ক্যাটেগরিঃ ভ্রমণ

 

অনি তুমি কি শুনাইলা?

নাহ কথাটা বিশ্বাস হচ্ছে না, নিজের চোখে না দেখলে কিভাবে বিশ্বাস হবে বল?

বৃষ্টির স্মৃতি মনে পড়ে বার বার অনি আমাকে নাফাখুমের কথা স্মরণ করেছে। আসলেই বিশ্বাস হবে কিভাবে?

নাফাখুম থেকে রেমাক্রি আসার পথে সেই লেভেলের বৃষ্টি, যেই সেই বৃষ্টি না, বৃষ্টির ফোটাগুলো যেন সুইয়ের খোঁচা মনে হচ্ছে। গায়ে পড়ার সাথে সাথে মনে হচ্ছে কেউ সুইয়ের খোঁচা দিচ্ছে। বৃষ্টি শুরু হবার সাথে সাথে পাহাড়ীদের মাঝে দৌড় ঝাপ শুরু হয়ে যায়, জেনে রাখা ভালো বৃষ্টির পানিতে পাহাড়ী ঢল যেভাবে নামবে সেটা নিজের চোখে না দেখলে বিশ্বাস হবে না। চোখের সামনে যখন দেখবেন পাহাড়ী উপড়ে পড়া গাছ পাক খেতে খেতে ঘূর্নি আকারে আপনার সামনে আসছে কি মনে হয়? এক মিনিট চোখ বন্ধ করে ভাবুন তো? আর সময়টা হল এপ্রিলের শেষের দিকে ২০১১ সালে। ভরা বর্ষা।

নাফাখুম নিয়ে জানার ইচ্ছে?

নাফাখুম জলপ্রপাত (বাংলাদেশের নায়াগ্রা) নামকরণ কেন?

বান্দরবান জেলার থানচি উপজেলার রেমাক্রি স্থানটি সাঙ্গু নদীর উজানে একটি মারমা বসতী। মারমা ভাষায় ‘খুম’ মানে হচ্ছে জলপ্রপাত। রেমাক্রি থেকে তিন ঘন্টার হাঁটা পথ পাড়ি দিয়ে যেতে হয় আশ্চর্য সুন্দর সেই জলপ্রপাতে, যার নাম ‘নাফাখুম’।

রেমাক্রি খালের পানি প্রবাহ এই নাফাখুম, নাফাখুমে এসে বাঁক খেয়ে নেমে গেছে প্রায় ২৫-৩০ ফুট, প্রকৃতির খেয়ালে সৃষ্টি হয়েছে চমৎকার এক জলপ্রপাত! সূর্যের আলোয় যেখানে নিত্য খেলা করে বর্ণিল রংধনু! ভরা বর্ষায় রেমাক্রি খালের জলপ্রবাহ নিতান্ত কম নয়। প্রায় যেন উজানের সাঙ্গু নদীর মতই।

পানি প্রবাহের ভলিউমের দিক থেকে নাফাখুম-ই বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় জলপ্রপাত।

nafakhum-online-dhaka-guide

 

 

Nafa-khum (Bengali: নাফাখুম) is a waterfall in Bangladesh on the Sangu River. It is among the largest waterfalls in the country by volume of water falling. The wild hilly river Sangu suddenly falls down here about 25–30 feet.

The falls are located in a remote area three hours’ walking distance from Remakri, Thanchi Upazila, Bandarban District. Remakri is located three hours by boat on the Sangu River from Tindu, which is itself three hours by boat from Thanchi. Nafa-khum is not very popular as a tourist destination.

Travelers should reach to Bandarban first, if they are interested to have a tour to this Nafakhum waterfall. There are many bus services to travel to Bandarban from Dhaka City. It will cost around 450/= Taka for a Non-Ac bus.

