ক্যাটেগরিঃ সিটিজেন জার্নালিজম

 

অনেকদিন ধরেই লগ-ইন করবো করবো করেও করা হচ্ছিল না। বিডিনিউজের সিটিজেন জার্নালিজম একটি নতুন আইডিয়া। ব্লগ সংস্কৃতি বাংলাদেশে নতুন হলেও ২০০৬ সাল থেকে আমার পর পুরণ ব্লগারদের কাছে ব্লগ তার নতুনত্ব হারিয়েছে। আমরা পরিবর্তানের কথা বলি। সেটা রাষ্ট্র হোক, রাষ্ট্রের জনগণ হোক। আমরা চাই পরিবর্তন। যে পরিবর্তনের সূত্র আমাদের অনেক দূর টেনে নিয়ে যাবে। যদিও বিডিনিউজ বলতে চায়- “সব কিছু বদলাতে নেই।” তবে বিডিনিউজের এমন নতুন আইডিয়া সত্যিই প্রশংসার যোগ্য। নাগরিকদের জার্নালিসমের সুযোগ করে দেয়ার মতো অসাধারণ কাজটি আমাকে মুগ্ধ করলো। আমাদের সমাজে নানান সমস্যা প্রতিদিন পোহাতে হয়। একজন শহুরে মানুষকে যদি হুট করে প্রশ্ন করেন আপনি কেমন আছেন? তিনি কিন্তু মিষ্টি হেসে বলবেন- আমি ভালো আছি। আবার ধরুন কোন যানজটে আটকে থাকা গাড়ির একজন যাত্রীকে প্রশ্ন করলেন আপনি কেমন আছেন? তিনি বিরক্ত হয়ে বললেন- এমন জ্যামে কেই বা ভালো থাকে রে ভাই?
প্রশ্ন হচ্ছে- সমস্যার ভেতর যাওয়ার সময় আমরা শুধু ঐ নির্দিষ্ট বিষয়টা নিয়েই ভাবি। এই জন্যই কিন্তু আমরা সুখি। যদি তা না হতো তবে সারাদিনের সমস্যাগুলোর লিষ্টিগুলো হবে এমন।

১. সকালে ঘুম থেকে উঠে দেখলেন পানির কলে পানি নাই।
২. বিদ্যুৎ নাই।
৩. ঘর থেকে বের হলেন। সিএনজি খুজতে গিয়ে বিপাকে। আপনার গন্তব্যে কেউ যাবে না। গেলেও ২০টাকা বাড়ায়া দিতে হবে।
৪. বাসে উঠতে গেলে দেখবেন- কাউন্টারের সামনে লম্বা লাইন। সিটিং সার্ভিসের কথা থাকলেও বাসে উঠে ঠেলাঠেলি করে দাড়িয়ে থাকতে হবে। কপালগুণে আপনি সিট পেয়ে যেতে পারেন।
৫. রাস্তার দীর্ঘ যানজটে আপনাকে পড়তে হবে। অফিস যদি হয় সকাল ৯টায় তাহলে আপনাকে বের হতে হবে ৭টা ৩০ মিনিটে।
৬. স্কুল-কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়- অফিস যেখানেই যান না কেন কোন কিছুই আপনার মন মতো হবে না।
৭. ঘরে ফেরার পথে ঠিক একই ঝামেলা আপনাকে পোহাতে হবে। অর্থাৎ একই সমস্যা আপনি দিনে দুইবার অন্তত পোহাবেন।
৮. ঘরে ফেরার পর তো কথাই নাই। বিদ্যুৎ নাই। পানি নাই। বাজার দর চরমে। রাজনৈতিক ব্যক্তিদের টিভিতে দেখে মেজার গরম। ইত্যাদি ইত্যাদি।

এইতো গেলো ন্যূনতম কিছু সমস্যা। আমি কিন্তু নাগরিকদের প্রতিদিনকার সামান্য কিছু সমস্যার কথা দিয়ে ব্লগিংটা শুরু করলাম। বিডিনিউজের নাগরিক সাংবাদিকতার শুরুর রিপোর্ট।