ক্যাটেগরিঃ প্রশাসনিক, ফিচার পোস্ট আর্কাইভ

 

ফকির মজনু শাহ সেতু, গাজীপুরের কাপাসিয়ায় শীতলক্ষ্যা নদীর উপর নির্মিত  হয় ১৯৯৭ সালে।  ৩৯০ দশমিক ৯১ মিটার দৈর্ঘ্য ও ১০ মিটার প্রস্থের সেতুটি নির্মাণ করতে সরকারের ব্যয় হয় ১৫ কোটি টাকা। ২০০৫ সালের ৩ আগস্ট তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া সেতুটি উদ্বোধন করেন। সেতুটির মাধ্যমে ঢাকা-কাপাসিয়া-টোক-মঠখোলা-ইটাখোলা-কিশোরগঞ্জ এবং পার্শ্ববর্তী নরসিংদী ও বৃহত্তর সিলেটের সাথে সরাসরি সড়ক যোগাযোগ স্থাপিত হয়েছে। সেতুটি পার হতে গেলে বাস ট্রাক আর অন্য যানবাহনকে তো টোল দিতে হইই, প্রতিটা রিকসা এবং মটর সাইকেলকেও টোল দিতে হয়ে নিয়মিত।

Shitollokha (37)

ইত্তেফাক ১৮ই মার্চ ২০১৩ সালের একটা প্রতিবেদনে দেখা যায়, প্রতি বছর সেতুটি ইজারা দেয়ার কথা থাকলেও সর্বশেষ ২০১১ সালে সেতুটির ইজারা নিয়ে জটিলতা সৃষ্টি হয়। ইজারার উদ্দেশ্যে ১১তম দরপত্র আহবানের পর সংক্ষুব্ধ পক্ষ উচ্চ আদালতে দরপত্র আহবানের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে। তখন থেকেই ইজারা বন্ধ রয়েছে বলে রিপোর্টে প্রকাশ প্রায়। এবং সর্বশেষ  খবর হলো এখনো লখা আদায় চলছে, কিন্তু ২০১১ সালের পর কি আবার ইজারা দেয়া হচ্ছে? নাকি এখনো চলছে সেই হরিলুট বাণিজ্য?

দাখিলকৃত দরপত্র অনুযায়ী যদি সেতুটি ইজারা দেয়া হতো তাহলে সরকার দৈনিক সেতুর টোল বাবদ ১ লাখ ৪ হাজার টাকা রাজস্ব পাওয়ার কথা ২০১১ সালের হিসাব অনুযায়ী। এখন কত টাকা প্রতিদিন টোল আদায় হচ্ছে?

বিকল্প ব্যবস্থায় খাস আদায় করা হয়েছে তা করতে গিয়ে এখানে গাজীপুর সড়ক বিভাগের ১৫/২০ জন কর্মকর্তা/কর্মচারী নিয়োজিত ছিলো। এছাড়া দৈনিক ৫শ’ টাকা হিসাবে মাস্টার রোলে ৫/৬ জন স্থানীয় লোক কাজ করে? আর তাতে করে সরকারের এই একটা মাত্র জায়গা থেকে কত টাকা রাজস্ব হারাচ্ছে? অতিরিক্ত আদায় খরচ আর দশে মিলে লুটেপুটে খাওয়ার এ প্রক্রিয়া বন্ধ হওয়া জরুরি।