ক্যাটেগরিঃ রাজনীতি

খালেদা জিয়াকে ধন্যবাদ। সহিংস রাজনীতি না করার জন্য। বৈঠা লগি নিয়ে মিছিল না করার জন্য। তিনি যথেষ্ট ধৈর্য্যের পরিচয় দিলেন।আশা করি ভবিষ্যতেও দিবেন। সবুরে মেওয়া ফলে ।দেশের মানুষের একটা অংশের এই সরকারের বিরুদ্ধে নাভিশ্বাস উঠেছে।তারা বিএনপি কঠোর হতে পারছে না বিধায় বিএনপির উপর রুষ্ট।দেশে এখন আওয়ামী লীগ হরতাল দেয় আবার তারাই হরতাল প্রতিহত করে। বিরোধী দলের সমাবেশ পন্ড করার জন্য তারা একধরনের হরতালই করে থাকে।একটা সময় পর্যন্ত খালেদা নিজ উদ্যোগে দেশের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয়ে তার অবস্থান সমর্থন ব্যক্ত করেছেন। সংসদে যাওয়ার পরিবেশ না থাকায় বাধ্য হয়েই সংসদ ছাড়তে হয়েছে।এই সরকার অনেকগুলি চুক্তি করেছে প্রতিবেশী রাষ্ট্র ভারত,যুক্তরাষ্ট্র ভিত্তিক অয়েল-গ্যাস কোম্পানীর সাথে ইত্যাদি ইত্যাদি। সেই চুক্তি গুলিতে দেশের স্বার্থ কতটুকু বিকিয়ে দিয়েছেন সেটা শেখ হাসিনাই ভাল বলতে পারবেন।যুক্তরাষ্ট্র,ভারত তাদের স্বার্থসিদ্ধির চুক্তিগুলো করিয়ে নিয়েছে।

যখনই পদ্মা সেতুর মতো ইস্যু হয়েছে যাতে বাংলাদেশ লাভবান হবে তখনই তারা পিছুটান দিয়েছে্ ।সচেতন জনসমাজ তথা সুশীলসমাজ ব্যাপারটা অবশ্যই আঁচ করতে পেরেছেন।কতিপয় ব্যক্তির পকেট ভরেছে।আর দেশ নি:শেষ হয়েছে।আর দেশের সেই চোর গুলোর দোহাই দিয়েই বিশ্ব ব্যাংক এক পা এগোয় তো দু-পা পেছোয়।পাগল ছাড়া কেউ নিরপেক্ষ হতে পারে না।তাহলে বলব দেশে একটা বিশাল পাগল তথা নিরপেক্ষ শ্রেণী হয়েছে।তবে তাদের মত একটাই আর সেটি হলো নির্দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন।যারা খালেদাকে দূষ দেন দেশের উন্নয়নের চিন্তা নেই শুধু ক্ষমতার মসনদে আরোহনের জন্য আন্দোলন ব্লা ব্লা ব্লা।তারা সবাই ব্যাপারটা গভীর ভাবে ভাবার সুযোগ পান নাই।

যে সরকার দেশকে ডুবিয়েছে, ডুবাচ্ছে সামনে আরও ডুবাবে তাকে সরানো তো একটা উন্নয়ন। সেই সরকার হটানোর আন্দোলন একটা উন্নয়নের আন্দোলন। রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলো ধারে চলছে। অথচ নতুন ৮টি ব্যাংক চালু হলো চুরির টাকায়।এই সমস্ত চুরির তুলনায় হাওয়া ভবন নস্যি।দেশে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গাও শুরু হয়েছে। সেই সরকারের অধীনে নির্বাচন বয়কট করা যৌক্তিক।নির্দলীয় সরকারের পক্ষে আন্দোলন মানে দেশের উন্নয়নের আন্দোলন। অবনতি রুখে দেয়ার আন্দোলনই উন্নয়নের আন্দোলন।

১৫ কোটি মানুষের দাবী যদি খালেদার দাবীর সঙ্গে মিলে যায় তাহলেই তারা খালেদার পক্ষের নন।এরা সবাই নিরপেক্ষ।শেখ হাসিনাই বরঞ্চ পক্ষপাতদুষ্ট। তারাই ১৫ই ফেব্রুয়ারীর মতো নির্বাচন করতে চায়।গণতন্ত্র চর্চার প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টির অপচেষ্টা তারাই করছেন।মানুষের ভোটাধিকার চুরির বিপক্ষে অবস্থান নেয়া মানে পক্ষপাতিত্ব নয়। ২০২১ সাল পর্যন্ত ক্ষমতা কুক্ষিগত করার নাম পক্ষ পাতিত্ব। গণতন্ত্রের জয় হোক।গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা লাভ করুক।বঙ্গবন্ধু কন্যা যদি সকল দলের অংশগ্রহণে নির্বাচন অনুষ্ঠানের ব্যবস্থা করেন ।তাহলে নিরপেক্ষরা আপনার পক্ষ নিলে অবাক হবনা।কারণ তারা নিরপেক্ষ। ভাল কিছু গ্রহণ করার সততা এবং স্বাধীনতা তাদের আছে।সুশীল সমাজের সমর্থনেই আজ আপনি সিংহাসনে।