ক্যাটেগরিঃ স্বাধিকার চেতনা

 

মহান স্বাধীনতা যুদ্ধকালীন সময়ের পাকিস্তানের দোসর গোলাম আযম কি সরকারের সাথে জিতে গেলেন? আমাদের আইনমন্ত্রী, আইন প্রতিমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীসহ অনেক মন্ত্রীই বলেছিলেন এবারের ১৬ ডিসেম্বর মহান বিজয় দিবসের আগে গোলাম আযমকে গ্রেফতার করা হবে। কিন্তু কৈ তাকে গ্রেফতার তো করা হয় নি বরং তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারের আদেশ একের পর এক পিছিয়ে যাচ্ছে। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুনাল নাকি এলোমেলো অভিযোগ আমলে নেননি। গোলাম আযম সহসাই গ্রেফতার না করতেই কি এধরনের কালক্ষেপন। তেমনটা মনে হচ্ছে আমার। গোলাম আযমকে গ্রেফতার করা গেল না এটা আমার কাছে স্বাধীন বাংলার নাগরিক হিসেবে বেশ লজ্জার। হয়ত আমার মতো বাংলাদেশের কোটি কোটি মানুষের লজ্জা হচ্ছে। কিন্তু আমাদের সরকার, আইন মন্ত্রণালয়, মন্ত্রী, তদন্ত কমিটি কিংবা আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুনাল সংশ্লিষ্টদের লজ্জা করছে না।

গত বছর জুলাইয়ের দিকে আইন প্রতিমন্ত্রী এড. কামরুল ইসলাম এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাহারা খাতুন বলেছিলেন ২০১০ সালের ডিসেম্বরের মধ্যেই গোলাম আযমকে গ্রেফতার করা হবে। তাদের এমন কথা শুনে গোলাম আযম সাংবাদিকদের বলেছিলেন বললেই কাউকে গ্রেপ্তার করা যায় না। সেসময় আমাদের অনেক সাংবাদিক তাকে প্রশ্ন করেছিল, ‘‘ আপনি গ্রেপ্তার আতঙ্কে আছেন কি?’’ এ প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেছিলেন, ‘‘ আমি গ্রেপ্তার নিয়ে ভাবি না। সরকার বিচারের নামে প্রহসন শুরু করেছে। এটা এক ধরনের রাজনৈতিক হয়রানি করার চেষ্টা।’’

সেবার ১৬ ডিসেম্বরের আগে বাংলাদেশের বেশিরভাগ পত্রিকারই সংবাদের শিরোনাম হয়েছিলেন গোলাম আযম। কিন্তু বিজয় দিবস পার হলো। গ্রেপ্তার হননি গোলাম আযম। গ্রেপ্তার দুরে থাক। তার বিরুদ্ধে কোন অভিযোগের প্রতিবেদন দেয়া হয়নি। সেসব কারণ দেখিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা যায় নি বলে জানিয়েছিল সরকার।

সেবার আমার বেশ লজ্জা লাগছিল। আসলে কি সরকার গোলাম আযমকে গ্রেপ্তার করতে চাচ্ছে। এমন প্রশ্ন আমার মাথায় ঘুরপাক খাচ্ছিল। তারপরও আশা ছাড়িনি। আমি অনেক সিনিয়র সাংবাদিকদের সাথে এ নিয়ে আলোচনা করার সময় তারা বলেছিলেন, যুদ্ধাপরাধীর বিচার গ্রহণযোগ্য করতে চাইলে সরকারকে অবশ্যই গোলাম আযমকে গ্রেপ্তার করবে।

এরপর নানা জল্পনা-কল্পনা। মাঝখানে যুদ্ধকালীন সময়ে নানা অভিযোগে অনেকের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করা হয়েছে। কিন্তু এখোনো দাখিল হয়নি গোলাম আযমের বিরুদ্ধে অভিযোগের চার্জশীট। যদি গোলাম আযমের মতো যুদ্ধাপরাধীকে গ্রেপ্তার না করা যায় তবে সে বিচারের কার্যক্রম চালিয়ে লাভ কি?

