ক্যাটেগরিঃ রাজনীতি

বাংলাদেশ একটি স্বাধীন দেশ। এ প্রশ্নের মিমাংসা হয়েছে এক রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের মাধ্যমে পাকিস্তানী সেনাবাহিনীকে পরাজিত করে ।
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পরাজিত কোন শক্তিরই কোন অস্তিত্ব নেই জার্মানী বা ইটালীতে (হিটলারের ‘নাজি পার্টি‘ বা ন্যাশনাল সোসালিস্ট ওয়ার্কারস পার্টি এবং মুসোলিনী‘র ন্যাশনাল ফ্যাসিস্ট পার্টি )। বিশ্বযুদ্ধের পর দেশ দু‘টির নেতারা শুধু নন, সারা বিশ্বের বিজয়ী শক্তি হিটলার আর মুসোলিনীর অনুসারীদের খুঁজে খুঁজে বের করেছে আর মানবতা বিরুদ্ধে যুদ্ধের জন্যে যুদ্ধাপরাধের বিচার করেছে। মানবাধিকারকে প্রতিষ্ঠা করতে এই সব বিচার অবশ্যই গুরুত্ত পূর্ণ ভুমিকা রেখেছে। এখনো বিভিন্ন দেশে পরাজিতদের বিচারের কাঠগড়ায় দাঁড় করানো হচ্ছে। আগামীতেও হবে
আধুনিক কালে ১৯৯২ থেকে ১৯৯৫ পর্যন্ত বসনিয়া ও হার্জেগোভিনায় যুদ্ধাপরাধের জন্যে ইউরোপে এর মুল হোতাদের বিচার হয়েছে।
স্বাধীন বাংলাদেশে স্বাধীনতার বিরোধী জামায়াত সহ অন্যান্য স্বাধীনতার বিরোধী অপ শক্তির- ই কোন অধিকার নেই রাজনীতি করার । ১৯৭২ সালের সংবিধানেও সেই অধিকার দেয়া হয়নি। ১৯৭৫ সালে বঙ্গবন্ধুর দুঃখজনক হত্যাকাণ্ডের পর থেকে তৎকালিন সামরিক সরকার আইনী সহায়তা দিয়ে এই সংগঠগুলোকে রাজনীতিতে পূনর্বাসন করেছে, মন্ত্রী বানিয়েছে এমন কি তাদের বাড়ীতে/গাড়িতে আমদের পবিত্র জাতীয় পতাকা উড়ানোর সুযোগ করে দিয়েছে যা আজ দেশের জন্যে কাল হয়ে দাড়িয়েছে। এদের রুখতে না পারলে এ দেশে শান্তি কোন দিনই আসবে না । এদের বিনাশ করতে হবে যে কোন মূল্যে। আর বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল এদের সাথে জোট বদ্ধ ভাবে থাকলে তাঁর খেসারৎ তাদেরকেই দিতে হবে। অনেক মুল্যে। এখন সময়ের দাবী সকল মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তির ঐক্যমত্য হওয়ার।