The word “Khum” in Marma language means “Waterfall”. A special type of flying fish, whose local name is nating, is found at the bottom in a small cave as they swim against the stream but cannot jump over the height of the fall.

nafakhum

 

 

নাফাখুমের পড়ন্ত জলের ধারার নীচে গিয়ে বসার সুযোগ রয়েছে। আমার-আপনার জন্য বিষয়টা বেশ রিস্কি হলেও পাহাড়ীরা জলপ্রপাতের পিছনে বসে অনায়াসে মাছ শিকার করে। এক ধরনের উড়ুক্কু মাছ (স্থানীয় ভাষায় মাছটির নাম নাতিং মাছ) উজান ঠেলে এসে নাফাখুমে বাধাপ্রাপ্ত হয়, লাফ দিয়ে এই প্রপাত-টা আর ক্রস করতে পারেনা, গিয়ে পড়ে জলপ্রপাতের ভিতরে ছোট্ট একটা গুহায়। অনায়াসে সেখান থেকে মাছ সংগ্রহ করে স্থানীয় পাহাড়ীরা।

যেই দেশে এত এত “খুম” আছে, তা কয়জনই বা জানে? মুসা ইব্রাহিম নাফাখুম গিয়ে জানান দিয়েছে এমন একটা যায়গা আছে যে পাহাড়ের মাঝে ঝরণার পানি জমে যেটাকে খুম বলে এলাকাবাসী। এর পর থেকে প্রথম আলো প্রথম একটা বর্ননা দেখেই বিডি রেঞ্জারসের ওয়াইল্ড ট্যুর এর পরিকল্পনা। বিডি রেঞ্জারস এর মেম্বার হিসাবে খুবই ভাগ্যবান বলতে হবে আমাদের সবার- প্রথমকার সাত/আট নাম্বার গ্রুপ আমরাই ছিলাম যারা নাফাখুম দেখেছি নিজের চোখে।

6689195407_e18a3ed460_z

 

 

খুম কি? নাম কেন খুম? জানার ইচ্ছে?

মারমা ভাষায় খুম মানে হল জলপ্রপাত। পাহাড়ী নদী সাঙ্গু তার বয়ে চলার পথে অজস্রে স্থানে ছোট ছোট জলপ্রাপাতের সৃষ্টি করেছে তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে রেমাক্রিখুম এবং নাফাখুম আর এখন আমিয়াখুম সাতভাইখুম আছে। নাম না জানা আর কত খুম আছে সেটা জানার আর দেখার ভাগ্য আমাদের হবে কিনা জানি না।

রেমাক্রি খুম দেখতে পারেন-

396079_514174248596540_1542413401_n

 

আমিয়াখুম দেখতে পারেন এখানে-

IMG_1126

 

IMG_1230_edited

 

 

s21rc_1363083746_9-amiakum

 

আর সাতভাইখুম দেখতে পারেন এখানে

481484_4703709284446_1702060961_n

 

10007041_10202928390284508_1079023972_n

 

10247353_10202928391964550_1655352861_n

 

10155389_10202928394724619_1329759677_n

 

10170800_10202928392004551_1760683680_n

 

Route for Amiakhum-Sat Bhai Khum Waterfalls:

Thanchi> Poddo Mukh > Bollong Para > Sat Bhai Kum > Nakiong Mukh > Amiakhum Waterfall

বাংলাদেশের কিছুই দেখা হয়নি এখনো বলব আমি আর আমরা বিডি রেঞ্জারস মেম্বাররা, তারপরও এখনো অনেক কিছু দেখার বাকি। বারবার সেই বান্দরবন আমাদের টানে, আমাকে টানে। না গিয়ে থাকতে পারি না। আবার যাবো। বান্দরবান বলতে অনেকেই মনে করেন, দু-চারবার সেখানে গেলেই সব স্পট ঘুরে শেষ করা সম্ভব। ধারণাটাই সম্পূর্ণ ভুল। বান্দরবান এমন একটি জেলা- যার পরতে পরতে ধারণ করা প্রাকৃতিক সৌন্দর্য উপভোগ করতে হলে যেতে হবে কম করে হলেও শতবার।