এবছরের মার্চ থেকে শুরু করে ডিসেম্বরের ১২ তারিখ পর্যন্ত সরকারের উচ্চমহল থেকে বার বার বলা হয়েছে বিজয়ের ৪০ বছর উদযাপনে এবার ১৬ ডিসেম্বরের আগেই গোলাম আযমকে গ্রেপ্তার করা হবে। এমন বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে সরকার পুরোপুরি ব্যর্থ হয়েছে। ১৬ ডিসেম্বর আটক হওয়া দূরে থাক তার বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র গ্রহণ করেনি ট্রাইবুনাল। এটা কতটা লজ্জার সেটা হয়ত ভাষায় প্রকাশ করা যাবে না।
আমার মত বাংলাদেশের মানুষ আশা করেছিল অবশ্য ২৬ ডিসেম্বর গোলাম আযমকে গ্রেপ্তার করার আদেশ আসবে। কিন্তু সেটাও হলো না। তাকে এত সহজে আটক করা যাবে না বলে গোলাম আযম সরকারকে যে হুমকী দিয়েছিল সেটাই সত্যি হলো। তার মানে গোলাম আযমের কাছে হেরে গেল ট্রাইবুনাল ও সরকার। শুধু হারাই নয় নিলজ্জের মতো ট্রাইবুনাল শুনানি তারিখ পরিবর্তন করছে।

গোলাম আযমকে গ্রেপ্তার নিয়ে মিডিয়ার যখন তোলপাড় শুরু হয় হয় তখন সাক্ষাতকারে গোলাম আযম সরকারকে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে বলেন তিনি সব অবস্থা জন্য প্রস্তুত আছেন। এছাড়া মুক্তিযুদ্ধের সময় তার অবস্থান নিয়ে অনুতপ্ত নয় বলেও তিনি জানান। এসব কথা শুনে আশা করেছিলাম সরকারের এবার হয়ত টনক নড়েছে। কিন্তু আমার আশা বারবার মিথ্যে করে দিচ্ছে সরকার ও ট্রাইবুনাল। মনে হচ্ছে গোলাম আযমের কাছে ইচ্ছে করে হারছে ট্রাইবুনাল ও সরকার।

গোলাম আযমের গ্রেপ্তারের আদেশ নিয়ে ট্রাইবুনালের রেজিষ্টার বললেন, তদন্ত করার সময় গোলাম আযমকে গ্রেপ্তারের আবেদন করা হয়নি। তাই বিধিমালা অনুযায়ী তাকে গ্রেপ্তারের বিষয়ে শুনানি করা সম্ভব হয় নি।

যদি গোলাম আযমকে গ্রেপ্তার না করার আবেদন করা হয় তবে তার বিরুদ্ধে তদন্ত করার কি প্রয়োজন ছিল। আবার যদি তদন্তই করা হলো তবে তাকে আটকের আবেদন করা হয়নি কেন। এপ্রশ্নের উত্তর নিয়ে আমি দ্বিধা-দ্বন্দ্বে আছি। জানি না কবে এই প্রশ্নটির উত্তর মিলবে আর গ্রেপ্তার করা যাবে গোলাম আযমকে। আমি বা আমার মত বিচার প্রত্যাশিরা তাকিয়ে থাকবে ততদিন। যতদিন না পর্যন্ত গ্রেপ্তার এবং বিচার না হয় গোলাম আযমের।

যেদিন তাকে আটক করা হবে সেদিন আমার মনের তৃপ্তি ভরবে। সে আশায় আমি কোটি বাঙ্গালির মত বুক বেঁেধ থাকলাম। কিন্তু যতদিন না গোলাম আযম গ্রেপ্তার হচ্ছে ততদিন আমি মনে করব সরকার গোলাম আযমকে ভয় পায়। তার চ্যালেঞ্জকে ভয় পেয়ে তাকে গ্রেপ্তার করছে না এবং তার কাছে লজ্জাজনকভাবে হেরে যাচ্ছে।

