ক্যাটেগরিঃ অর্থনীতি-বাণিজ্য

 

দেশকে অনেক আগেই নিরক্ষরমুক্ত করার কাজ শুরু হয়েছে। মাগুরাকে প্রথম নিরক্ষরতামুক্ত জেলা ঘোষনা করা হয়। দুর্নীতিতে দেশ ছেয়ে গেছে। যে যার অবস্থান থেকে দূর্নীতি করে চলেছে। যে যেমন সুযোগ পায়, সে তেমন দূর্নীতি করে (ব্যতিক্রম রয়েছে, সবাই দুর্নীতিগ্রস্ত নন)। সিস্টেমের (যে কোন বিষয়ে প্রচলিত আইন, নিয়মকানুন, প্রথা, নৈতিকতা) বাইরে কোন উপার্জনই বা কর্মই দূর্নীতি। আমরা ভোটাররা অনেকে পাঁচবছরে একবার দূর্নীতি করি অর্থ বা অন্য কিছুর বিনিময়ে ভোট দিয়ে। গ্রামের মাতব্বররা অনেকে সামাজিক বিচারকার্যে দূর্নীতি করেন, জনপ্রতিনিধিরা (ওয়ার্ড মেম্বর থেকে শুরু করে এম পি/ মন্ত্রী) বেশিরভাগ অনেক ধরণের দূর্নীতি করে থাকেন অর্থের বিনিময়ে। পুলিশ প্রতিদিনি দূর্নীতি করে বলে মানুষ জানে, অর্থ ছাড়া নাকি সাধারণ ডায়েরি করা থেকে শুর করে কোন কিছুই করে না পুলিশ। ভূমি অফিসের দূর্নীতি এখন ওপেন সিক্রেট বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। আমার প্রস্তাব দুদক , সরকার এবং অন্য কোন আন্তর্জাতিক সংস্থা (ও পরে উক্ত উপজেলার সাধারণ মানুষকে নিয়ে) মিলে একটি প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হউক। যাতে অন্তত উক্ত উপজেলার মানুষ সবাই বলতে পারে যে তারা কোন প্রকার দূর্নীতির শিকার হচ্ছে না। যাতে উক্ত উপজেলার মানুষ সবাই বলতে পারে তাদের পুলিশকে কোন টাকা দিতে হয় না। কোন মাতব্বর টাকার বিনিময়ে বিচার না করে, কোন ভ্যান বা রিক্সাওয়ালা, বা অন্য কোন যানবাহনে বেশি ভাড়া না নেয়া হয়। যেখানে কোন জনপ্রতিনিধি টাকার বিনিময়ে চাকুরি, স্কুল কলেজে ভর্তি, বা অন্য কোন সুবিধা দিতে কখনো এগিয়ে আসবে না। সেখানে সবাই দুর্নীতিকে প্রতিরোধ করবে সাহসের সাথে, প্রয়োজনে পুরস্কৃত হবে দূর্নীতি প্রতিরোধের জন্য। মোট কথা উক্ত উপজেলায় পারিবারিক, সামাজিক, রাস্ট্রীয়ক্ষেত্রে কোন ধরণের দূর্নীতি হবে না এমন ব্যবস্থা বা প্রকল্প গ্রহন করা হোক। তারপর আস্তে আস্তে সারাদেশে দূর্নীতি দূর করার ব্যবস্থা করা হবে উক্ত পাইলট প্রকল্পের অনুসারে।