ক্যাটেগরিঃ রাজনীতি

 

 

১.
আমাদের রাজনীতিকরা সন্ত্রাস ছাড়া কিছুই শিখলেন না আর। বর্তমানে দেশের সন্ত্রাসীদের নিরপেক্ষ তালিকা করলে যাদের নাম এক নম্বরে থাকবে :-
প্রধানমন্ত্রী
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
বিরোধী দলীয় নেত্রী
প্রতিটা রাজনৈতিক দলেন প্রধান

রাজনৈতিক দলের সহযোগী/ অংগ সংগঠনগুলোর নেতা কর্মীরা তাদের বর্তমান প্রধান নেতাদের আদর্শ ধারন এবং বাস্তবায়ন করে মাত্র।

২.
আজ প্রকাশ্যে বিশ্বজিত দাশকে ছাত্রলীগের সোনার ছেলেরা জামাতি কায়দায় হত্যা করেছে। কিন্তু এই হত্যাকে সফল করার কৃতিত্বের সমান ভাগীদার হলেন:-
প্রধানমন্ত্রী
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
বিরোধী দলীয় নেত্রী
এবং তাদের গৃহপালিত সকল রাজনীতিকগন ও তাদের সাথে জোটবদ্ধ সকল রাজনৈতিক দল। আপনি যদি কোন দলের বিবেচনাহীন অন্ধ সমর্থক হন তবে এদের কারো গলায় ফুলের মালা দিতে পারেন আর কারো কারো প্রতি থু:থু: নিক্ষেপ করতে পারেন। তবে এটা ভুলবেন না, সকল সাধারন মানুষের সাথে বিশ্বজিতের কোন পার্থক্য নাই। আমরা সকলেই এক একজন বিশ্বজিত হয়ে যেতে পারি যে কোন সময়। (বিস্তারিত সংবাদ: বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর, প্রথম আলো)

৩.
আওয়ামী লীগের বর্তমান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পুলিশের পরিবর্তে প্রকাশ্যে ছাত্রলীগ এবং যুবলীগের প্রতি জামাতকে প্রতিরোধের যে আহ্বান জানিয়েছেন সেটা আইন হাতে তুলে নেবার আহ্বান। বাংলাদেশের আইন অনুযায়ী এই আহ্বান একটি শাস্তিযোগ্য অপরাধ। এছাড়া নিজে দায়িত্ব পালন না করে এই ধরনের আহ্বান জানানোর মাধ্যমে তিনি ধারাবাহিকভাবে ছাত্রলীগ ও যুবলীগকে সন্ত্রাস ও হত্যায় উৎসাহিত করে যাচ্ছেন। তাই বিশ্বজিত দাশ হত্যাকান্ডের মামলায় বর্তমান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মখা আলমগীরকে এক নম্বর আসামী এবং খালেদা জিয়াকে দুই নম্বর আসামী করা উচিত। আর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে নিয়ন্ত্রন না করে অপকর্মে উৎসাহিত করার জন্য এই মামলায় আসামী হিসেবে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে বাদ দেয়ারও কোন সুযোগ নাই। এদের নামের পরে আসতে পারে এদের স্বপ্ন ও আদর্শ বাস্তবায়নকারীদের নাম।

৪.
জামাতকে নিষিদ্ধ না করে ক্ষমতার লোভে জামাত ইস্যুকে দীর্ঘস্থায়ী করার জন্য আওয়ামীলীগ যে খেলা শুরু করেছে তা বিএনপি’র জামাত তোষনের চাইতেও ভয়ংকর।

==============================================

এই পোস্টটির সাথে সহমত পোষন করলে পোস্টটি শেয়ার করুন