আমি উপরের প্রত্যেকটা লাইনে গোলম আযমকে যুদ্ধাপরাধী বলেছি। জানিনা প্রচলিত আইনে এটা কোন লঙ্ঘন হয়েছে কিনা। তবে আমি তদন্ত প্রতিবেদন না পরে গোলাম আযমকে যুদ্ধাপরাধী পাকিস্তানের দোসর বলেছি। সেটা প্রমাণের জন্য কিছু তথ্য নিচে উল্লেখ করালম-

১৯৭১ সালের রাজনৈতিক ভূমিকাঃ
১৯৭১ সালে গোলাম আযম বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের তীব্র বিরোধীতা করেন। তাঁর দল জামায়াতে ইসলামীও একই মত ও পথ অনুসরণ করে।
২৫ শে মার্চ রাতে সংঘটিত অপারেশন সার্চলাইট এর ছয় দিন পর গোলাম আযম ঢাকা বেতার কেন্দ্র থেকে একটি ভাষণ দেন। এ ভাষণে তিনি ভারতের কড়া সমালোচনা করেন। তিনি বলেন, “ভারত সশস্ত্র অনুপ্রবেশকারী প্রেরণ করে কার্যত পূর্ব পাকিস্তানীদের দেশপ্রেমকে চ্যালেঞ্জ করেছে।…আমি বিশ্বাস করি যে, এই অনুপ্রবেশকারীরা পূর্ব পাকিস্তানী মুসলমানদের নিকট হেত কোন প্রকার সাহায্য পাবে না। সূত্র:
দৈনিক সংগ্রাম, ৭ এপ্রিল ১৯৭১।

গোলাম আযম মুক্তিযুদ্ধের শুধুমাত্র রাজনৈতিক বিরোধীতাই করেননি বরং তিনি এবং তাঁর দল জামায়াতে ইসলামী পাকিস্তান সেনাবাহিনীকে সাহায্য করতে রাজাকার, আলবদর, আলশামস্ প্রভৃতি বাহিনী গড়ে তোলেন। এরা পুরো মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকিস্তানী বাহিনীর পক্ষে কাজ করে।

৩০শে জুন লাহোরে সাংবাদিকদের কাছে গোলাম আযম বলেন, “তাঁর দল পূর্ব পাকিস্তানে দুস্কৃতকারীদের (মুক্তিযোদ্ধা) তৎপরতা দমন করার জন্য যথাসাধ্য চেষ্টা করছে এবং এ কারণেই দুস্কৃতকারীদের হাতে বহু জামায়াত কর্মী নিহত হয়েছে। ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল পাকিস্তানের অখন্ডতা রক্ষার উদ্দেশ্য ঢাকায় শান্তি কমিটি গঠন করা হয়। এর সদস্য ছিলেন পাকিস্তানপন্থী রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বরা। গোলাম আযম ও এই কমিটির সদস্য ছিলেন।

১৯৭১ সালের ৫ ও ৬ সেপ্টেম্বর দৈনিক সংগ্রাম এ গোলাম আযমের পশ্চিম পাকিস্তান সফরকালের একটি সাক্ষাৎকারের পূর্ণ বিবরণ দুই কিস্তিতে ছাপা হয়। এই সাক্ষাৎকারে তিনি মুক্তিবাহিনীর সাথে তার দলের সদস্যদের সংঘর্ষের বিভিন্ন বিবরণ ও পূর্ব পাকিস্তান পরিস্থতির ওপর মন্তব্য করেন। তিনি বলেন,

