ক্যাটেগরিঃ দিনলিপি

 

আমি রোবট তৈরীকে অপছন্দ করি, প্রোগ্রাম শিখাকে অপছন্দ করি,সাহিত্য পড়াকে অপছন্দ করি, বই পড়াকে অপছন্দ করি……………..। এই অবস্থায় যদি আমার কলমের কালি শেষ হয়ে যেত এবং নজরুলের মত পেন্সিল দিয়ে না লিখতে পারতাম তাহলে যেকেও হয়তো এই কলাম টুকু পড়ে তার জীবনের সবচেয়ে খারাপ মন্তব্য টুকু আমার জন্য উপহার হিসেবে তৈরী করতো।
আমি যা চাই তা যদি পাই তাহলে এত আনন্দিত হই যা, ডাক্তার বলে দিয়েছে একটি শিশু কথা বলতে পারবে না। কিন্তু যদি শিশুটি হঠাৎ তার মাকে বলে মা ভাত দাও, ক্ষুদা পেয়েছে। তাহলে মা যত খুশি হবে তা আমার আনন্দের সাথে তুলনীয়। আর যদি যা চাই তা না পাই তাহলে আমার অন্তরের কষ্ট যা, কৃষকের ধান ক্ষেতের মাটি চৈত্রের রোদে ফেটে খাখা। ফসল বিপর্যয়ের মুখে। এমতা অবস্থায় চারদিক অন্ধকার হয়ে আসল, আকাশে ঘন ঘন মেঘে মেঘে ঘর্ষনের আওয়াজ শুনা যাচ্ছে। সাথে সাথে ঘর্ষনে সৃষ্ট বিদ্যুৎ স্ফুলিঙ্গ যেন অন্ধারকে আলো প্রদান করছে। এ অবস্থা সারাদিন অতিবাহিত হবারপর কোন বৃষ্টি না হয়ে যদি বিকেলে পশ্চিম আকাশে সূর্যের বাড়ী ফেরা দেখতে হয় তাহলে, কৃষকের মনের এই কষ্ট মার মনের কষ্টের সাথে মিতালী হবে।
প্রতিদিন আমাতে-ইচ্ছেতে মল্লক যুদ্ধ হয়। হয়ত কোনদিন আমি জয়ী হই অথবা ইচ্ছে হয়। তবে যুদ্ধটি যদি কোন প্রতিযোগীতা হত তাহলে ইচ্ছের স্কোর বেশী থাকতো। কিন্তু কেন এরকম হয় তা আমার অজানা।
আমি মন প্রাণ দিয়ে যে জিনিসটি চেয়েছি হয়তো তা অন্য এক ব্যাক্তির নিকট ধরাসাই। আমাকে পেছনের আংশ দেখিয়ে দিয়েছে। আমি যে জিনাসটিকে কখনোই চাইনি(নিজের অজান্তেও না) বা ঘৃণা করেছি বা নীচু করে দেখেছি সেই জিনিস টি আবার আমার নিকট ধরাসাই।জিনিসটি যদি কোন রোবট হত তাহলে আমি ধরেনিতাম প্রোগ্রামার কোথাও ভুল করেছে। তা নাহয় আমি চাই ওকে ওকিনা অন্য একজনের নিকট আপোসে ধরাদিয়েছে আর আমাকে দেখিয়ে দিয়েছে সবচেয়ে বড় আঙ্গুলের ওল্টোপিঠটি। এটি কেন হয় বা হচ্ছে তা আমার খুবই জানতে ইচ্ছে করে।
আর সেই জন্য আমার মনে আজকে কেন যেন প্রথম কলামটি বার বার ভেসে উঠছে। তার মানে আমি আমার প্রিয় বিষয় গুলো অপছন্দনীয় মনে করার চেষ্টা করছি। কারন অপ্রিয় জিনিসই আমার নিকট ধরাদেয়।