ক্যাটেগরিঃ আন্তর্জাতিক

মালালার কথা এখন আমরা সবাই জানি, ১৪ বছরের এই কিশোরীকে বেশ ভাগ্যবান বলে আমার মনে হয়। নারীদের শিক্ষার কথা বলে ধর্মীয় মৌলবাদীদের হামলার শিকার হয়েছিলেন এই সাহসী কিশোরী। তারপর তাকে ইউ কে নিয়ে যাওয়া হয়েছে , দেয়া হয়েছে অনেক উন্নত চিকিৎসা, এবং ক্রমান্বয়ে ভাল হয়ে উঠছেন। শুধু তাই নয় জাতিসংঘ মালালা দিবস ঘোষনা করেছে, এটা সত্যিই তার জন্য অনেক বড় পাওয়া। পশ্চিমা বিশ্ব তালেবানদের বোঝানোর চেষ্টা করেছে যে তারা অনেক বড় অন্যায় করেছে এবং তারা মালালাকে মর্যাদা দিয়ে মানবতার পক্ষে আছে! এখন বলি সারাহ বা জুনা দিবস ঘোষণা কেন আমি চাই, তারা কারা? জুনা ২ বছর বয়সী মেয়ে যে ইসরাইলী হামলায় নিহত হয়েছে , তার তিন বছর বয়সী ভাই তামির ও বাবা মার সাথে। আর সারা ৭ বছর বয়সী বালিকা যে তার চার ভাই বোনের সাথে নিহত হয়েছে। এমন অনেক নারী ও শিশু মালালার চেয়ে বেশী আঘাতপ্রাপ্ত। পশ্চিমারা কি তাদের চিকিৎসার জন্য এগিয়ে আসছে?? বরঞ্চ নোবেল শান্তিবিজয়ী বারাক হোসেন ওবামা ইসরাইলকে সব ধরণের সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছে। ইসরাইল ৭৫ হাজার পদাতিক বাহিনী মজুদ রেখেছে, হাজারো সারাহ ও জুনা’দের মারার জন্য। জাতিসংঘ মহাসচিব হামলা বন্ধের আহবান জানিয়েছেন, যদিও তার ক্ষমতা এর বেশি নয় বলে আমরা জানি। সৌদি আরব, কাতার ও অন্যন্য মুসলিম রাষ্ট্র এই মানব নিধন চুপচাপ দেখছে। যদিও মিশরের প্রেসিডেন্ট হামলা না থামালে পালটা হামলার হুমকি দিয়েছে, এবং মিশরের প্রধানমন্ত্রী গাজা পরিদর্শন করেছেন। এ পর্যন্ত শতাধিক নিরীহ মানুষ মারা গেছে। জাতিসংঘ না করুক, আমরা কি সারা জুনাদের স্বীকৃতি দিতে পারি না অন্তত ?