বিচ্ছিন্নতাবাদিরা জামায়াতকে মনে করতো পহেলা নম্বরের দুশমন। তারা তালিকা তৈরি করেছে এবং জামায়াতের লোকদের বেছে বেছে হত্যা করছে, তাদের বাড়িঘর লুট করছে জ্বালিয়ে দিয়েছে এবং দিচ্ছে। এতদসত্বেও জামায়াত কর্মীরা রাজাকারে ভর্তি হয়ে দেশের প্রতিরক্ষায় বাঁধ্য। কেননা তারা জানে ‘বাংলা দেশে’ ইসলাম ও মুসলমানদের জন্য কোন স্থান হতে পারে না। জামায়াত কর্মীরা শহীদ হতে পারে কিন্তু পরিবর্তিত হতে পারে না। (দৈনিক সংগ্রাম, ৬ সেপ্টেম্বর ১৯৭১)

নাগরিকত্ব বাতিলঃ
১৯৭৩ সালের ১৮ই এপ্রিল সরকারি এক আদেশে আরো ৩৮ জন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বের সাথে গোলাম আযমকেও বাংলাদেশের নাগরিক হবার অনুপযোগী ঘোষণা করা হয়।

গোলাম আযমের অপকীর্তি সম্পর্কে ১৯৭১ সালে বিভিন্ন পত্রিকায় প্রকাশিত তথ্যঃ
দৈনিক পাকিস্তান পত্রিকায় ১১ এপ্রিল, ১৯৭১ (২৮ চৈত্র, ১৩৭৭ বাংলা সন) তারিখে প্রকাশিত “ঢাকায় নাগরিক শান্তি কমিটি গঠিত” শিরোনামের খবরে বলা হয়,
“গত ৯ই এপ্রিল ঢাকায় প্রতিনিধিত্বশীল নাগরিকদের এক সভায় এক শান্তি কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটি খাজা খয়েরউদ্দিনকে আহ্বায়ক মনোনীত করেছে। কমিটিতে মোট ১৪০ জন সদস্য রয়েছেন। এই কমিটির বৃহত্তর ঢাকার ইউনিয়ন ও মহল্লা পর্যায়ে অনুরূপ কমিটি গঠনের ক্ষমতা রয়েছে। কেন্দ্রীয় কমিটির পরিচালনায় এগুলো কাজ করবে।

দৈনিক সংগ্রাম পত্রিকায় ১৩ এপ্রিল, ১৯৭১ তারিখে প্রকাশিতখবরে বলা হয় ১২ এপ্রিল ১৯৭১ তারিখে পরিচালিত শান্তি কমিটির মিছিল শেষে গোলাম আযমের নেতৃত্বে পরিচালিত মোনাজাত সম্পর্কে বলা হয়,
পাকিস্তানের সেনাবাহিনীকে সত্যিকারের মুসলিম সৈনিক হিসেবে দেশরক্ষার যোগ্যতা অর্জনের জন্য আল্লাহর দরগাহে দোয়া করেন। সত্যিকারের মুসলমান ও পাকিস্তানী হিসেবে বেঁচে থাকার ও পাকিস্তানে চিরদিন ইসলামের আবাসভূমি হিসেবে টিকিয়ে রাখার জন্য সর্বশক্তিমানের নিকট দোয়া করেন।”

*গোলাম আযম বলেছিলেন, পাকিস্তান যদি না থাকে তাহলে জামাত কর্মীদের দুনিয়ায় বেঁচে থেকে লাভ নাই।
(দৈনিক সংগ্রাম/ ২৬ সেপ্টেম্বর, ১৯৭১)

*১৯৭১ সালে গোলাম আযম বলেছিলেন, বাংলাদেশ নামের কিছু হলে আমি আত্মহত্যা করবো।
(নাগরিকত্ব মামলার শুনানিতে এটর্নি জেনারেল/ ভোরের কাগজ, ০৯.০৫.৯৪)

