ক্যাটেগরিঃ নাগরিক আলাপ

শিরোনামটি পড়ে প্রথমেই আপনি যা ভাবছেন তা হল নিশ্চয়ই কোন নীতি কথার ফুলঝুড়ি নিয়ে হাজির হয়েছি। কিন্তু না এই কথা গুলি ইদানিং ভারতিয় একটি টিভি চ্যানেল খুললেই দেখা যায়। তবে সত্যটা হল আমরা জাতিগত ভাবে পাল্টাতে যতটা না পারদর্শী তার চেয়ে বেশী অনুকরনীয়তায় অগ্রগামী। আর এ কারনেই আমরা কোন দিক দিয়ে এক কদম এগিয়ে গেলে পিছিয়ে পড়ি দশ কদম। গ্রাম্য একটি প্রবাদ আছে “ কপালে পোড়া যে ডাল ধরে সে ডালই ভেঙ্গে পড়ে, আমাদের হয়েছে সেই দশা-পোড়া কপালি বাঙ্গালী!

চলুন একটি সংবাদের কিছু অংশ দেখে নেই

পরামর্শক প্রতিষ্ঠানের কাজ পাইয়ে দেওয়ার জন্য কানাডাভিত্তিক প্রতিষ্ঠান এসএনসি-লাভালিনের কাছে ১০ শতাংশ অর্থ কমিশন চেয়েছিলেন যোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের শীর্ষ তিনজন। তাঁরা হলেন: সাবেক যোগাযোগমন্ত্রী সৈয়দ আবুল হোসেন, সেতু বিভাগের সাবেক সচিব মোশাররাফ হোসাইন ভূইঞা এবং পদ্মা সেতুর সাবেক প্রকল্প পরিচালক রফিকুল ইসলাম। তাঁদের প্রতিনিধিরা এই অর্থ কমিশন হিসেবে চান।

অর্থের অবৈধ লেনদেনের জন্য গ্রেপ্তার হওয়া এসএনসি-লাভালিনের সাবেক প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা পিয়েরে দুহাইমের কাছ থেকে এই তথ্য পেয়েছে কানাডার পুলিশ। আর বিশ্বব্যাংকের কাছ থেকে এই তথ্য পেয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। প্রতিবেদনে রাজনৈতিকভাবে প্রভাবশালীদের সম্পৃক্ততার তথ্যও রয়েছে।

আশাকরি এই বিষয় নিয়ে আর বেশী বলার প্রয়োজন নেই,তবে আরো বেশী জানতে চাইলে ক্লিক করুন

সময় যায়,আমরা প্রতিনিয়ত পাল্টে যাওয়ার প্রতিজ্ঞা করি,এনালগ থেকে ডিজিটালের পথে এগিয়ে চলেছি দ্রুতগতিতে। কিন্তু আমাদের রাজনৈতিক চরিত্রের বিবর্তন হয় না,আমরা সেই তিমিরেই থেকে গেলাম। অত্যন্ত দুঃখজনক হলেও এটাকেই আমরা মেনে নিয়ে সং সেজে-রং মেখে ভোট দিতে যাই আর এদেরকেই আবারও বিজয়ী করে রাজ্য দিয়ে গোলাম বনে যাই পাচ-পাচটি বছরের জন্য।

তারপরও বলতে মন চায়-চলো পাল্টে যাই, পাল্টনোর পথে পুরোটা না হোক কিছুটা এগিয়ে যাই।

বিঃদ্রঃ নাতিদীর্ঘ বিরতির জন্য ক্ষমাপ্রার্থী।