ক্যাটেগরিঃ অর্থনীতি-বাণিজ্য

সম্প্রতি বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর এর ‘মতামত’ বিভাগে বিভুরঞ্জন সরকারের একটি রচনায় তাঁর  প্রবাসী বন্ধুর মতো ক’দিন ধরেই একজন অতি সাধারণ নাগরিক হিসেবে আমার মনেও প্রশ্ন জেগেছিলো- কেমন আছেন দেশের সেরা অর্থনীতিবিদ ড. আতিউর রহমান?  লেখাটির শিরোনাম দেখে  মনে কৌতুহল জেগেছিলো, নিবন্ধটি পড়ে বুঝি আমার মনে উঁকি দেয়া প্রশ্নটির উত্তর খুঁজে পাওয়া যাবে। কিন্তু পুরো লেখাটি পড়ে ‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে  ফিরে যাওয়া ছাড়া তাঁর আর কোনো তথ্য খুঁজে পেলামনা। বিভুরঞ্জন বাবু যদি তাঁর বন্ধুর ফোন পাওয়ার পর একবার খোঁজ নিয়ে লেখাটি লিখতেন – তবে লেখাটি আরও  সমৃদ্ধ  হতো এবং আমার মতো হাজারো পাঠকের কৌতুহল মিটতো বলে মনে করি।

বাঙালি সম্পর্কে একটি শব্দ বরাবরই ব্যবহৃত হতে শুনি- সেটা হচ্ছে ‘হুজুগে।  মিডিয়ার কল্যাণে আমাদের সামনে একেক সময় একেকটি বিষয় চলে আসে, আর সেটা নিয়ে আমরা মাতামাতি শুরু করি। আবার আরেকটি ইস্যু আসে, আমরা আগেরটি বেমালুম ভুলে যাই।

বাংলাদেশ ব্যাংক এর রিজার্ভ চুরির  ঘটনা প্রকাশ হওয়ার পর কিছুদিন এ  নিয়ে ব্যাপক তোলপাড় হয়েছে, বিস্তর লেখালেখিও হয়েছে। অবস্থা দৃষ্টে মনে হচ্ছিলো এটি নিয়েই বুঝি আমরা সারাবছর ব্যস্ত থাকবো। কিন্তু সেটা আর হয়নি। ঘটনাপ্রবাহে সেটি ঢাকা পড়ে গেছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ চুরি নিয়ে ড. আতিউর রহমান এর দায়িত্ব অবহেলা বলতে এইটুকুই ছিলো যে-  ঘটনাটি জানার পর তিনি সাথে সাথে উপরোস্থ মহলে অবহিত করেননি। নিজের মতো করে সামাল দেয়ার চেষ্টা করেছিলেন। তাই বলে নিশ্চয়ই তিনি ওই টাকা চুরির সাথে কোনোরকম সম্পৃক্ত ছিলেন না, বিষয়টি দিবালোকের মতো স্পষ্ট। আর এই একটি কারণে তিনি একেবারে অস্পৃশ্য হয়ে গেছেন, কিংবা মহাভারত অশূদ্ধ হয়ে গেছে এমন কিছু নয়। ঘটনাপ্রবাহে আমরা দেখি পরবর্তিতে সরকারের উচ্চ মহল বিষয়টি ঠিকই অবহিত হয়েছেন- তখন অর্থমন্ত্রী যেন পারছিলেন না তাঁর চৌদ্দ গুষ্ঠি উদ্ধার করতে। পদত্যাগ করলেন ড. আতিউর রহমান। কিন্তু তাঁর এই পদত্যাগে বাংলাদেশ ব্যাংক কিংবা দেশের মানুষ কতখানি লাভবান হয়েছে, সে বিষয়ে আমার প্রশ্ন রয়েছে।

কেননা, পরবর্তি প্রশাসন কিংবা আমাদের মাননীয় অর্থমন্ত্রী আজোবদি ওই টাকার সমুদয় অংশ ফেরত আনতে পারেননি। এমনকি এই ঘটনার পুরোভাগে দায়ভার যাদের উপর বহুলাংশে বর্তায় সেই ‘সুইফ্ট’ কিংবা  ‘আমেরিকান রিজার্ভ ব্যাংক’এর বিরুদ্ধে একটি শব্দও উচ্চারণ করতে শুনিনি। আমাদের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কেও দেখিনি ফিলিপাইন সরকারকে কড়া কোনো কথা বলতে যাদের দেশের ব্যাংক এবং নাগরিক এই চুরির সাথে জড়িত ছিলো। বরঞ্চ এই ঘটনা নিয়ে ফিলিপাইন সরকার নিজেদের মান রক্ষার্থে স্বতঃপ্রণোদিত ভাবে উদ্যোগী হয়ে তদন্ত করেছে, সিনেটে ধারাবাহিকভাবে শুনানী পর্যন্ত হয়েছে।

