ক্যাটেগরিঃ রাজনীতি

সদ্য বিভক্ত ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন নিয়ে সংশয় দেখা দিয়েছে। সংসদে বিল পাশ হওয়ার পর সাংবিধানিকভাবে ৯০ দিনের মধ্যে নির্বাচন করার নিয়ম রয়েছে। অবশ্য এক প্রশাসক এ নির্বাচন শেষ না করতে পারলে নতুন প্রশাসকের আন্ডারে নির্বাচন করা যায় বলেও নিয়ম রয়েছে। বিভক্ত ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন নিয়ে সরকার ও বিরোধী দল দু’মুখি অবস্থানে। সরকার নির্বাচনের ঘোষণা দিলেও প্রধান বিরোধী দল বিএনপি নির্বাচনে অংশ নেয়া তো দূরের থাক তারা ঢাকা সিটি কর্পোরেশনের বিভক্তির বিরুদ্ধে হরতালসহ কয়েকটি কর্মসূচী দিয়েছে। এসবের পাশাপাশি নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্ত আরও অন্ধকারে নিয়ে গেছে বিভক্ত সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনকে। বর্তমান নির্বাচন কমিশন ৯০ দিনের মধ্যে নির্বাচন সম্ভব নয় ইত্যাদি ইত্যাদি কারণ দেখিয়ে বর্তমান কমিশন নির্বাচন সম্পন্ন করবে না বলে অপারগতা জানিয়ে সরকারকে চিঠি দিয়েছে। এসব নিয়ে ৯০ দিনের মধ্যে যে বিভক্ত উত্তর ও দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের নির্বাচন হচ্ছে এমনটাই বলা চলে।

নির্বাচন নিয়ে সংশয় থাকলে ক্ষমতাসীন দল আ’লীগ এবং মহাজোটের শরিক জাতীয় পার্টি (জাপা) নেতারা মাঠে নেমেছেন। শুধুমাত্র আ’লীগের অনেক নেতা বিভক্ত উত্তর ও দক্ষিণ সিটি মেয়র নির্বাচন করতে মাঠে রয়েছেন। ইতিমধ্যে তারা জনসংযোগ করা শুরু করে দিয়েছেন। ভোটারদের সাথে কুশলাদি বিনিময় করছেন। জনগনের দোয়া প্রার্থী পোস্টারে ছেয়ে গেছে সকল অলিগলি। ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন মেয়র পদে নির্বাচনী লড়াইয়ে নামবেন ঢাকা মহানগর আওয়ামীলীগের যুগ্ম সাধারন সম্পাদক হাজী মোঃ সেলিম। সম্প্রতি এক অলিখিত আড্ডায় তার সাথে কথা হয়। এসময় তার সাথে মেয়র নির্বাচনে আগ্রহ, দলের মনোনয়ন পাওয়া না পাওয়া, বিরোধীদলের অংশগ্রহণ, নির্বাচিত হলে উন্নয়ন কর্মকান্ড, যানযট নিরসনে পদক্ষেপ, আইন শৃঙ্খলা, যানজটসহ নাগরিক নানা সমস্যা সমাধানে তার পরিকল্পনা নিয়ে কথা হয়। অলিখিত এই আড্ডার উল্লেখযোগ্য কথামালা তুলো ধরা হলো-

মেয়র নির্বাচন করার আগ্রহঃ ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের মেয়র পদে নির্বাচনে অংশগ্রহণ প্রসঙ্গে তিনি বলেন-
‘‘ আমি ১৯৯১ সালে রাজনীতিতে সক্রিয় হওয়ার পর ঢাকা সিটি কর্পোরেশনের ৬৫ ও ৬৬ নম্বর ওয়ার্ড কমিশনার নির্বাচিত হই। পরে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিপুল ভোটে ঢাকা-৮ আসনের সংসদ সদস্য নির্বাচিত। এসময় কিছু দিন ঢাকা সিটি কর্পোরেশনের ভারপ্রাপ্ত মেয়র হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছি। ১৯৯৬ সালে আমি ঢাকার সাবেক মেয়র ব্যারিস্টার আবুল হাসনাতকে পরাজিত করে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হই। তাছাড়া ঢাকার সর্বস্তরের (ঢাকা মহানগর দক্ষিণ) মানুষ আমাকে যথেষ্ট ভালবাসেন। তারা নিয়মিত আমার কাছে বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে আসেন। তারা আমাকে মেয়র পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে বলছেন। এমনকি দেশ ও দেশের বাইরের অনেকেই ফোনে আমাকে নির্বাচন করতে বলছেন। আমার জনপ্রিয়তা থাকার কারনেই আমি ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে মেয়র পদে লড়তে মাঠে থাকার আগ্রহী হয়েছি।’’
দলের সমর্থনঃ দলের সমর্থন পাওয়া না পাওয়া নিয়ে তিনে বলেন-

