ক্যাটেগরিঃ গণমাধ্যম

এক.
বেশ কিছু দিন পুর্বে বাংলাদেশের একটি প্রতিষ্ঠিত রাজনৈতিক দলের একজন বড় মাপের নেতাকে দল থেকে বহিস্কার করা হয় বেফাঁস সত্য কথা বলার কারনে। এর কিছুদিন পর ঐ নেতা টিভির এক সাক্ষাত্কারে বলেছিলেন দলের প্রধান কিছু চাটুকার দ্বারা পরিবেষ্টিত হয়ে আছেন,আর তাই তিনি ভাল মন্দ বিচার না করেই অনেক সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন তাদের কথার উপর নিভর্র করে। অল্প কয়েক দিন আগে সেই নেতাকে দলে ফিরিয়ে নেওয়া হয়েছে এবং ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে প্রাথমিক সদস্য পদটিও। এবার বলুন তো উপরের কে ঠিক ছিলেন /কোনটা সঠিক ?
দুই.
বেশ কিছুদিন ধরে ডাঃ মোহাম্মদ ইউনুসকে নিয়ে পত্রপত্রিকা এমনকি মিডিয়া জগতের এমন কোন মাধ্যম নেই যেখানে পক্ষে বিপক্ষে লেখালেখি হয়নি। পরে তা আদালতে গড়ায় এবং যা কিছু ঘটছে তা সবই আমরা জানি।এর মধ্যে রাজনিতি ও সুযোগ বুঝে তার নগ্ন হস্তক্ষেপ করতে ভুল করেনি কম শুনতে হয়নি দেশী-বিদেশী বড়-বড় ব্যক্তিবর্গের হুমকি ধমকি আর গুরুগম্ভীর মন্তব্য করা থেকে। আজ একটি মন্তব্য আমাকে বিস্মিত করেছে আর তা হল গ্রমীন ব্যাংকের ভবিষ্যত কার্যক্রমে বিশাল প্রভাব পরবে ড. মোঃ ইউনূসকে তার পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়ার কারনে। আর এ মন্তব্য করা কালে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশের প্রথম সারির বেশ কিছু পত্রিকার সম্পাদক ও সাংবাদিক যেমন- মাহমুদুর রহমান,ইকবাল সোবহান চৌধুরী,গিয়াস কামাল চৌধুরী প্রমুখ। এবার বলুন যাদের সাথে নিয়ে এ মন্তব্যটি জনাব ইউনূস করলেন তাতে গ্রামীন ব্যাংক কোন দিকে যাচ্ছে বা যাবে ?
তিন.
নারী নীতি নিয়ে সাম্প্রতিক সময়ে অনেক কিছুই ঘটে যাচ্ছে এই দেশে,মুফতি আমিনি এর বিরুদ্ধে মাঠে নেমেছে বেশ আটঘাট বেঁধেই। শেষ পর্যন্ত তিনি হরতাল ডাকলেন এবং এই হরতালে নীতিগত সমর্থন দিল বিএনপি। নারী নীতি নিয়ে বিএনপি এখনো তাদের দলীয় অবস্থান পরিস্কার করেনি। তবে হরতালে নীতিগত সমর্থন অন্তত এটা বুঝার আর বাকী নেই সরকারকে বেকায়দায় ফেলতে এবং বিরোধিতার করনে বিরোধিতা করার জন্য হেন কোন ইস্যু নেই যেখানে তাদের সমর্থন থাকেব না, যদি তা আবার বাংলাদেশ বনাম পকিস্তানের যুদ্ধ হয় তাতেও কোন দোষ নেই বলে আপাত দৃষ্টিতে তাই মনে হয় অন্তত আমার।

** চিন্তা করছি একটি কবিতা লিখব,কিন্তু ছন্দ মিলাতে পারছি না…!