ক্যাটেগরিঃ ক্যাম্পাস

কিছুদিন আগে আমি আফ্রিকার একটি স্কুল প্রোগ্রাম বিষয়ক তথ্যচিত্র দেখলাম যেখানে ওরা তৃতীয় শ্রেণি থেকে সপ্তম শ্রেণি পর্যন্ত কয়েকটি ক্লাসের ইংরেজি বিষয় নিয়ে পাঠদান কার্যক্রম দেখিয়েছিলো। একটি গুরুত্বপূর্ণ জিনিস যা আমাকে অবাক করলো তা হলো শিক্ষক কর্তৃক ছাত্রদের ইংরেজিতে কথা বলা শেখানো  এবং আরো আকর্ষণীয় বিষয় ছিল তাদের ছাত্রদের জন্য দ্বিপথ কথোপকথন তৈরীর সঠিকতা এবং দক্ষতা।

আমি বেশ কিছু কারণে এই তথ্যচিত্র এর কথা উল্লেখ করছি। সর্বপ্রথমে, কথ্য ইংরেজি এর গুরুত্ব: আমাদের দেশে, আমরা সাধারণত লিখিত ইংরেজি এর গুরুত্ব বেশি দিয়ে থাকি এবং কথ্য অংশ কম গুরুত্ব দেই। আমরা সম্পূর্ণভাবে ইংরেজি শোনা উপেক্ষা করি আমাদের প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরে। ফলে, এমনকি স্নাতকোত্তর শেষ করার পর আমাদের ছাত্ররা যখন এটা তাদের বাস্তব জীবনে প্রয়োজন তখন সঠিকভাবে ইংরেজি ব্যবহার করতে সক্ষম হয় না।

উপরন্তু, একটি বিদেশী ভাষা শেখা হলো  চারটি অংশ এর সমন্বয়: পড়া, লেখা, শোনা এবং বলা। যারা আইইএলটিএস বা টোফেল পরীক্ষার কথা শুনেছেন এই কাঠামো তাদের পরিচিত কিন্তু আমাদের দেশে এই বিন্যাসে একাডেমিক পাঠ্যসূচি অনুসৃত হয় না। সুতরাং শিক্ষার শুরুর পর্যায়ে এই কাঠামো বজায় রাখা হলে এটা ছাত্রদের জন্য ভবিষ্যতে আরও কার্যকর হবে।

তাছাড়া, বর্তমান বিশ্বায়নের যুগে ও প্রযুক্তি নির্ভরশীল বিশ্বের সঙ্গে  তাল মিলাতে হলে ইংরেজি বলা এবং শোনার দক্ষতা অর্জন করা ছাড়া কোন বিকল্প উপায় নেই যা শুধু লিখিত ইংরেজি শিক্ষা কার্যক্রমকে সমর্থন করে।

আমার মনে হয় এখন অনুকূল সময়, কারণ আমি একটি পত্রিকায় একটি নিবন্ধ পড়েছি আমাদের সরকার মাধ্যমিক শিক্ষা স্তরের পাঠ্যক্রম পর্যালোচনা করতে যাচ্ছে। তাই আমি আন্তরিকভাবে আমাদের সরকারকে অনুরোধ করবো, আরো অনেক বাস্তবমুখী উপায়ে ইংরেজি শেখানোর এই প্রমিত বিন্যাস অনুসরণ করার জন্য যাতে ছাত্ররা সত্যিকার অর্থে ইংরেজি শিক্ষায় দক্ষ হয়ে ওঠে।