ক্যাটেগরিঃ কৃষি

 

কৃ্ষিবিদ জাদুঘরঃ প্রয়োজনীয়তা ও সম্ভাবনা:
বাংলাদেশিরা এক লক্ষ সাতচল্লিশ হাজার পাঁচশত সত্তর বর্গ কিঃ মিঃ ভুমি আর সাত কোটি বাঙালি নিয়ে স্বাধীন সত্তা হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে। আজ ভূখন্ড বাড়েনি? অথচ বাঙালি সংখ্যা পনেরো কোটি! আবার কেউ না খেতে পেয়ে মারা যাচ্ছে না। এই বিশাল জনসংখ্যাকে উৎপাদন বাড়িয়ে, নুতুন উচ্চফলনশীল প্রজাতি, প্রযুক্তি আবিষ্কার খেয়ে-পরে চলেছে বাংলার কৃষক আর কৃ্ষিবিদ সমাজ? অথচ তাদের স্বীকৃ্তি দিতে অনেকের অনীহা?! অবশ্য শুধু কৃ্ষিবিদ নয়, তথাকথিত টকশো করা, তেল মারা বিজ্ঞানী বা শিক্ষক ছাড়া গবেষণায় নিবেদিতপ্রাণ গবেষক, বিজ্ঞানী ও শিক্ষকগণ অবহেলিত ও বঞ্ছিত; জাতির এই সন্তানরা বাংলাদেশ ছেড়ে বিলেতে পাড়ি জমাতে তাই বাধ্য হচ্ছে।

যাহক গে, তাই কৃ্ষিবিদ সমাজের অবদানকে স্বীকৃতি দিতে, পরবর্তী প্রজন্মকে জানার সুযোগ করে দিতে কৃ্ষিবিদ জাদুঘর প্রয়োজন। আর যখন কৃ্ষিবিদের প্রাণের দাবি “কৃ্ষিবিদ কমপ্লেক্স” নির্মাণাধীন, তখন কমপ্লেক্সের একটি কর্ণারে কৃ্ষিবিদ জাদুঘরের প্রয়োজনীয়তাকে বাস্তবসম্মত করে তোলে। এ নিয়ে কৃ্ষি ঐতিহ্য অনুসন্ধান ও সংরক্ষন সমিতি,শেকৃ্বি দাবি জানিয়ে আসচ্ছে।