ক্যাটেগরিঃ নাগরিক মত-অমত

ইদানিং কালের ছেলেদের মধ্যে দাড়ি রাখার একটা প্রবনতা কাজ করছিলো,হোক সেটা কেউ ফ্যাশন হিসেবে কেউবা ধর্মীয় বিবেচনায়, এই কালচারটারা মুসলিম সংস্কৃতির একটা অাধ্যিপত্যের ইংগিত ও নির্দেশ করছিলো বলা যায়,অথচ সেটি এখন উল্টো বিপদ হিসাবে দেখা হচ্ছে। অথচ যে ছেলেটা ধর্মভীরু গোছের নামাজ কলেমা নিয়ে এক আধটু সময় দেয়ার চেষ্ঠা করে সেই সন্তানকে আমরা বাবা মা হিসেবে এখন সন্দেহের চোখে দেখছি, ছেলে মসজিদে যাচ্ছে হয়তো আমরা ভাবছি আমার ছেলেটা জংগী হয়ে যাচ্ছে না তো, সেই ছেলেটাকে আমরা চোখে চোখে রাখছি।সত্যিই আই এস এমন তান্ডব মুসলমান ধর্মের নামে শুরু করেছে যেটা আমাদের মুললমানদের ক্ষডি করছে সবচেয়ে বেশী।

বিশ্বব্যাপী মুসলমানদের জংগী সন্তাসী হোষ্ঠি হিসাবে দেখছে, অথচ,ইসলাম শান্তির ধর্ম এখানে জংগীবাদী উগ্রপন্থীদের কোন স্থান নেই, তবুও আই এস নামধারী এ সব ভয়ানক ইসলামের শত্রু কারা, কারা এদের তৈরী করছে,কারা অর্থ দিচ্ছে, বিশ্ব্যাব্যাপী কেবল মাত্র ইহুদীরাই মুসলমানদের শত্রু মনে করে।সে হিসাবে আই এস এখন পর্যন্ত কোন ইহুদী স্থাপনা কিংবা ব্যাক্তির উপর হামলা করেনি,তাহলে ইসলামী ষ্টেট প্রতিষ্ঠা নয় আই এস মুল উদ্দেশ্য আসলে ইসলাম এর ক্ষতি করা।

এক এগারো তে আল কায়েদা হামলা করলো টুইন টাওয়ার অথচ সেদিন একটা ইহুদী ও কাজে যায়নি, আল কায়েদা কিংবা আই এস সব আসলে বিশ্ব ব্যাপী মার্কিন আধ্যিপত্য বাদ বজায় রাখায় এক গোপন নীল নকশা, আর তার বাস্তবায়ন করছে ইহুদীদের সাথে পরিকল্পনায়।

আফগানিস্হানে একবসময় স্নায়ু যুদ্ধ কালে রাশিয়া দখলদার ছিলো, রাশিয়া বিতাডিত হবার পর আমেরিকা কেন এত বছর পর ও খানে সহিংসতা জিয়েয়ে রেখেছে , আফগানিস্হানে পৃথিবীর সবচেয়ে বেশী মাদক তৈরী হয় আর সেটার অর্থ আমেরিকানরা ছাডবে কেন।

ইরাক সাদ্দাম হোসেনকে ফাসিতে ঝুলিয়ে ইরাকের তেল সম্পদ এর উপর নিয়ন্তন এখন ও কিন্তু মার্কিনিদের,সিরিয়াতে অাই এ স ঘাটি কারন সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট সামাজ্র বাদের বিরুদ্ধে সোচছার, তাই আই,এস নিধনের নামে যে কোন সময় সিরিয়াতে যাতে হামলা করা যায়।

প্রথম ইরাক যখন কুয়েত আক্রমন করে তখন যে সৈন্য মোতায়েন করা হয়েছিলো তা এখনো আছে আর তাদের কাজ তেলের পাইপ লাইন এর নিরাপত্তা। মানে মারর্কিন স্বাথের পহরা। আসলে বিশ্বব্যাপী মার্কিন আধ্যিপত্যবাদ টিকিয়ে রাখার স্বার্থে এসব নাশকতার বীজ মার্কিনিরাই বপন করছে,সেগুলোর যত্ন নিচ্ছে আর তাদের প্রয়োজনমতো বিষবৃক্ষ গুলো তারাই জন্ম দিচ্ছে, ইহুদিরাও একটা উপলক্ষ্য মাত্র।

