ক্যাটেগরিঃ চারপাশে

‘ভিলেজ পলিটিক্স’ শব্দটার সাথে কমবেশি সবার পরিচয় রয়েছে। যারা ‘ভিলেজ পলিটিক্স’ এর শিকার হয়েছেন তারা ভালোমতোই জানেন যে, ‘পলিটিক্স’ এর মধ্যে কিভাবে ‘রাজনীতি’ ঢোকানো হয়!
প্রতিবেশীকে ঘায়েল করতে নিজ সন্তানকেই হত্যা করে প্রতিবেশীর পুকুরে ফেলার নজির রয়েছে অনেকে। স্ত্রীকে অ্যাসিড ছুড়ে প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করার খবরও পত্রিকায় প্রকাশ হয়েছে।
আর বখাটে/মাদকাসক্ত অনেক তরুণ এর মন্দিরে চুরির ঘটনাও জানা আছেন অনেকের। এসবের সাথে রাজনীতির গন্ধ খুঁজতে গেলে নাকে আঁচড় লাগতে পারে।

এবার চলে আসি চট্টগ্রামের হাটহাজারিতে মন্দির ভাঙ্গার ঘটনায়। দু:খজনক এই ঘটনাটি এমন এক সময়ে ঘটলো যখন রক্তে রঞ্জিত হয়েছে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস। স্বাধীনতা বিরোধী জামায়াতে ইসলামীর ছাত্র সংগঠন শিবিরের মিনি ক্যান্টনমেন্ট চট্টগ্রামে এর আগে ঝরেছে প্রগতিশীল অনেক মেধাবী ছাত্রের প্রাণ কোনটার সাথে কোনটার মেলানোর চেষ্টা করছি না। সব হত্যাকান্ডই খারাপ!

চট্টগ্রামে রক্তাক্ত মারামারারির পরই হাটহাজারীতে ঘটলো মন্দির ভাঙার ঘটনা। আর স্বাভাবিকভাবেই সন্দেহের তীর চলে যাচ্ছে স্বাধীনতা বিরোধী জামাত আর শিবিরের দিকে। হতে পারে। শিবিরের অপকর্মের কথাতো সবারই জানা। রগ কাটা, জবাই করা। সবই তারা করেছে ধর্মের নামে। ধর্ম তাদের রাজনীতির হাতিয়ার। কিন্তু, তদন্তের আগেই কোন সিদ্ধান্তে যাওয়া বুদ্ধিমানের কাজ বলে মনে করি না। এমনও সন্দেহ করেছেন কেউ কেউ যে, রাজনৈতিক ফায়দা লোটার জন্যই হিন্দুদের দিয়েই হিন্দুদের মন্দির ভাঙা হয়েছে! আর দোষ চাপানো হবে মুসলমানদের ঘাড়ে! এমন সন্দেহ করার আগেও ভেবে দেখতে হবে!