হুজুগে বাঙালি হিসেবে আমাদের আরেকটা বদ অভ্যাস হলো অন্যের ছোট খাটো ছিদ্র পেলে  যতখানি পারা যায় তার চেয়ে বেশী উল্লাস নিয়ে অভিযুক্ত ব্যক্তির বস্ত্রহরণে উদ্যোগী হওয়া। অন্যদিকে কারও ভালো কাজের স্বীকৃতি দিতে কিংবা গুণের মর্যাদা দিতে তার চাইতে বেশী পরিমাণে কৃপণতা প্রদর্শণ করা।

একই কায়দায় আমরা ভুলে গেছি দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে অবদান রাখা একজন শ্রেষ্ঠ অর্থনীতিবিদের নাম। যিনি অদম্য অধ্যাবসায় ও মেধার জোরে অজো পাড়াগাঁয়ের ‘রাখাল বালক’ থেকে  প্রাচ্যের অক্সফোর্ড ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়েরে শিক্ষকে পরিণতঃ হয়েছিলেন। দারিদ্র যাঁকে কোনদিন দমিয়ে রাখতে পারেনি শিক্ষার পথ পাড়ি দিতে। মেধা এবং প্রতিভায় যিনি অতিক্রম করেছেন সময়ের বৈরিতাকে। আমি বলবো বর্তমান প্রজন্মের কাছে তিনি একজন অনুকরনীয় আদর্শ।

একই ভাবে বাংলাদেশ ব্যাংক এর গভর্নর দায়িত্ব পাওয়ার পর দেশের ব্যাংকিং খাতের শৃঙ্খলা ও অনুশাসনে তিনি যারপর নাই ভুমিকা রেখেছেন।  দেশের ব্যাংকিং সেক্টরের নাগরিক সুবিধা সংক্রান্ত জটিলতায় তিনি ত্বড়িৎ হস্তক্ষেপ করে তার সুরাহা করেছেন, যেটা গণমাধ্যমে আমরা জেনেছি। এছাড়া মাত্র ‘১০ টাকায় কৃষকদের ব্যাংক হিসাব খোলা’ সরকারি উদ্যোগ হলেও এই কৃতিত্বে তাঁরও অবদান আছে। বাংলাদেশ ব্যাংক এর রিজার্ভ বৃদ্ধিতে যদিও নানা অনুঘটক কাজ করে থাকে, তথাপি এর পেছনে ড. আতিউরের নানামুখি উদ্যোগ ছিলো প্রশংনীয়। পদ্মা সেতু নির্মাণে নানা ছুতায় যখন বিশ্বব্যাংক পিছিয়ে গিয়েছিলো, সরকার সহ সারাদেশের মানুষ ছিলো বিশ্বব্যাংকের উপর ত্যক্ত বিরক্ত, তখন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নিজেরদের অর্থায়নে পদ্মা সেতু নির্মাণের কথা বলেছিলেন। কিন্তু  বিশ্বব্যাংকের সাবেক আমলা আমাদের বর্তমান অর্থমন্ত্রী মহোদয় তখনো বিশ্ব ব্যাংকের পায়ে তৈল মর্দনে ব্যস্ত ছিলেন। নানা ছুতোয় তিনি এক বছর পর্যন্ত প্রকল্পটি ঝুলিয়ে রেখেছিলেন। তা না হলে এতোদিন পদ্মা সেতুর নির্মাণ কাজ বহু দূর এগিয়ে যেতো। পরবর্তিতে প্রধানমন্ত্রীর সাহসী উদ্যোগে সেটি আলোর মুখ দেখেছে। আর অর্থ যোগানে এগিয়ে এসেছিলেন বাংলাদেশ ব্যাংক এর এই পদচ্যুত গভর্নর। যিনি মূলতঃ বিভিন্ন উৎস থেকে অর্থ যোগাড়ে সংগঠকের ভূমিকা পালন করেছিলেন। পদত্যাগের পর এক ঘরোয়া সভায় প্রধানমন্ত্রী স্বয়ং ড. আতিউর রহমান এর প্রশংসা করে বলেছিলেন- ‘আমি যখন নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মা সেতু নির্মাণের জন্য টাকা চেয়েছিলাম তখন অর্থমন্ত্রী বলেছিলেন- আমি কোথা থেকে দেবো, টাকা জোগাড় করে দিয়েছিলো আতিউর।’

দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক হিসেবে বাংলাদেশ ব্যাংকের মূল দায়িত হলো মুদ্রানীতি প্রণয়ন ও পরিচালনা, ব্যাংকিং সেক্টরের নিয়ন্ত্রণ ও তত্ত্বাবধান এবং জাতীয় স্বার্থে উৎপাদনশীল সম্পদের যথাযথ ব্যবহারের মাধ্যমে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও উন্নয়ন নিশ্চিত করা। অর্থনৈতিক এ প্রবৃদ্ধিকে টেকসই ও বেগবান করার জন্যে ড. আতিউর রহমান সে সময়ে যে দু’টি বিষয়ের ওপর বিশেষ নজর দিয়েছিলেন তা হলো-দেশের বৃহত্তর জনগোষ্ঠিকে আর্থিক সেবার আওতায় নিয়ে আসার কৌশলগত পরিকল্পনা গ্রহণ ও পরিবেশবান্ধব টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে ব্যাংকিং সেবায় গ্রীন ব্যাংকিং এ্যাপ্রোচ প্রবর্তন।

‘গ্রীন ব্যাংকিং’ কার্যক্রমের আওতায়  দেশে সৌরশক্তির ব্যবহার এবং পরিবেশবান্ধব বিকল্প জ্বালানি ব্যবহারের মাধ্যমে বিদ্যুৎ ও গ্যাস ঘাটতি মোকাবিলা এবং প্রাকৃতিক ভারসাম্য রক্ষা ও জনস্বাস্থ্য সংরক্ষণের স্বার্থে ব্যাংকগুলো যাতে সহজে ও সহজ শর্তে সৌরশক্তি, বায়োগ্যাস এবং বর্জ্য পরিশোধন প্ল্যান্ট খাতে ঋণ প্রদান করতে পারে সে লক্ষ্যে বাংলাদেশ ব্যাংকের নিজস্ব উৎস থেকে প্রাথমিকভাবে ২০০ কোটি টাকার আবর্তনশীল তহবিল নিয়ে ‘সৌরশক্তি, বায়োগ্যাস ও বর্জ্য পরিশোধন প্ল্যান্ট খাতে পুনঃঅর্থায়ন স্কীম’ নামে একটি স্কীম গঠন করা হয়েছিলো। এ তহবিল হতে ঋণ নিয়ে সমন্বিত গরুপালন ও বায়োগ্যাস প্ল্যান্ট স্থাপন, সৌর বিদ্যুৎ চালিত সেচ পাম্প, সোলার হোম সিস্টেম, সোলার এসেমব্লিং প্ল্যান্ট, ইটিপি, হফম্যান হাইব্রিড কিন ইত্যাদি খাতে গ্রাহক পর্যায়ে সহজে অর্থায়ন সুবিধা পৌঁছে দেয়ার জন্য ব্যাংকগুলো এ পর্যন্ত বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে ৭৮ কোটি টাকা পুনঃঅর্থায়ন গ্রহণ করেছে।

ড. আতিউর এর উদ্যোগে  গ্রীন বাংকিং সার্কুলার ইস্যু করা হয়  যেখানে ব্যাংকগুলোকে গ্রীন ব্যাংকিং নীতিমালা ও কৌশল প্রণয়ন ও গ্রহণ বিশেষ করে, ঋণ প্রদানে পরিবেশগত ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা, ব্যাংকগুলোর অভ্যন্তরীণ পরিবেশ ব্যবস্থাপনা, কার্বন নিঃসরণ রোধে ব্যবস্থা গ্রহণ, গ্রীন মার্কেটিং-এর জন্যে গ্রাহক সচেতনতা বৃদ্ধি ও ইলেকট্রনিক ব্যাংকিং এর প্রসারে যথোপযুক্ত নির্দেশনা দেয়া হয়েছিলো।

তার আমলে বাংলাদেশ ব্যাংক দেশে দ্রুত বিকাশমান মোবাইল ফোন নেটওয়ার্ক এবং এর ব্যবহারকারীদের ব্যাপক বিস্তৃতি ঘটেছিলো এবং ব্যাংকিং সেবার বাইরে থাকা বিশাল জনগোষ্ঠিকে আর্থিক সেবার আওতায় আনা এবং তাদের কাছে ব্যয় সাশ্রয়ী ও নিরাপদ আর্থিক সেবা প্রদানের লক্ষ্যে ব্যাংক ও মোবাইল ফোন কোম্পানীর মধ্যে সৃজনশীল অংশীদারিত্ব গড়ে তোলার সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করে দিয়েছে।