269935_2249504081243_3382432_n

এবার ইচ্ছে আমিয়াখুমের কাছে যাওয়া। জানি না বিডি রেঞ্জারস সবাই রাজি থাকলে আল্টিমেট ট্যুর হবে হয়ত, সাথে লাইফ জ্যাকেট নিয়ে যাবো সবাই আশা করি। আগের বার “সাদ” আমাদের মাঝে ফিরে এসেছে, ও ভালো সাতারু তারপরও নাফাখুমের স্রোতে প্রায় ১মিনিট ও ডুবে ছিল, সবার আন্তরিক চেষ্টায় আর একমাত্র আল্লাহর রহমত থাকায় ও আজ আমাদের মাঝে। না হলে বাকিটা ভাবতে চাই না। আর সেই এক্সট্রিম মোমেন্টটা ক্যাপচার করেছে আমাদের সজল।

283026_2327911201372_4059928_n

আরো অনেক কথা শেয়ার করার বাকি নাফাখুম নিয়ে, আমি তো জাস্ট অনির কথা গুলোকে লিখায় রুপ দিলাম। মজার মজার কাহিনী শেয়ার হবে ইনশাল্লাহ। নাফাখুম নিয়ে লিখতে গেলে লিখা শেষ হবে না আমাদের কারোই। আরো কিছু মজার মেমরি মনে আসলে আপনাদের জানাবো আশা করি।

267944_2256818824107_2020728_n

এখানে আরো বলে রাখি আপনাকে চোখ কান খোলা রাখতে হবে আমাদের সজিবের ২টা মোবাইল যেখানে নোকিয়া এক্স ৬, সাথে ২০,০০০ টাকা গায়েব হয়ে গিয়েছিল। ঢাকা আসার জন্যে হাতে টাকা পয়সা না থাকায় কোন মতে চিপা চাপা থেকে কিছু টাকা পয়সা দিয়ে বান্দরবন সিটিতে আসতে পেরেছিলাম, পরে কাহিনী তো ইতিহাস। অনির বড় ভাই-এর সহযোগিতায় ঢাকা আসতে পেরেছিলাম আমরা। ভাইকে ধন্যবাদ দিয়ে ছোট করতে চাই না, এরকম ভাই সবার থাকুক, আমাদের কামে লাগবে।

249400_2151134062054_4097905_n

গাইডের ব্যাপারে আপনাকে মাথায় রাখতে হবে প্রথম গাইড মাল/মদ খায় কিনা? আমাদের ভাগ্যটাই খারাপ ছিল মনথু নামের যে গাইড ছিল আমাদের বেটা বাংলা মদ খাইয়া পুরাই মাতলামি করছে, সজিবের মতে টাকা এই শালায়ই মারছে!!

আবার নাফাখুম দেখুন-

6689195407_e18a3ed460_z

 

 

DSC08359

 

 

Nafakhum waterfall-1

 

 

নাফাখুম যাবার পথে পথে-

8e76067f8fc747c05ea587ede6e06042

 

 

800px-Sangu_reRiver_from_Bandarban_Town,_18_Nov,_2004

 

 

A place of supernal beauty near Nafakhum

 

 

Heavenly way to Nafakhum

 

 

nafa3

 

 

Wonderful rocky way near Nafakhum

 

 

নিচে রুট প্ল্যান দিলাম ডিটেইল-কাজে লাগতে পারে।

Day 00 :

At 9.30 PM start our journey to Bandarban from Shamoly Bus Counter, Arambagh (Non AC Bus)

Day 01 :

Breakfast (7AM -7:30AM)
3.5 hours Jeep drive: Bandarban to Thanchi 7.30AM
Lunch 11.30AM
Reporting at BDR Camp /Submit Name List at 12.30PM
Journey by boat Thanchi to Remakri
Dinner
Night stay at Remarki

Day 02 :

Breakfast 6.00 AM
Remakri to Nafakhum: 2 to 4 Hours Hiking
Lunch at Remakri 2.30PM
Dinner 7PM
Night stay at Remarki

Day 03 :

Breakfast at 6.00AM
Back to Thanchi by boat
Thanchi – Nilgiri-Chimbuk-Shoilopropat-Bandarban by Jeep
Lunch at Hotel
After Lunch visit Nilachol/Boating to Sangu River
Dinner
At 9.00PM leave Bandarban (Shamoly Poribahan Non A/C Bus)

Note : Mineral water, first aid, rikshaw, etc fare are not included.
Requesting you to bring life jacket for safety purpose. Don’t forget to bring first Aid medicine and others kits. Torch Light is a must.

