ক্যাটেগরিঃ আইন-শৃংখলা

 

প্রশ্নটা হচ্ছে আমরা এই কোন বর্বর সমাজে বসবাস করছি। একটা মেয়েকে রেপ করে এইভাবে মেরে ফেলতে হবে? তাহলে বন্য হিংস্র হায়েনার সাথে আমাদের পার্থক্যটা কোথায়? কিছুদিন আগ পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন স্থানে লাগাতার শিশু অপহরণ এবং হত্যা বার্ণিং ইস্যুতে পরিণতঃ হয়েছিলো, এটা কি তারই পরের ধাপ?

সরকারকে বুঝতে হবে দেশের আইন শৃঙ্খলার অবনতি হলে একটা সরকার প্রশ্নবিদ্ধ হয়। ভেবে দেখতে হবে এটা কি নিছক সোস্যাল ডিজঅর্ডার, নাকি প্রশাসনকে প্রশ্নবিদ্ধ করার কোনো নীল নকশা? আমাদের দেশে মাঝে মাঝেই কুৎসিত রাজনৈতিক চর্চা হয়। প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করার জন্যে ধারাবাহিক কিছু রোম হর্ষক ঘটনার জন্ম দেয়া হয়। পরপর কয়েকজন নারী ধর্ষণ এবং হত্যাকান্ড সেই কুৎসিত রাজনীতির অংশ কিনা কে জানে?

12821584_578306045657882_3891081759081985780_n

যাই হোকনা কেন, সরকারের উচিত হবে প্রকৃত খুনীদের অনতিবিলম্বে খুঁজে বের করা এবং তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেয়া। যেমন সিলেটের রাজন হত্যাকাণ্ডের বেলায় আমরা দেখেছি, প্রশাসন খুব ত্বড়িৎ আসামিদের গ্রেফতার করেছে এবং দ্রুত বিচার আইনে তাদের বিচার করেছে।

হবিগঞ্জের অপর একটি ঘটনাটির পরবর্তী ধাপও প্রশংসনীয় ছিলো। আমরা আশা করবো তনু হত্যাকান্ডে দায়ী ব্যক্তিদের অনুরুপ বিচারের আওতায় আনা হবে। পাশাপাশি আমাদের ব্যক্তিগতভাবে এবং সামাজিকভাবে সচেতন ও সতর্ক হতে হবে, যাতে করে এভাবে কাউকে ভিকটিম হতে না হয়।