‘‘ বঙ্গবন্ধু তনয়া, গণতন্ত্রের মানষ কণ্যা বর্তমান প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার আমার প্রতি বিশ্বাস আছে। তিনি ১৯৯৬ সালে আমাকে মনোনয়ন দিয়েছিলেন। আমি বিজয়ী হয়ে তার সম্মান রেখেছি। তার প্রতি আমার দৃঢ় বিশ্বাস তিনি আমাকে সঠিকভাবেই মূল্যায়ন করবেন। ’’ দলের সমর্থন না পাওয়া নিয়ে হাজী সেলিম বলেন- ‘‘আমি দলের পরীক্ষিত নেতা। দলের জন্য আমি অনেক মিথ্যা ও হয়রানিমূলক মামলার শিকার হয়েছি। জোট সরকারের আমলে আমার বিরুদ্ধে ১৩৭টি মিথ্যে মামলা দিয়ে আমাকে অন্যায়ভাবে জেলে পাঠানো হয়। সেখানে আমাকে শারিরিক ও মানসিবভাবে অত্যাচার করা হয়। তারপরও আমি রাজপথ ছাড়িনি। পুলিশের বর্বোরচিত হামলায় আমি বিভিন্ন সময় আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি ছিলাম। এমনকি ওয়ান ইলেভেনের সাজানো মামলার কারণে আমাকে আমার জীবনের নিরাপত্তায় আত্মগোপনও করতে হয়েছে। এসব সবই হয়েছে দলের সাথে সক্রিয়ভাবে জাড়িত থাকার কারনে। তাই জননেত্রী শেখ হাসিনা আমাকে মুল্যায়ন করবেন। বলে আশা রাখি এবং দলের মনোনয়ন বা সমর্থন না পাওয়ার প্রশ্নই ওঠেনা।’’

তবে দলের সমর্থন না পেলে নির্বাচনে অংশ নিবেন কিনা এমন প্রশ্ন উঠলে তিনি বলেন সেটা সময় বলে দেবে।

বিরোধী দলের অংশগ্রহণ: প্রধান বিরোধী দল বিএনপি বা চারদলীয় জোটের নির্বাচন অংশগ্রহণ নেওয়া না নেওয়া প্রসঙ্গে তিনি বলেন-
‘‘ বিএনপি বা তাদের চারদলীয় জোট নির্বাচনে আসবে কি আসবে না সেটা তাদের নিজস্ব ব্যাপার। তারা (বিএনপি) নির্বাচনে আসলে আমার লড়াইটা আরো জমবে। বিএনপি নির্বাচনে আসুক কিংবা না আসুক নির্বাচন কমিশন তফশিল ঘোষণা করলেই আমি পুরোদমে মাঠে নেমে যাবো। নির্বাচনে জনগণ সিদ্ধান্ত দেবেন।’’

ডিসিসি দক্ষিণ নিয়ে ভাবনা ঃ নির্বাচিত হলে ডিসিসি দক্ষিণ নিয়ে তার ভাবনা প্রসঙ্গে হাজী সেলিম বলেন-

‘‘ আমি মনে করি একজন নির্বাচিত প্রতিনিধির, জন মানুষের সাথে মিলেমিশে কাজ করার মনোভাবের পাশাপাশি তাদেরকে নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে কাজের সুশৃংখল পরিবেশ নিশ্চিত করতে হয়। আমি হলফ করে বলতে চাই আমার সেই অভিজ্ঞতা আছে এবং আমি ডিসিসির মেয়র পদে নির্বাচিত হলে প্রথমেই একটি সুন্দর ও সুশৃংখল কাজের পরিবেশ নিশ্চিত করতে পারব ইনশাআল্লাহ। আমি আমার ব্যক্তিগত নগর পরিকল্পনাবিধদের নিয়ে একটি ছক তৈরি করেছি। যা বাস্তবায়ন করে ঢাকা নগরীর উন্নয়নের একটি মাইল ফলক তৈরি করে যেতে চাই।’’ তার পরিকল্পনার মধ্যে রয়েছে-
সিসি ক্যামেরা স্থাপন: পরিকল্পিতভাবে স্পেশাল ইঞ্জিনিয়ার দ্বারা ঢাকা দক্ষিণের সমস্ত নগরী জুরে সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা এবং তাদের রক্ষণাবেক্ষণের ব্যবস্থা করা। এই ব্যবস্থার মাধ্যমে নগর সমস্যার অনেক কিছুকে মনিটরিং করে সুষ্ঠু সমন্বয় নিশ্চিত করা যাবে।

