ক্যাটেগরিঃ ব্লগ

জামাত শিবির ফেসবুকে কিছু ছবি প্রচার করছে যেখানে শেখ হাসিনার সাথে জামাতের নেতাদের দেখা গেছে অনেক আগে কয়েকটি অনুষ্ঠানে, এবং তারা বলছে যে এখন তারা বিরোধী দলে আছে বলে যুধাপরাধীদের বিচার হচ্ছে। আমার প্রশ্ন জামাতের নেতাদের হাসিনার সাথে, বা বারাক ওবামার সাথে বা ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রীর সাথে বা সৌদির বাদশার সাথে যার সাথেই ছবিতে দেখা যাক না কেন তাতে কি তারা ধোঁয়া তুলসীর পাতা হয়ে গেল। আমার বাবা ও চাচা দুই ভাই মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন, আমার দাদীর কাছে ৭১সালের মুক্তিযুদ্ধের সময়ের বর্ণনা শুনলে গা কাঁটা দিয়ে উঠত। তারা আমার পরিবারের তখনকার সময় কত বিপদ ডেকে এনেছে তা দাদির কাছে, বাবা, চাচার কাছে শুনেছি। স্বাধীনতাবিরোধীরা যাদের কাঁধেই ভর করুক না কেন তাদের কু-কীর্তি বিবেকমান মানুষ ভুলে যাই নি। সবচেয়ে জঘন্য ব্যাপার যে তারা সব অন্যায় করেছে ধর্মকে ব্যবহার করে। তাই খারাপ কে খারাপ বলুন, বিষধরদের নিয়ে যেই খেলুক পরিণাম খারাপ হবেই!

বরঞ্চ বাংলাদেশের গ্রাম শররের মা বোনেরা, মুক্তিযোদ্ধারাও অনেকে স্বাধীনতার পরে কয়েকদিন অনেক রাজাকারকে আশ্রয় দিয়ে বাঁচিয়ে রেখছে মানবিক কারণে, কারণ মুক্তিযুদ্ধের সময় তারা যে অত্যাচার করেছে , তার ফলে ১৬ই ডিসেম্বর, ৭১ এর পর বিক্ষুব্ধ জনতা তাদের উপর হামলা করেছে। কিন্তু তারাই আবার আজ স্ব-চরিত্রে ফিরে এসেছে। হায়রে বিশ্ববেঈমান, এই জাতির কাছে ক্ষমা না চেয়ে আজ তারা মুক্তিযুদ্ধকে অন্যভাবে সংজ্ঞায়িত করছে।রাজাকার যেই হোক, তাদের উচিৎ ছিল পাকিস্থানে চলে যাওয়া। কারণ তারা পাকিস্থান প্রেমী। তারা যে দলের মধ্যেই থাকুক না কেন আজো তাদের হৃদয়ে পাকিস্থান! পাকিস্থানে গেলে অবশ্য তাদের ভালই হবে, কারো পাকিস্থানে ধর্ম ব্যবসায় অনেক সুবিধা পাওয়া যাবে।আর তালেবানরা তো আশে পাশেই থাকবে!!