ক্যাটেগরিঃ স্বাস্থ্য

একদিকে ঔষধ বানিজ্য আরেকদিকে সাধারন মানুষের দুর্ভোগ আর তার সাথে রয়েছে ডাক্তারদের বিলাসিতাপূর্ন জীবনযাপন । সরকারি-বেসরকারি হাসপাতালগুলোতে গেলে দেখা যায় যে, সারি সারি মোটর সাইকেল দাঁড়ানো আছে। হ্যাঁ এই বাইকগুলো কোন ডাক্তার বা হাসপাতালের কোন স্টাফদের না। এগুলো সবই হলো কোন না কোন মেডিকেল রিপ্রেজন্টেটিভের, অর্থাৎ তারা কোন না কোন ফার্মাসিউটিক্যালস থেকে এসেছে ডাক্তারদের তেল মারতে। আসলে তাদেরই বা দোষ কি, দোষ তো সেই সব ফার্মাসিউটিক্যালসের যারা এদেরকে নিয়োগ দিয়ে পাঠিয়েছে।আবার অন্য দিক বিচার করলে দোষ এইসব ফার্মাসিউটিক্যালসদেরও না, তাহলে দোষ কার বা কাদের। হ্যাঁ, উত্তর হলো, দোষ হল সরকার এবং প্রশাসনের। কারন, এর জন্য সরকার এবং তার প্রশাসনই দায়ী। দেশের জনগনের সুস্বাস্থ্যের জন্য সরকারের উচিত আইন করে এইসব মেডিকেল রিপ্রেজন্টেটিভদের , যাদেরকে বিভিন্ন ফার্মাসিউটিক্যালস নিয়োগ দিয়েছে তাদের হাসপাতাল ভিজিট করা বন্ধ করা। বিশেষ করে, সরকারি হাসপাতালগুলোতে সরকারে এই বিষয়ে মনিটরিং অনেক জোরদার করা, কারন এখানে যারা চিকিৎসার জন্য আসে তারা খুবই সাধারন শ্রেনীর লোক।

জোরদার মনিটরিং ব্যবস্থা না থাকার কারনে, মেডিকেল রিপ্রেজন্টেটিভরা যেমন সুযোগ পায়, ডাক্তাররাও তেমনি লোভে পড়ে তাদের ঔষধ লেখে। আর ডাক্তাররা বিভিন্ন কম্পানির ঐষধ লিখবেই না কেন , কারন লিখলেই পাচ্ছে বাড়ি, গাড়ি, ফ্ল্যাট, ফ্রিজ, টেলিভিশন, মেয়ের বিয়ের সময় সালামি, পুরো ফ্যামিলিসহ বিদেশ ভ্রমনসহ আরো অন্যান্য অনেক অনেক সুবিধা। কিন্তু তাদের এই সামান্য সুবিধার জন্য কত মানুষ কত সমস্যার  সম্মুক্ষিন হয় তা তাদের চিন্তা করা উচিত।

তাই সরকার এবং প্রশাসনের প্রতি অনুরোধ করছি, এই সব ঔষধ বানিজ্য এবং ডাক্তারদের কমিশনের লোভ বর্জনে আইন করে কঠিন মনিটরিং সেল গঠন করে সাধারন মানুষের জীবনের নিরাপত্তা প্রদান এবং হয়রানি থেকে রক্ষা দেয়ার জন্য।