ড. আতিউর রহমান গভর্ণর থাকাকালে বিকল্প পরিশোধ চ্যানেল হিসেবে ব্যাংকিং খাতে মোবাইল প্রযুক্তির ব্যবহার নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ ব্যাংক এর মাধ্যমে সর্বশেষ প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী  ২৩টি ব্যাংককে মোবাইল ব্যাংকিং কার্যক্রমের অনুমোদন দিয়েছেন, যার মধ্যে ১৪টি ব্যাংক তাদের কার্যক্রম এরই মধ্যে চালু করেছে। এই ব্যাংকগুলো সারা দেশে প্রায় ১৯ হাজার এজেন্টের মাধ্যমে এখন প্রায় ১০ লক্ষ গ্রাহককে মোবাইল প্রযুক্তিভিত্তিক বিভিন্ন আর্থিক সেবা পৌঁছে দিচ্ছে। এই সেবার মাধ্যমে প্রতি মাসে প্রায় এক হাজার কোটি টাকার লেনদেন সম্পন্ন হচ্ছে, যা প্রতিদিন গড়ে প্রায় ৩৩ কোটি। প্রতিমাসে মোবাইল ব্যাংকিং সেবার মাধ্যমে লেনদেনের পরিমাণ গড়ে ১৫ শতাংশ করে বৃদ্ধি পাচ্ছে। বিভিন্ন উৎসব-পার্বনে যেটি আরো বেড়ে যায়।

শ্রমজীবী বিপুল এ জনগোষ্ঠীর কাছে ব্যাংকিং সেবা পৌঁছানোর ক্ষেত্রে দেশের প্রথাগত ব্যাংকিং-এর চেয়ে মোবাইল ব্যাংকিং যে অধিকতর উপযোগী এটি ইতোমধ্যেই প্রমাণিত হয়েছে।

ইলেকট্রনিক বাণিজ্য প্রসারের প্রক্রিয়াকে আরো বেগবান করার লক্ষ্যে ন্যাশনাল পেমেন্ট সুইচ স্থাপনের কাজও  জোরদার হয় ড. আতিউর রহমান গভর্নর থাকাকালে। তিনি বিশ্বাস করতেন- ‘ব্যাংকিং খাতে প্রযুক্তি প্রয়োগের মাধ্যমে দারিদ্র্যের হার কমানো তথা দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের অনগ্রসর তৃণমূল জনগোষ্ঠির কল্যাণে ইতিবাচক ভূমিকা রাখে।’

সামষ্টিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার পাশাপাশি সামাজিক ও পরিবেশবান্ধব দায়িত্বশীল অর্থায়নের মাধ্যমে বাংলাদেশকে এগিয়ে নিতে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখার জন্য ‘এশিয়া প্যাসিফিক অঞ্চলের শ্রেষ্ঠ গভর্নর-২০১৫’  পুরস্কার লাভ করেন রাখাল বালক আতিউর রহমান। সেবার তাকে পুরস্কৃত করেছিল লন্ডনভিত্তিক ফিন্যান্সিয়াল টাইমস মালিকানাধীন ম্যাগাজিন ‘দ্য ব্যাংকার’।

বাংলাদেশ ব্যাংকের দায়িত্বভার প্রাপ্তির পর প্রতিভাবান এই অর্থনীতিবিদের যৎকিঞ্চিতই আমার সিমিত জ্ঞানে আলোচিত হয়েছে। তার অবদান এর চেয়ে অনেক বেশী যা খতিয়ে দেখলেই অনুধাবন করা যাবে।

অথচ এই কীর্তিমাণ অর্থনীতিবিদকে এভাবেই আমরা ক্লাস কক্ষে নির্বাসিত করেছি। হতে পারে এখন তাঁর শিক্ষার্থীরা উপকৃত হচ্ছেন, কিন্তু সেটা বিশাল প্রশ্রবন থেকে ক্ষুদ্রকায় কাপে জল সংগ্রহের মতো। আমরা সাধারণ নাগরিক মনে করি দেশের কীর্তিমান এই অর্থনীতিবিদকে আবারো স্বপদে বহাল করা হোক, অথবা তাকে এমন কোনো দায়িত্ব প্রদান করা হোক, যাতে করে দেশের অর্থনীতি লাভবান হবে।

সমালোচনাবিদ্ধ এবং নিজস্ব কেরিয়ার ভাবনায় উদ্বিগ্ন, বেলা শেষে উপনীত কোনো  রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ পদে আসীন  একজন রাজনীতিবিদের ব্যক্তিগত  ঈর্ষার আগুণে যেন ড. আবুল বারাকাত কিংবা ড. আতিউর রহমান এর মতো দেশের শ্রেষ্ঠ সন্তানেরা নিষ্প্রাণ না হয়ে যান, সেদিকে আমাদের সজাগ দৃষ্টি দিতে হবে। এমনওতো হতে পারে- শেষোক্ত দুইজনের হাতেই একদিন বর্তাবে অর্থমন্ত্রনালয়ের  গুরুদায়িত্ব।

লেখকঃ মিডিয়া কর্মী। একটি প্রাইভেট টিভি চ্যানেলে কর্মরত।

slide