*রাজাকারদের সমাবেশে গোলাম আযম বলেন, কালেমার ঝান্ডা উঁচু রাখার জন্য রাজাকারদের কাজ করে যেতে হবে।
(দৈনিক সংগ্রাম/ ১৭ সেপ্টেম্বর, ১৯৭১)

*দুষ্কৃতিকারীদের ধ্বংস করার কাজে পূর্ব পাকিস্তানের জনগণ সশস্ত্র বাহিনীকে পূর্ণ সহযোগিতা করছে।
(দৈনিক সংগ্রাম/ ২৭ আগস্ট, ১৯৭১)

*পূর্ব পাকিস্তানের প্রতিটি মুসলমান নিজ নিজ এলাকার দুষ্কৃতিকারীদের তন্ন তন্ন করে তালাশ করে নির্মূল করবে।
(দৈনিক সংগ্রাম/ ১২ আগস্ট, ১৯৭১)

*দুষ্কৃতিকারীদের মোকাবেলা করার উদ্দেশ্যে দেশের আদর্শ ও সংহতিতে বিশ্বাসী লোকদের হাতে অস্ত্র সরবরাহ করার জন্য আবেদন করছি।
(দৈনিক সংগ্রাম/ *তারিখ পাওয়া যায়নি, ১৯৭১)

*১৬ অক্টোবর ১৯৭১, বায়তুল মোকারমে তৌহিদী জনতার এক সভায় গোলাম আযম বলেন, তথাকথিত বাংলাদেশের আন্দোলনের ভুয়া শ্লোগানে কান না দিয়ে পাকিস্তানকে নতুনভাবে গড়ে তোলার আহ্বান জানাচ্ছি।
(দৈনিক পাকিস্তান/ ১৭ অক্টোবর, ১৯৭১)

*গোলাম আযম বলেন, কোন ভাল মুসলমানই তথাকথিত বাংলাদেশের আন্দোলনের সমর্থক হতে পারে না। রাজাকাররা খুব ভাল কাজ করছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন
(দৈনিক সংগ্রাম/ ০২ অক্টোবর, ১৯৭১)

*বর্তমান মুহূর্তে আক্রমণাত্মক ভূমিকা গ্রহণ করাই হবে দেশের জন্য আত্মক্ষার সর্বোত্তম ব্যবস্থা।
(দৈনিক সংগ্রাম/ ২৪ নভেম্বর, ১৯৭১)

*গোলাম আযম বলেন, পূর্ব পাকিস্তানে জামাতে ইসলামের কর্মীরা বেশিরভাগ রেজাকার, আলবদর, আল শামস বাহিনী গঠন করে মুক্তিবাহিনীর সাথে যুদ্ধ করছে এবং প্রাণ দিচ্ছে। এখানে জামাতের অবদানই বেশি সুতরাং পূর্ব পাকিস্তান থেকে প্রেসিডেন্ট বা প্রধানমন্ত্রী হলে জামায়েত থেকেই হতে হবে।
( বাংলাদেশের ছাত্র আন্দোলনের ইতিহাস, চতুর্থ খন্ড, মুক্তিযুদ্ধ পর্ব)

*১৯৭৩ সাল থেকে ১৯৭৬ সাল পর্যন্ত গোলাম আযম সব মিলিয়ে ৭ বার সৌদি বাদশা ফয়সলের সঙ্গে দেখা করেন। প্রতিটি বৈঠকেই তিনি সৌদি বাদশাহকে বাংলাদেশকে স্বীকৃতি না দেয়ার জন্য অনুরোধ করেন। একই সঙ্গে এই সময়কাল জুড়ে বাংলাদেশকে কোন প্রকার আর্থিক ও বৈষয়িক সাহায্য সহযোগিতা না করার জন্য মুসলিম দেশগুলোকে প্ররোচিত করার আপ্রাণ চেষ্টা করেন।
( ভোরের কাগজ, ১১.০৩.৯২)

***
সংবদটি নিজের (কামাল শাহরিয়ার) করা