Things to carry : 
Rubber Sandal, Snickers/Walking shoe, Cap, Towel/Gamcha, Shorts, T-shirts, Sun protection cream, Small knife, Candle, Torch light, Necessary Medicine, all in 1 Back Pack which you need to carry by yourself.

PLEASE KEEP IN MIND THAT THIS TRIP CONSIDERED AS ADVENTURE TRIP AND SCHEDULE MAY NOT MATCH EXACTLY WITH THE ITINERARY DUE TO WEATHER AND PRESENT SITUATION OF THE AREA.

টাকা পয়সা নিয়া হের-ফের আছে। সেটা নিয়ে আমি আগেই বলেছি। গাইডরা এখন একটা প্যাকেজ চালু করেছে, সে প্যাকেজ অনুযায়ী শুধু থানচি থেকে সব ঘুরে আবার থানচিতে ফেরত আসতে আপনার মোট খরচ হবে দুই হাজার ৫০০ থেকে তিন হাজার টাকা। আমরা ৩৫০০ টাকায় ঢাকা-নাফাখুম-ঢাকা ট্রিপ মেরে দিসি।

যাতায়াতঃ

বান্দরবান শহর থেকে থানচি উপজেলা সদরের দূরত্ব ৮২ কিঃমিঃ। রিজার্ভ চাঁদের গাড়ীতে বান্দরবান থেকে থানচি যেতে সময় লাগবে ৩ ঘন্টা, ভাড়া নেবে ৪ হাজার টাকা। থানচি থেকে রেমাক্রি নৌকায় যাওয়া-আসা, ভাড়া চার হাজার থেকে পাঁচ হাজার টাকা। বর্ষায় ইঞ্জিনবোটে থানচি থেকে তিন্দু যেতে সময় লাগবে আড়াই ঘন্টা। তিন্দু থেকে রেমাক্রি যেতে লাগবে আরও আড়াই ঘন্টা। এই পাঁচ ঘন্টার নৌ-পথে আপনি উজান ঠেলে উপরের দিকে উঠতে থাকবেন। শীতের সময় ইঞ্জিন বোট চলার মত নদীতে যথেষ্ট গভীরতা থাকেনা। তখন ঠ্যালা নৌকাই একমাত্র বাহন। বর্ষা মৌসুমে তিন দিনের জন্য ইঞ্জিনবোটের ভাড়া পড়বে ৪ থেকে ৫ হাজার টাকা। আর শীত মৌসুমে ঠ্যালা-নৌকার ভাড়া পড়বে প্রতি দিনের জন্য ১০০০ টাকা।

যাবার পথে তিন্দু পড়বে, তিন্দু সম্পর্কে পড়ুন ও দেখুন এখানে-

তিন্দু ইউনিয়ন, বাংলাদেশের বান্দরবান জেলার থানচি উপজেলার একটি প্রশাসনিক এলাকা। প্রাকৃতিক আকর্ষণের কারণে এ্যাডভেঞ্চারপ্রেমী পর্যটকদের কাছে অঞ্চলটি একটি আকর্ষণীয় পর্যটন স্থান। তিন্দু ইউনিয়নের আয়তন ১,১২,৬৪০ একর (৪৫৫.৮৪ বর্গ কিলোমিটার)।

সাঙ্গু নদী এই উপজেলার বুক চিরে বয়ে চলেছে। তিন্দু ইউনিয়নের উত্তরে থানচি ইউনিয়ন, দক্ষিণে রেমকরি ইউনিয়ন (রেমাক্রি), পূর্বে চীন (মায়ানমার) সীমান্ত।

206021_260971563915302_7949928_n1

 

 

বাংলাদেশের ১৯৯১ খ্রিস্টাব্দের আদমশুমারি অনুযায়ী তিন্দু ইউনিয়নের জনসংখ্যা ২০৪৮ জন। সাক্ষরতার হার ৪.৬%।
তিন্দু মাতৃতান্ত্রিক মারমা ও মুরংদের আবাসস্থল। এরপর আদমশুমারী এই এলাকায় আর হয়নি।

