ক্যাটেগরিঃ স্বাধিকার চেতনা

১। স্বাধীনতা যুদ্ধের সবচেয়ে সেরা সেনানায়ক, অসাধারণ দেশপ্রেমিক লোকটির রোমাঞ্চকর যুদ্ধের বর্ণনা লিখতে গেলে অযুত বছর লেগে যাবে। প্রত্যেকটি স্কুল পড়ুয়া কিশোরী, বিশ্ববিদ্যালয়ের আঙ্গিনায় সদ্য পা রাখা তরুণী, যৌবনে নাম লেখানো প্রাণবন্ত যুবতী রুপকথার কাহিনীকে হার মানানো এই যুবকের প্রেমে পড়তে বাধ্য, যদি তারা তাঁর সম্পর্কে জানতে পারত। আর বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর যখন সবাই গর্তে ঢুকে পড়েছিলেন সেই সময়ে বঙ্গবন্ধুকে হত্যার বিচারের দাবিতে প্রথম যে মিছিলটি হয়েছিল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় সেটি এই খালেদের মায়ের নেতৃত্বেই হয়েছিল।
নয় মাসের সশস্ত্র যুদ্ধের হিরো, কে ফোর্সের প্রধান, অসীম সাহসী সেনানায়ক খালেদ মোশাররফকে কয়জনই বা মনে রেখেছে??

২। দেশপাগল ছেলে। যুদ্ধের প্রথম দিকেই হাত হারানো ক্যাপ্টেন বসে থাকেননি। মেলাঘর থেকেই খালেদের সাথে ঢাকার ছেলেদের নিয়ে ক্যাপ্টেন হায়দার তৈরী করেন পাকিস্তানীদের জম ক্র্যাক প্লাটুন। কাহিনী তো সবাই জানেনই। আর তাঁর বোন ক্যাপ্টেন ডা. সিতারা বেগম বীরপ্রতীক, সে আরেক ইতিহাস..। ভাইবোন দুজন মিলে দেশকে যা দিয়েছেন দেশ কী তাঁদের প্রতি সামান্য কৃতজ্ঞতাটুকুও জানাতে পেরেছে?

আচ্ছা যে লোকগুলো ১৯৭১ সালে প্রকাশ্য যুদ্ধে আমাদের নেতৃত্ব দিয়েছেন সেই মানুষগুলোর হত্যাকারী খুনী, মুক্তিযোদ্ধার ছদ্মবেশে পাকিস্তানী এজেন্ট জিয়াউর রহমান আর তৎকালীন জাসদ সহ অন্যান্য বাহিনীর খুনী লোকগুলো কি বিচারের সম্মুখীন হবে না?? অন্তত মরণোত্তর বিচার তো হতে পারত এইসব বিশ্বাসঘাতক জিয়াউর রহমানদের!