ক্যাটেগরিঃ রাজনীতি

 

বাংলাদেশের আভ্যন্তরীণ বিষয়ে বিভিন্ন উন্নতিশীল দেশ বা সংস্থার (আমেরিকা/বৃটেন/জাতিসংঘ/ইউ/জাতিসংঘ মানবাধিকার কমিশন সহ অন্যান্য তথাকথিত মানবধিকার গোষ্ঠী) হস্তক্ষেপের সীমা ছাড়িয়ে গেছে অতিমাত্রায়। শুধুমাত্র আমাদের জাতীয় রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক বিষয় নয়,প্রায় সব বিষয়ই তারা অবলীলায় নাক গলাচ্ছে। মানবতাবিরোধী অপরাধীদের ফাঁসি, পহেলা বৈশাখের নারী লাঞ্ছনা, খালেদার উপর তথাকথিত হামলা,  স্থানীয় সিটি নির্বাচনইত্যাদি বিভিন্ন বিষয়ের নির্লজ্জ,এবং অবিবেচনাপ্রসূত হয়ে বিভিন্ন মন্তব্য এবং পক্ষপাতমূলক আচরণ করে যাচ্ছেন তারা। ভাবটা এমন যে তাদের দেশ বা তথাকথিত সংগঠনগুলিযেন ধোয়া তুলসী  পাতা। এই সব দেশী বা সংস্থা,একটি বিশেষ দলের বা গোষ্ঠীর অতীত না যেনেবা ইচ্ছাকৃত ভাবে তাদের  অতীত ও বর্তমানের হিংসাত্মক কর্মকাণ্ড গোপন করে তাদের পক্ষ নিয়ে ওকালতি করে যাচ্ছে, একটি বিশেষ উদ্দেশ্য নিয়ে। সবচেয়ে দুঃখজনক হলো ঐ বিশেষ  দল বা গোষ্ঠী হচ্ছে, আমাদের স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধবিরোধী এবং উগ্র ধর্মান্ধ এবং ইতিহাস বিকৃতিকারী। এই সব পক্ষপাতমূলক বক্তব্যের মধ্যে দিয়ে তাদের (উন্নতিশীল দেশ বা সংস্থার) চতুরতা, শঠতা আর  উগ্র ধর্মান্ধ প্রতি তাদের সহানুভূতিশীলতাই প্রকাশ পাচ্ছে এবং তা অবশ্যই ক্রমবর্ধিষ্ণু। তবে কি তারা বাংলাদেশকে তালেবান/আফগানিস্তান কিংবা পাকিস্তানের মতো একটি মৌলবাদীদেশ হিসাবে দেখতে চান? নাকি অন্য কিছু? এই সব বিভিন্ন উন্নতিশীল দেশ বা সংস্থার, বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক বা অরাজনৈতিক যে কোন বিষয় বক্তব্য দেয়া বা কোন দলের হয়ে ওকালতি করা সম্পূর্ণ ভাবে অগ্রহণযোগ্য ও অনভিপ্রাত। এটা কোন ভাবেই মেনে নেয়া যায় না বা যাবে না। সরকারকেও এব্যাপারে সতর্ক হওয়া উচিৎ।

২০১৩ সালে কিংবা গত ৩ মাসে পেট্রোল বোমায় আমাদের এইদেশটাকে যারা নৈরাজ্যের স্বর্গরাজ্য বানিয়েছিল এবং আজও ষড়যন্ত্র করে যাচ্ছে,আন্দলনের নামে, রাজনীতির নামে, তাদের বিরুদ্ধে বাংলাদেশ একদিন না একদিন জেগে উঠবেই। সেদিন বোধহয় বেশী দূরে নয়। বিদেশীরা নির্লজ্জভাবে যতই ওকালতি করুক না কেন তাদের পক্ষ হয়ে।