শিক্ষা ব্যবস্থায় থ্রিজি পদ্ধতি: পুরানো ঢাকার অনেক শিক্ষার্থী আছে যারা ভালো স্কুলগুলোতে পড়ার আশায় ঢাকার আইডিয়াল, ভিকারুননেসা, উত্তরা রাজউক স্কুল এন্ড কলেজের মত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে দৈনিক আসা যাওয়া করে। সেই কথা বিবেচনায় রেখে, উন্নত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর শিক্ষা ব্যবস্থাসহ পাঠদান কৌশল, অনুন্নত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে থ্রিজি পদ্ধতির মাধ্যমে প্রকাশ করা হবে। যাতে শিক্ষা ব্যবস্থাপনায় সমতা আনা ও অহেতুক প্রতিযোগিতা থেকে সবাইকে মুক্তি দেয়া যায়।

পঞ্চায়েত ব্যবস্থা: প্রতিটি ওয়ার্ডে কমিশনারদেরকে সভাপতি করে ১০ থেকে ১৫ জনের একটি দলকে পঞ্চায়েত ব্যবস্থার আওতায় নিয়ে আসা। যারা সমাজের বিভিন্ন সমস্যাকে চিহ্নিত করবে, সকলের মতামতের উপর ভিত্তি করে ওই সমস্যার সুষ্ঠু সমাধান দেবে এবং করপোরেশনের পক্ষ থেকে তা বাস্তবায়নের জন্য সর্বাতœক সহযোগিতা করবে ওই এলাকার ওয়ার্ড কমিশনার। এই পঞ্চায়েত কমিটি সমাজের ছোট খাটো বিচার কার্য নিষ্ঠা ও সততার সাথে পরিচালনা করবে। যার মাধ্যমে থানা পুলিশের অহেতুক দৌরাত্ব কমে যাবে।

যানজট নিরসন: দেড় কোটি জনসংখ্যার এই শহরে স্বল্প সংখ্যাক ট্রাফিক পুলিশের একার পক্ষে যানজট নিরসন করা সম্ভব নয়। এ ক্ষেত্রে সিটি করপোরেশন এর পক্ষ থেকে ট্রাফিক কার্যক্রম এর উপর প্রশিক্ষিত একটি দল সবসময় ট্রাফিক পুলিশকে সহযোগিতা করার মাধ্যমে নগরের যানজট নিরসনে অগ্রনী ভূমিকা পালন করবে। যানজট নিরসনে ভৌত অবকাঠামোগত উন্নয়নসহ আরও বেশ কিছু পদক্ষেপ নেয়া হবে।
বিশুদ্ধ পানির সরবরাহ: ১০০ টি বিশুদ্ধ খাবার পানির গাড়ি ব্যবস্থা করে ঢাকা সিটি করপোরেশন দক্ষিণের ওয়াসার পানির পাশাপাশি বিশুদ্ধ খাবার পানির সরবরাহ নিশ্চিত করবো।

গণ কবরস্থান নির্মাণ: লোক সংখ্যা অনুযায়ী আমাদের ঢাকা দক্ষিণে গণকবরস্থানের সংখ্যা অত্যন্ত কম৷ যার কথা বিবেচনা করে ঢাকার দক্ষিণে গণ কবরস্থান স্থাপন করার পরকল্পনা রয়েছে৷
মনিটরিং সেল গঠন: ওয়াসা, ডেসা, ও তিতাসের কাজের সাথে সুষ্ঠু সমন্বয় নিশ্চিত করতে একটি মনিটরিং সেল প্রতিষ্ঠা করার মাধ্যমে নির্দিষ্ট সময়ের ছকে পরিকল্পিত রাস্তাঘাট উন্নয়ন, সংস্কার ও মেরামতের ব্যবস্থা করা হবে।

তিনি আরও বলেন, ‘‘এছাড়া আমি বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন প্লাটফর্ম থেকে ঢাকা মহানগরীর সন্ত্রাস, যানজট, দূষন, মশামুক্ত নিরাপদ নগরী গড়ে তুলতে সহযোগিতা করেছি৷ তারপরও আমার মধ্যে একটি দীর্ঘশ্বাস কাজ করেছে৷ হয়তবা আমি একটি নির্দষ্ট প্রশাসনিক প্লাটফর্ম থেকে কাজ করতে পারলে আমার ভিতরে দীর্ঘদিনের তিল তিল করে গড়া লালিত স্বপ্নগুলোকে দ্রুত বাস্তবায়িত করতে পারতাম৷ আমরা সকলেই জানি, গতকালের কুড়ি আজকের ফুল, আগামীকাল সে ফুল ঝরে যাবেই৷ এটাই কঠিন বাস্তবতা, আমিও হারিয়ে যাওয়ার আগে আমার জন্মভূমি ঢাকার জন্য কিছু কাজ করে যেতে চাই, যার মাধ্যমে আমি আমরণ ঢাকাবসীর কাছে বেঁচে থাকব৷ সেই সাথে আগামী প্রজন্ম আমাকে অনুস্মরণ করবে ও আমার কৃতকার্যের জন্য আমাকে স্মরণ রাখবে৷ আমি জানি আমার এ পথ গভিড় ও কন্টকাকীর্ণ, তবুও আমি প্রতিজ্ঞা করেছি ঘুমিয়ে যাওয়ার আগে আমাকে এ কাজগুলো করে যেতে হবে৷’’