আর কৌশল গত কারনে চীন এবং ভারতের উপর নজরদারি কিংবা হস্তক্ষেপের জন্য বাংলাদেশ এ মার্কিন ঘাটি আবশ্যক হয়ে পড়েছে, এমতবস্হায় সেন্টমার্টিন এ সেনা মোতায়েন পরিকল্পনা ভেস্তে গেছে আগেই, তার উপর ভারতের সাঘে ভালো সম্পর্কের কারনে বাংলাদেশ মার্কিনিদের পেসক্রিপশন আমলেই নিচ্ছে। না দীর্ঘ দিন ধরে, পদ্মা ব্রীজ এ বিশ্ব ব্যাংকের সহায়তা প্রত্যাহরের পর ও বাংলাদেশ তাদের হাতে পায়ে না ধরে উল্টো নিজেরা প্রকল্প নিয়ে তাদের মুখে জুতার কালি মেখে দিয়েছে,আর ভারতীয় কুটনৈতিক কে আমেরিয়া অপদস্হ করার প্রতিক্রিয়ায় ভারত যখন তাদের দেশের মার্কিন নাগরিকদের ভিসা বাতিল করে বের করে দেবার পক্রিয়া শুরু করলো তখন আমেরিকা সরে আসলো এবং ক্ষমা চাইলো, আর নিজেদের মুক্ত বাবাজার অর্থনীতির এ যুগে ভারতের সাঘে আমাদের বানিজ্য ঘাটতির যে ব্যাপকতা সেটাকে নিজেদের স্বার্থে ভারত এখন আমরা না চাইলেও আমাদের সবচেয়ে বড মিত্রের ভুমিকায় অবতীর্ন।

আগে আমাদের একটা হুমকি দিতো জাতিসংঘ মিশন থেকে সেনা ফেরত পাঠানোর, কিন্তু অবস্হা এমন যে বিশ্বব্যাপী বাংলাদেশী সেনা শান্ডি রক্ষা মিশনে এমন উল্লখযোগ্য ভুমিকা পালন করছে এখন বাংলাদেশী সেনা বাদ দিয়ে জাতিসংঘ শান্তি রক্ষী বাহিনী গঠন তাদের জন্যই অর্থ এবং যোগ্যতার বিচারে অলাভ জনক, আর মার্কিনিরা লসের ব্যাবসা কেন করবে?

যুদ্ধাপরাধ ইস্যুতে তাদের লাল টেলিফোন ও প্রচ্ছন্ন হুমকি ও থামাতে পারেনি বিচার পক্রিয়া,তাই গুলি খাওয়া বাগের মতো এখন কেবল গো গো করছে বাংলাদেশ এর বুকে সেনা মোতায়েন এর একটাই সুযোগ যা হলো বাংলাদেশকে জংগী বাদী রা্ষ্ট হিসাবে প্রমান করা আর সেই জংগীদের দমন করার জন্য জাতিসংগের অনুমোদন নিয়ে সেনা মোতায়েন করাটা তাদের জন্য সহজ হবে। আর চীনের সাঘে বাংলাদেশের বাজার ও ব্যাপক তারা ও বাংলাদেশের অস্থীতিশীল পরিবেশ চায় না, মাীকিনিদের গার্মেন্টস এর যোগানের একটা ব্যাপক উতস বাংলদেশ সে বিচার এর চেয়ে কম দামে পোষাক বিশ্বের আর কোথাও তারা বানাতে পারবেনা এই বানিজ্য টি হয়তো মার্কিনি দের কিছুটা বেকায়দায় ফেলে বাংলদেশ প্রসংগে নইলে কিছুই ওদের দমাতে পারতো না। বানিজ্য ই আসলে সকল কিছুর নিয়ামক আর আমাদের শক্তির মুল স্ডম্ভ হলো জনশক্তি, তাদের বৈশ্বিক বানিজ্যের কুটচালে আমাদের এই জনশক্তি কোথাও শান্তি রক্ষী বাহিনী নামে আবার কোথায় গামেন্টস শ্রমিক হিসাবে।আমরা তাদের জন্যই আসলে আমাদের শ্রমশক্তি ব্যায় করছি, আর আয়ের সে অংশই আমাদের রাষ্ট কাঠামোতে যোগ হয়ে আমাদের নিম্ন আয়ের দেশ হতে মধ্য আয়ের দেশে পরিনত করেছে।

আর জনশক্তিই যেখানে আসলে আমাদের উন্নয়নের মুল চাবিকাঠি এটাকে দ্বিধা বিভক্ত করার যে কোন কোন অপলকৌশলকে রুখে দিতে আমাদের প্রয়োজন জাতীয় এক্যমত বিশেষ করে জাতির ক্রান্তি কালে গুলশান হত্যাকান্ডের মতো দুর্যোগের মুহুর্তে আমাদের সকল রাজনৈতিক দল গুলোর একাত্নতাই পারে ১লাখ ৫৬ হাজার বর্গমাইলের এ বাংলাদেশ কে জংগী মুক্ত সন্তাস মুক্ত রাখতে।

নইলে মার্কিনিদের ইতিহাস সি,আই এর ইতিহাস কিন্তু যখন সরকার এর সাঘে বনিবনা হয় না, তখন তারা বিরোধী দলকে বেচে নেয় ব্যাক আপ দিয়ে সেনা বাহিনীর মাধ্যমে যে কোন সরকার কে উতখাত করার চেষ্ঠা করে, ইতিহাস সেটাই স্বাক্ষী দেয়,সাম্পতিক তুরস্কের নিস্ফলা ব্যার্থ অভিযান মার্কিনিদের সর্বশেষ ব্যার্থতার ইতিহাস, এটা তারা কারো উপকারের জন্যতা নয় নিজেদের স্বার্থেই করে।

আমাদের দেশে ও তাদের নীল নকশার বাস্তনায়নে তারা মরিয়া হয়ে যে কোন পদক্ষেপই নিতে পারে,যে কোন সময়।