ক্যাটেগরিঃ ব্লগ

পদ্মা সেতু নিয়ে সরকার এবং বিশ্বব্যাংকের মাঝে যে সংকট আরম্ভ হয়েছে তা মুলত ইমেজ সংকট ,চুক্তি বাতিল করে বিশ্ব ব্যাংক আন্তজার্তিক ভাবে ইমেজ সংকটে ফেলে দিলো আমাদের পুরো জাতিকে ,দু এক জনের জন্য সবার ঘাড়ে দোষটা পড়ল ,ক্নিত বিশ্ব ব্যাংক যে ধোয়া তুলসী পাতা নয় সেটার রিপোট ও সংবাদ মাধ্যমে মাঝে মধ্যে আসে কিন্তু সেরকম করে বিশ্ব ব্যাংকের বিরুদ্দে কেউ বলার সাহস পায়না, এটি আসলে মুলত আমেরিকার ব্যাংক নিয়মই আছে বিশ্ব ব্যাংকে প্রেসিডেন্ট হবেন আমেরিকান আর এখন গ্রামীন ব্যাংক নিয়ে আমেরিকানদের সাথে আমাদের সরকারের যে ইদুর বিড়াল খেলা চলছে সেই খেলার সুএ ধরেও এ ধরনের ঘটনা ঘটতে পারে বলে আমি বিশ্বাস করি৤

বিশ্বব্যাংক বিভিন্ন প্রকল্পে কি শর্তাবলীর ভিতিতে লোন প্রদান করে সেটা আমাদের জানার বাইরে থেকে যায় কারন এ সব প্রকাল্পের বিস্তারিত বিবরন বাইরে প্রকাশ করা হয়না ,তবে তাদের কনসালটেন্সী এবং অন্যান্য ফি এবং সুদ বাবতই বেশীরভাগ টাকা খরচ হয়ে যায় আর যেটুকু থাকে সেটা দিয়ে প্রকল্প বাস্তবায়ন হয়ে থাকে ৤

আমরা সবাই চাই পদ্মা সেতু হোক ,আর পদ্মা সেতু হলে যোগাযোগ ব্যবস্তায় কাঠামোগত একটা পরিবর্তন আসবে ,বর্তমান সরকারের নির্বাচনী অংগীকার ও বটে ,আমরা স্বাধীনতা অর্জন করেছি 40 বছরের এর অধিক এর মধ্যে পদ্মা সেতু ছিলনা আর না থাকার পর ও আমাদের উন্নয়ন থেমে থাকেনি ,পদ্মা সেতু আমাদের প্রয়োজন সেজন্য বর্তমান সরকার যেন তেন ভাবে শুধুমাএ বিশ্বব্যাংককে বুড়ো আঙ্গুল দেখানোর জন্য যার তার সাথে চুক্তি করে না বসে ,আমরা প্রয়োজনে 5 বছর পরে এ সেতুর মুখ দেখতে চাই তবু আসম কোন চুক্তির বোঝা যেন দেশবাসীকে টানতে না হয় ,আর যত ভালো চুক্তিই এখন করা হোক না কেন বিরোধীদল কিন্তু বিরোধীতা করবে এটাও মাথায় রাখতে হবে ,অথচ সবার এখন উচিত সরকারের পাশে দাড়ানো জাতি হিসেব আমরা এ কলংকের দায় কেন মাথায় পেতে নেবো ,আর দুনীর্তিতে যদি কেউ জড়িত থাকে তাদেরকে ছুড়ে ফেলা হোক আস্তাকুড়েঁ নব্য মীরজাফরদের কোন রকম ক্ষমা করার উদারতা যেন না দেখানো হয় ৤