ক্যাটেগরিঃ আইন-শৃংখলা

 

অনেক সময় পত্রিকায় দেখা যায়, কোন ছোট্ট শিশু পাওয়া গেছে রাস্তার পাশে যার মা হয়তো ফেলে গেছে, পিতৃ পরিচয়হীন এতিম শিশুটিকে আমরা জারজ সন্তান হিসাবে চিন্হিত করি, তারপর তার ঠাই হয় হয়তো কেন সন্তানহীন দম্পতির কোল নয়তো অনাথ আশ্রম, কেউ তার জন্মের দায় স্বীকার করতে এগিয়ে আসে না অথচ কারো না কারো ঔরষে কারো না কারো গর্ভে তার জন্ম। তার জন্ম যেমন সত্যি তেমনি তার চেয়ে বড় সত্যি হয়ে উঠে সে অনাথ এবং পিতৃ মাত্র পরিচয় হীন।

তেমনি বর্তমান টক অফ দ্যা কান্টি মিতু হত্যাকান্ড, এটিও অনাথ সন্তানের মতো দ্বারে দ্বারে অনাদর অবহলায় সময় পার করছে। অামরা যেন অনাকাংখিত ঘটনা হিসেবে এডিয়ে যেতে চাইছি। যেন বের করতেও অনিচ্ছুক কে তার হত্যাকারী।

প্রাসংগিক পেক্ষাপটে আমাদের সাধারন চিন্তা চেতনায় অনেক গুলো জিনিষ ঘুরপাক খাচ্ছে অাসলে ঘটনা কি ঘটেছিল? যেখানে সামান্য একজন ছিনতাইকারী কিংবা সংঘবদ্ধ ডাকাত দলের সদস্য ধরা পাড়লেও যেখানে মিডিয়া উইং দ্রুততার সাথে সেটি মিডিয়াতে প্রচার করে, সেখানে এখন পর্যন্ত যতগুলো পত্রিকাতে মিতু হত্যাকান্ড নিয়ে যা কিছু লিখা হচ্ছে তা অসমর্থিত সুত্র হিসাবে উল্লেখ করা হচ্ছে। প্রশাসনের কেউ অফিসিশালি কিছুই বলছেনা। যেন জারজ সন্তান্তের জন্ম হলো সবাই দেখে ও না দেখা শুনে ও না শোনার মতো।

বাবুল। আক্তার একজন বাঘা পুলিশ কর্মকর্তা হিসাবে ষঘেষ্ট সুনাম কুড়িয়েছিলেন যার কারনে মিতু হত্যার দায় প্রথম ধাক্কায় জংগীদের গাডে যায়, আর জামাত শিবির যুদ্ধাপরাধীদের ফাসি দেয়ার প্রতিশোধ হিসেবে এ ধরনের হামলার মাধ্যমে পুলিশ বিভাগের মনোবল নষ্ট করার চেষ্ঠা করতে পারে সে হিসেবে, গন গ্রেফতার আর সন্দেহভাজনদের দীর্ঘ তালিকা ধরে পুলিশ বিভাগের সকল শাখা একযোগে মিতু হত্যার প্রতিশোধ তথা আর যাতে সাহস না পায় পুলিশ পরিবার এর সদস্যদের আঘাত করতে, তাও বাবুল আক্তার এর মতো চৌকষ কর্মকর্তার সহধর্মীনি হত্যার ঘটনা পুলিশ বিভাগের রক্তে এক রকম আগুন ধরিয়ে দেবার মতো ঘটনা।

এটাই স্বাভাবিক, ক্রসফায়ার এর ঘটনা ও ঘটে এ নিয়ে। কোথাকার জল শেষ পর্যন্ত কোথায় গিয়ে গড়ায় এটা আসলে আমরা সাদা চোখে ধারনা ও করতে পারছিনা।

মিতু হত্যাকন্ডের পর বাবুল আক্তার এর চোখের জল আর মনোবল হারানোর ছবি আমাদের চোখের কোন ও অশ্রুসজল করে তুলছিলো, আমরা মনে প্রানে মিতু হত্যাকারীদের ঘৃনা করতে শুরু করি। একজন গুনী অফিসার যে এই রকম ভাবে তার ছেলে মেয়ের মাকে হারাবে বাকী জীবন ওরা মা বলে কাউকে ডাকতে পারবেনা। ব্যাপারটা মনে হতেই বুকের মধ্যে কেমন যেন মোছড় দিয়ে উঠে।

