃষ্টি হচ্ছে অশান্তি আর অশান্তি।

সেদিনের সেই ভাল-মন্দ ছলনাতে বিরাজিত

দু’টি হাতে দু-কূলের স্পর্শ দিনের শেষে প্রভাতের আলোয়,

সত্যের প্রকাশ আত্মার, ভুলকে ভুল যখন বুঝেছি,জানালে বিদায়,

বুঝলে না শেষ মূহুর্তে কতটা তোমার প্রয়োজন

অগ্নিকুণ্ডে আজ আমি ভালবাসার পেলাম প্রতিদান

বিবেকের দংশন ভুল আর ছলনা সত্যি কী ছিল আসল ?

যেকোন মানুষকে ভালবাসা, লোভ, মোহ, অর্থের প্রলোভন দেখিয়ে বিবেক ধবংস করা যেতে পারে, ভালবাসায় তীর মারা খুব সহজ কাজ, অর্থে আর স্বার্থে খুব সহজেই মানুষ হয়ে মানুষকে দিনের আলোয় হত্যা করানো যায়। মানুষকে হত্যা করেই যদি সমাধান হতো তবে সৃষ্টির শুরুতে হত্যা করেই ইসলামকে প্রতিষ্ঠা করা হতো। শয়তান যেমন বহুরূপ ধারন করে তেমনি মানুষের বেশে কিছু শয়তান স্বার্থে নিজেদের রূপ বদল করে। কখনো নিজের স্ত্রীকেও বোঝা দায় হয়ে যায়, নিজের স্ত্রী যদি স্বামীকে হত্যার পরিকল্পনা করতে তবে সেটা খুব সহজেই গন্তব্যে পৌছাতে পারে। পুরুষরা নারীর ছলনায় বেশি প্রতারিত হয়। আর নারী লোভে পুরুষের জালে প্রতারিত হয়।

দিনের আলোতেই জীবন্ত মানুষগুলোকে হত্যা করা হচ্ছে, পাশে হাজারও মানুষ তবুও কেউ নেই। প্রশাসনগুলোও কালো কাপড়ে চোখ বেঁধে রাখে। যেখানে রাজনীতি মানেই নিরীহ মানুষকে জ্বালিয়ে পুড়িয়ে হত্যা করা সেখানে ভাল কাজ আর কি হতে পারে। জনসম্মুখে মানুষ হত্যা মানেই রাজনৈতিক বল’ এর সাহায্যে এমন কাজ করা। দলীয় পক্ষ বিরোধী পক্ষ সকল পক্ষের জানা থাকে। রাজনীতির ময়দান জমাতে হলে মানুষের রক্ত রাজ পথে ঢেলে দিতে হয়। তবেই স্বার্থ উদ্ধার হয়। ছোট বেলায় শুনেছি কোন বীজ্র, বড় কুপ খনন করলেই মানুষের মাথার প্রয়োজন কিংবা ছোট বাচ্চার রক্ত। আর আজ রাজনৈতিক উদ্ধেশ্য হাসিল করার জন্য সে একই পন্থা অবলম্বন করতে হয়।