প্রধান ফসলের মধ্যে রয়েছে ধান, তিল, হলুদ, আদা এবং শাকসবজি। প্রধান ফল কাঁঠাল, কলা। তিন্দুতে রয়েছে একটি বাজার এবং একটি বৌদ্ধ মন্দির।

মোবাইল নেটওয়ার্কঃ

থানচি, তিন্দু দুই জায়গাতেই মোবাইল নেটওয়ার্ক (জিপি, রবি, টেলিটক, সিটিসেল) আছে। নিজের মোবাইল সাথে না নেয়াই ভালো। বারতি বোঝা বলে মনে হবে। দোকান থেকেই প্রয়োজনীয় কথা সেরে নিতে পারবেন। নিলেও নোকিয়া জাভা সেট নিয়ে যাবেন, চার্জ অনেক দিন থাকে। থানচি পর্যন্ত আপনার টেলিটক/রবি/জিপি মোবাইলের নেটওয়ার্ক পাবেন। তিন্দু গিয়ে আপনার মোবাইলে নেটওয়ার্ক না থাকলেও আপনি একেবারে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হবেন না। মারমাদের দোকান থেকে বাঁশের উপর এ্যন্টেনা লাগানো সেট থেকে চাইলে বাইরের পৃথিবীর সাথে যোগাযোগ করতে পারবেন। কিন্তু রেমাক্রি পৌঁছালে আপনি একেবারেই যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়বেন।

থাকাঃ

থাকার জন্য যেতে হবে তিন্দু, রেমাক্রি। মারমাদের বাঁশ-কাঠের বাড়ীতে অনায়াসে থাকা খাওয়ার ব্যবস্থা হয়ে যাবে আপনাদের। মারমাদের প্রায় প্রতিটি বাড়ীতেই খুব অল্প টাকায় এমন থাকা-খাওয়ার সুবিধে রয়েছে। তিনবেলা খাওয়ার খরচ পরবে জনপ্রতি ২০০ টাকা, আর থাকা ফ্রি। তবে যে বাড়ীতে ফ্রি থাকবেন। খেতে হবে তাঁর দাওয়ায় বসেই।

আর্মি বা বিডিআর-এর রেফারেন্স থাকলে তিন্দু ও রেমাক্রিতে বিডিআর-এর আতিথেয়তা পেতে কষ্ট হবেনা। আর বিডিআর-এর আতিথেয়তা পেলে থাকা-খাওয়ার সম্ভাব্য সর্বোত্তম ব্যবস্থা-টা সহজেই মিলে যাবে। সাথে উপরি পাবেন নিশ্চিন্ত নিরাপত্তা। যদিও নিরাপত্তা জনিত কোন অসুবিধা আমার চোখে পড়েনি।

“নিল ভোমরা” তোমাকে অনেক ধন্যবাদ আমাকে অনেক তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করার জন্যে।

‘অনেকবার পাহাড়ে উঠতে গিয়ে মাঝপথে তুষার ঝড়ের মধ্যে দাঁড়িয়ে প্রতিজ্ঞা করেছি এবারই শেষ ,পাহাড়ে উঠা ছেড়ে দেব । কিন্তু তারপর বাড়িতে ফিরে বিছানায় যখন শুয়েছি আমার জানালায় আবার ভেসে উঠেছে দূরের হিমালয়ের ঐ চূড়া । মনে হয়েছে চূড়া যেমন আমায় ডাকছে । আমার মন আনচান করে উঠেছে । আবার দড়িদড়া নিয়ে ছুটে গেছি ঝড়ের মধ্যে ।

-এভারেষ্ট বিজয়ের আগে একদিন এমনই বলেছিলেন শেরপা তেনজিং ।

নাফাখুম থেকে ফেরার পথের সাথে কি কিছু মিল পাওয়া যায়? দেখে আসার অনুরোধ রইল।

আরো বিস্তারিত কিছু জানতে আমার ট্রাভেল ফ্যান পেইজ দেখতে পারেন- Rono’s Traveling