ক্যাটেগরিঃ ব্লগ

বয়স চাকরির অন্যতম যোগ্যতা।বয়স অনুর্ধ্ব ত্রিশ হওয়া লাগবে।শিক্ষা জীবন শুরু ও সমাপ্তির বয়সও সমান নয়।রহিমের বয়স যখন দশ পঞ্চম শ্রেণীতে পড়ে।তার দশজন সহপাঠির বয়স তখন পনর।সার্টিফিকেট বয়স তাদের সমান।তার মানে সত্যিকারের বয়স যখন পয়ত্রিশ তারা তখনও চাকুরীর পরীক্ষায় অংশ নিতে পারতেন।

সব বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ালেখা শেষ হতে সমান সময় লাগে না।আমাদের ঢাকাবিশ্ববিদ্যালয়ের সাইন্সের ছাত্রদের চেয়ে কমপক্ষে একটি বেশি বিসিএস দিতে পারতেন আর্টসের ছাত্ররা।বিশ্ববিদ্যালয় ভিন্ন হলে ব্যবধান কত হতে পারে ?ব্যাপারটা বিবেচ্য।পড়ালেখা শেষ না করে চাকরীর প্রতিযোগীতায় অবতীর্ন হওয়া সম্ভব নয়।চাকরীতে অবসরের একটা বয়স সীমা নির্ধারিত।ত্রিশ বৎসর বয়সে পরীক্ষায় অংশ নিয়ে বত্রিশ বৎসর বয়সে চাকরিতে জয়েন করলে সাতাশ বৎসর চাকরি করে ঊনষাট বৎসর বয়সে অবসর।পঁচিশ বৎসর বয়সে পরীক্ষায় অংশ নিয়ে সাতাশ বৎসর বয়সে চাকরিতে জয়েন করলে বত্রিশ বৎসর চাকরি করে ঊনষাট বৎসর বয়সে অবসর।নির্দিষ্ট সময় পরপর প্রমোশন হলে কম বয়সে চাকরি পাওয়া লোক প্রমোশন পাবেন বেশি।সার্ভিস লাইফ ও বেশি হবে।সার্ভিস লাইফ ভিত্তিক সুবিধাও বেশি হবে।
একই প্রতিষ্ঠানের ভিন্ন ব্যাচের ছাত্র যদি এক ব্যাচে নিয়োগ পন।সেক্ষেত্রে মেধাক্রম গুরুত্ব দেয়া উচিৎ নাকি বয়স?বয়স আল্লাহ প্রদত্ত যোগ্যতা।আর চাকরীর পরীক্ষাতে মামা ,বঢ় ভাইয়ের দৌরাত্ব অনেক বেশি?একাডেমিক রেজাল্টও প্রশ্নবিধ্য তাই যোগ্যতার মাপকাঠি হতে পারে না।

অবসরের ক্ষেত্রে বয়সসীমা বেধে দেওয়া কেন?service life fixed করাই বেশি যৌক্তিক?এটা জয়েনিং পর থেকে fixed ত্রিশ বা বত্রিশ হতে পারে।সেক্ষেত্রেও বয়সে বড়রাই নেতৃত্বে থাকা যৌক্তিক।
নিয়োগে ক্ষেত্রেও বয়সে আলাদা নম্বর থাকা বাঞ্চণীয়।বেশি বয়সীরা অগ্রাধিকার প্রাপ্ত হওয়া উচিৎ।চাকুরীর সঙ্গে একজন মানুষের বিবাহীত জীবন, সন্তান সংসার ,ভবিষ্যৎ সামাজিক সর্যাদা সবকিছু নির্ভর করে।চাকুরীর প্রতি স্তরে দূর্নীতি রোধ করায় বয়সের প্রধান্য দেয়ার কোন বিকল্প নাই।এতে অসুবিধার চেয়ে সুধিাই বেশি।আমার বিজ্ঞ ব্লগার বন্ধুরা কি ভাবেন তা জানার আগ্রহ থাকলো।