দেড় ঘন্টারও বেশি অলিখিত এই অনলাইন আড্ডায় তার সাথে তার বাল্যকাল, শিক্ষাজীবন, ব্যবসায়িক, পারিবারিক জীবন নিয়ে কথা হয়। এসব নিয়ে তার উল্লেখযোগ্য কথামালা তুলে ধরা হলো-
হাজী মোঃ সেলিম ১৯৫৮ সালের ১০ মে ঐতিহ্যবাহী পুরাতন ঢাকার লালবাগ এলাকার সম্ভ্রান্ত এক মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। আমার বাবার নাম মরহুম চাঁন মিয়া সরদার, মাতার নাম বেগম সালেহা খাতুন। বাবা ছিলেন পুরানো ঢাকার একজন ব্যবসায়ী।

বাল্যকাল: বাল্যকাল প্রসঙ্গে তিনি বলেন-
‘‘ আমি ছেলে বেলায় খুব ডানপিটে স্বভাবের ছিলাম। সেই সাথে প্রচণ্ড জেদি আর সাহসীও ছিলাম। খুব ছোট বেলা থেকেই কোন কিছুতে হার না মানাই ছিলো আমার স্বভাব ও চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য। যে কারণে জীবনের প্রায় বেশিরভাগ কাজে নিজেকে সফলভাবে একটি পর্যায়ে দাঁড় করাতে সক্ষম হয়েছি।

নানুর খুব আদরের নাতি হওয়ার কারণে শৈশব ও কৈশরের বেশির ভাগ সময় কেটেছে আমার নানু বাড়ি গেন্ডারিয়াতে।

শিক্ষা জীবন: শিক্ষাজীবন প্রসঙ্গে হাজী সেলিম জানান-
‘‘পুরানো ঢাকার ঐতিহ্যবাহী বিদ্যাপীঠ “নবকুমার হাই স্কুলে” আমি আমার স্কুল জীবনের শুরু। স্কুল জীবনেও আমি আমার সহপাঠি ও শিক্ষক মহলে থেকেছি জনপ্রিয়তার শীর্ষে। আমার শিক্ষা জীবনের ব্যাপ্তি বেশি একটা বড় নয়। স্কুল জীবন পার করতে না করতেই পিতার মৃত্যুর কারণে খুব অল্প বয়স থেকেই পৈত্রিক ব্যবসায় নিজেকে নিয়োজিত করি।

ব্যবসায়িক জীবন: ব্যবসায়িক জীবন সম্পর্কে তিনি বলেন-
‘‘ আমি আমার বাবার ব্যবসার পাশাপাশি ১৯৭৮ সালে কোতোয়ালি থানাধীন বাদামতলীতে খুব অল্প পুঁজি ও দুই তিনজন কর্মচারী নিয়ে মদিনা ট্রেডিং করপোরেশন নামে একটি ছোট ব্যবসা প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলি। পরবর্তীতে আমার নিরলস প্রচেষ্টা, কঠোর পরিশ্রম, মেধা, প্রজ্ঞা, সাহস আর সততার সাথে ব্যবসায়িক কার্যক্রম পরিচালনার ফলে অতি অল্প সময়ের “মদিনা গ্র“প” নামে বাংলাদেশের একটি অন্যতম সফল ব্যবসা প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠিত করে আমি একজন সফল শিল্পপতি হিসাবে আত্মপ্রকাশ করি। বর্তমানে আমার প্রতিষ্ঠিত গ্র“প অব কোম্পানিতে অনেক প্রতিষ্ঠান রয়েছে।

পারিবারিক জীবনে বড় ছেলে সোলায়মান সেলিম যুক্তরাজ্যে রাষ্ট্র বিজ্ঞানের ছাত্র। মেজো ছেলে ইরফান সেলিম কানাডার “ইয়োর্ক ইউনিভার্সিটিতে” বিবিএ অধ্যয়নরত। ছোট ছেলে আশিক বাংলাদেশের আই এস ডিতে “ও” লেভেলে অধ্যয়নরত।

***
সংবাদটি আমার (কামাল শাহরিয়ার) নিজের