ক্যাটেগরিঃ রাজনীতি

 

মানুষ আগুনে পুড়ছে। জামাত/শিবির পেট্রোল বোমায় মানুষের শরীর আগুনে ঝলসে যাচ্ছে। রাজনীতির নামে এই সব সন্ত্রাসী কার্যক্রম এখনই বন্ধ করা দরকার । সব দেশই প্রাধান্য দেয় তার দেশের মানুষের নিরাপত্তা। তাই সরকারকে হতে হবে আরও কঠোর । তাঁর হাতে আইনের যত ক্ষমতা আছে, তা অনতিবিলম্বে প্রয়োগ করে, পেট্রোল বোমার হাত থেকে মানুষকে বাঁচাতে হবে। সাংবিধানিক ক্ষমতা প্রয়োগ করে এবং রাজনৈতিক ভাবে সাধারণ মানুষের পাশে দাড়াতে হবে। এই মুহূর্তে এদেশের মানুষের সরকারের কাছে চাওয়া শুধু একটাই, নিরাপত্তা। জীবনের নিরাপত্তা। আগুনের হাত থেকে বাঁচার নিরাপত্তা। সরকারকে মানুষের বাঁচার এই নুন্যতম নিরাপত্তা দিতেই হবে। এর কোন বিকল্প নাই। শুধু মাত্র জামাত-বিএনপি বা স্বাধীনতা বিরোধীদের ঘাড়ে সন্ত্রাসের দোষ চাপিয়ে বা সমালোচনা করে সরকার দায় এড়াতে পারে না।

বাংলাদেশে কোথাও পেট্রোল বোমায় মানুষের শরীর আগুনে ঝলসে যাবে না এই নিশ্চয়তা সরকারকে দিতে হবে এখনই। দমন করতে হবে সব ধরনের সন্ত্রাসী অপকর্ম সর্বশক্তি প্রয়োগ করে। আর সরকার যদি মানুষের জান মালের নিরাপত্তা দিতে না পারে বা আগুনের হাত থেকে মানুষকে বাঁচাতে না পারে, তা হোলে সরকার যা চাইছে (সন্ত্রাসকে জনগণকে সাথে নিয়ে ঐক্য বদ্ধ ভাবে মোকাবেলা করা জামাত-বিএনপির সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে জনগণকে খেপিয়ে তোলা) হিতে তার বিপরীত হতে পারে। অর্থাৎ এদেশের মানুষ সরকারের বিরুদ্ধেও নিষ্ক্রিয়তা বা তাদের নিরাপত্তা দিতে না পারার অভিযোগে রাস্তায় নামতে পারে। যার আলামত কিন্তু ধীরে ধীরে পাওয়া যাচ্ছে, (অন্তত কথা বার্তায়)। ফলত সে ক্ষেত্রে এদেশের মানুষ সরকারকে তাদের নিরাপত্তা দেওয়ার ব্যর্থতা জন্য এবং জামাত-বিএনপিকে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের জন্য, এ কাতারে ফেলে, আইন নিজের হাতে তুলে নিতে পারে। যার ফলাফল দেশের জন্যে তো বটেই কারোর জন্যই (বিশেষ করে, দুই দলের জন্যে) ভাল নাও হতে পারে। এ ক্ষেত্রে প্রগতিশীল অন্যান্য দলের কথা না বলাই ভাল, কেননা তারা টিভি তে সভা সেমিনারে বড় বড় কথা বলার ব্যপারে যতটা পটু, আগুনে ঝলসে যাওয়া মানুষের পাশে দাঁড়ানো বা জামাত-বিএনপিকে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়া বা মানুষকে ঐক্য বদ্ধ করার কাজটি করছেন ততটাই অপটু বা দায়সারা ভাবটা এমন দুই দল ক্ষমতার জন্য মারামারি করছে আমাদের কি। তাই দেশে এখন রাজনৈতিক যে অস্থিরতা বা দমবন্ধ করা পরিবেশ চলছে তা এখনই মোকাবেলা করা না গেলা তা সরকারের জন্য বুমেরাং হয়ে দেখা দিতে পারে, ফলাফল দেশ জন্য গভীর অন্ধকার আর অনিশ্চয়তা। যা জঙ্গিবাদের বা স্বাধীনতার পরাজিত অপ শক্তির ক্ষমতা দখলের পথকেই প্রসস্ত করবে, আর পক্ষান্তরে লাভবান হবে জামাত-বিএনপি জোট। পরাজিত হবে মুক্তচিন্তার আর মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তি। পরিশেষে, সরকার, এবং সকল মুক্তচিন্তার আর মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তির কাছে সবিনয় অনুরোধ প্লিজ আসুন সংলাপ, নির্বাচন এই সব বাদ দিয়ে সবার আগে, সবাই মিলে দেশের মানুষকে পেট্রোল বোমার যন্ত্রণা থেকে বাচাই। স্বাধীনতার পরাজিত অপ শক্তির ষড়যন্ত্রের হাত থেকে আমাদের এই বাংলাদেশকে রক্ষা করি। তার পর সংলাপ, ভোট, নির্বাচন ইত্যাদি বিষয়ে ভাবা যাবে। আমাদের দেশের তথাকথিত গনতন্তের চেয়ে মানুষের জীবন রক্ষা করা গুরুপূর্ণ। তাই নয় কি ?