কিন্তু ১৫ ঘন্টার টানা জিগ্গাসাবাদ এর এর জন্য রাতের বেলা যখন বাবুল আক্তারকে তার শশ্বুরের বাসা থেকে নিয়ে যাওয়া হলো তখনই গুজবের ডালপালা ছড়াতে শুরু করে। বাবুল আক্তার। নিজেই নাকি দায়ী এঘটনায়, এটি ও অসমর্থিত সুত্রের খবর, এখন শোনা যাচ্ছে তার নিকট থেকে পুলিশ বিভাগ থেকে পদত্যাগ পত্রও নেয়া হয়েছে, কিন্তু কেন? এটি যদি হয় তাহলে এট আসলে সুস্পষ্ট ব্যাখা ও আসার কথা, বাবুল আক্তার যদি সন্দেহের তালিকায় থাকে তাহলে সরকারী চাকুরী বিধি অনুযায়ী যদি ফৌজদারী মামলার আসামী হলে সাসপেন্ড হবার কখা বড জোর তা হতে পারে, চাকুরী থেকে অব্যাহতি কেন? তাকে কি সন্দেহ করা হচ্ছে কিংবা যারা খুন করেছে তারা কি বাবুল আক্তার এর হুকুম তামিল করেছে বলে স্বীকারোক্তি দিয়েছে। দিলে পুলিশের উচিত প্রথম বাবুল আক্তার এর পাশে দাড়িয়ে এর সত্যতাার প্রমান বের করা আর প্রমানিত সত্য যদি এই হয় বাবুল আক্তার এতে জড়িত তো তাকে কেবল চাকুরী হতে অব্যাহতির বিনিময়ে মাফ করার কেন এক্তিয়ার কারো নেই এক মাত্র রাষ্টপতি পারেন কোন খুনের মামলার আসামীর সাজা মওকুফ করতে! বাবুল আক্তার নিজেও কিছু বলছেন না, তার শ্বশুরের এর বা ওই পরিবারের সকলের বদ্ধমুল ধারনা বাবুল আক্তার এটা করতে পারেন না।তাহলে কেউ কথা বলছেন না কেন? উত্তর দুটো-
এক, বাবুল অাক্তার খুন করেছেন”!
দুই, বাবুল আক্তার খুন করেননি!!

কোনটা স্পষ্ট দিবালোকের মতো সত্য। সেটা প্রশাসনেরই উচিত পরিস্কার করা, আর তার মতো একজন চৌকষ অফিসার মাথা মোটার মতো নিজের সোর্সকে কাজে লাগিয়ে নিজের বউকে হত্যা করাবেম এতটা আহাম্মক তো ওনার হবর কথা না, তিনি জানেন মামলার মোটিভ ক্লু এবং তদন্ত কোন কোন প্রক্রিয়ায় এগোয় আর সেটার দৌড় কতদুর, তাহলে জেনে শুনে বিষ পান করার মতো এতো সহজ সুত্রে হত্যার চক কষবেন বাবুল আক্তার সেটাও আসলে সন্তোষজনক সমাধান মনে হচ্ছে না।

তাহলে কে মুল গডফাদার, যে সকল আসামী ধরা পড়েছে তারা তো ম্যাজিষ্টেট এর কাছে স্বীকারোক্তি ও প্রদান যদিও কোন উল্লেখযোগ্য সুত্র তা প্রকাশ করেনি, করলে সেটা হিমাগারে না পাঠিয়ে দিবালোকের আলোয় আনা হউক?

খুনি যেই হোক মিতুর হত্যাকারীদের আমরা দৃষ্টান্তমুলক শান্তি চাই। পুলিশ যদি মনে করে বাবুল আক্তার এর ঘাড়ে দোষ আসলে সেটা গোটা পুলিশ প্রশাসন এর ইমেজ এ ধাক্কা লাগবে, সেটা ঠিক না, খুন যে করেছে সে খুনি হোক যতোবড সরকারী আমলা কিংবা রাজনৈতিক নেতাই হোক না কেন, রাষ্ট্রীয় বিচার ব্যাবস্থায় আইন সবার জন্য সমান, বাবুল আক্তার দায়ী হলে সে দায় তার একার তা পুলিশ প্রশাসনের দায় কেন হবে? কিংবা রাষ্টের কেন দায় হবে? বরং অস্পষ্ট দায়ভার আর তদন্তের ঘুর্নিপাকে শেষ পর্যন্ত যদি মিতু হত্যার সুষ্ঠ তদন্ত রিপোর্ট না আসে তবে বরং সেটাই গোটা পুলিশ প্রশাসনের উপর বর্তাবে। যার দায় ভার রাষ্ট্র ও এড়াতে পারবেনা।

মাননীয় প্রধানমন্রী যেমন জাতির পিতার হত্যাকারীদের চিন্হিত করে শাস্তি আওতায় আনতে পারায় গোটা জাতি কলংক মুক্ত হয়েছে, আর যদি তাদের চিন্থিতই করা না যেতো তাহলে সারা জীবন মাননীয় প্রধান মন্তীকে একটা আক্ষেপ বুকে নিয়ে বেঁচে থাকতে হতো তার পিতামাতা পরিজনকে কে হত্যা করেছে? এই কষ্ট কোন সান্তনায় বা সসহানুভুতিতে একটুকুও উপশমের নয়। তেমনি মাহমুদা মিতুর সন্তানদের যেন ভবিষ্যতের কাছে উত্তর খুঁজতে না হয় কে তাদের মায়ের হত্যাকারী?