ক্যাটেগরিঃ আইন-শৃংখলা, ব্লগ সংকলন: সাগর-রুনি হত্যাকাণ্ড

 

গ্রামের নাম বালিথা। থানা ধামরাই। সুতিপাড়া ইউনিয়ন। ঢাকা আরিচা রোডে সুতি পারার পর শ্রীরামপুর এর পরই বালিথা। দুখাই সরদারের তিন ছেলে।বদরুদ্দিন(বদু) বেনজীর, আর চেরাগ আলী। চেরাগ আলী জীবিত অবস্থায় কোন সম্পদ ভোগ করতে পারে নাই। তাকে তাড়িয়ে দেয়া হয় অন্য গ্রামে। বালিথার মাতবর বাচ্চু টেপা উরফে তারকাটা বাচ্চু। একসময়কার মাছের আরতদার। এখন অবৈধ টাকার পাহাড় গড়েছে। তার সম্পদ হলো ঝামেলা যুক্ত জমি পানির দামে কিনে নেয়া। টেপা বাচ্চুর চার ছেলে বড় জন ইউসুফ, ছোট বচু। এরা এলাকায় মগের মুল্লুক কায়েম করেছে। সম্প্রতি চেরাগ আলীর স্ত্রী ও তার মেয়ে তার ন্যায্য জমির মালিকানা দাবী করেছে। তাকে সাহায্য করছেন সেলিম চোধুরী ২১শে আগস্ট বোমা হামলায় আহতদের একজন।(মোবাইল-০১৭১৫৮২৫৪১১) থানা থেকে পুলিশ এসে জমিতে সাইনবোর্ডে টানিয়ে দিয়ে যাওয়ার পর তা বদরুদ্দিন ও তার স্ত্রী ছেলে মিলে তুলে ফেলেন। আবার তা দেয়া হলে আবারও সাইনবোর্ড তুলে ফেলে দেন। ধামরাই থানায় গিয়ে বদরুদ্দিন উরফে বদু জবান বন্দি দিয়ে এসেছেন তারা দুই ভাই। চেরাগ আলি নামে তাদের কোন ভাই নাই।তাদের জমি বিক্রির সময় তারা উল্লেখ করেছেন তার ভাই অবিবাহিত অবস্থায় মারা গেছে। চেরাগ আলীর কোন ওয়ারিশ নাই। নির্জলা মিথ্যা বলে চেরাগ আলীর স্ত্রীকে ও মেয়েকে বঞ্চিত করা আর তার মদদ দাতা বাচ্চু টেপা। সাগর-রুনি মারা গেছেন। চাঞ্চল্যকর হত্যা। রহস্যের উদঘাটন হচ্ছে না। ফেলানির মাও মরে গেছেন।কিন্তু চেরাগ আলীর বিধবা স্ত্রী বেঁচে, সন্তান বেঁচে আছেন চরম দারিদ্র নিয়ে। আর তাদের পক্ষে লড়তে এসে বালিথা গ্রামের শামসুল (০১৯১৪৫১৪৮৭৯), রানা (০১৮২১১৭৪৮৯৮) এখন সেই সন্ত্রাসী বাচ্চুর হুমকির মুখে। মানবাধিকার কর্মী, নারী ও শিশু অধিকার এর সাথে জড়িত কর্তাব্যক্তির সক্রিয় ভূমিকার আহবান জানাচ্ছি।

কয়েকদিন আগে বেলিশ্বর হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষক সাহেবের ক্রয়কৃত জমি রেজিস্ট্রি করা হয় নাই সেই সুযোগে বাচ্চু জমি নিজের নামে জোর করে রেজিস্ট্রি করে নিয়েছে। গ্রাম্য সালিশে ফল বাচ্চুর অনুকূলে।সুতিপাড়া ইউনিয়ন চেয়ারম্যান রোমা বাচ্চুর সমর্থনকারী। সাংবাদিক বন্ধুরা আপনাদের সক্রিয় অংশ গ্রহণ একজন নারীকে তার অধিকার ফিরে পেতে সহায়ক হতে পারে।একজন সন্ত্রাসী বাচ্চু কে কাঠগড়ায় দাঁড় করাতে পারে। একটা গ্রামে শান্তি প্রতিষ্ঠার কারন হতে পারে। বাচ্চু খাস জায়গার খাল ভরাট করে সুন্দর বাড়ি করেছেন।তার কালো টাকার আর পেশি শক্তির দৌরাত্ম্য বন্ধ করা খুব কঠিন কিছু হবে না। গ্রামের সবাই চাপা ক্ষোভ নিয়ে আছে। বাচ্চুর বিপক্ষে কোন কথা বলার বা সাক্ষ্য দেয়ার লোক অতি নগণ্য। তার বিরুদ্ধে মামলা করার লোকও নাই।বাচ্চু আইন মানে না।তার কথাই নাকি আইন। বদু দলবাজির এক্সপার্ট। বাচ্চুর সাপোর্টে হয়রানিমূলক মামলা করে গ্রামের অনেক কেই নাজেহাল করেছে এই বদু। পুলিশ,প্রশাসন অজানা কারনে সক্রিয় ভূমিকা পালন করছে না। এই রকম বাচ্চু-বদুর দৌরাত্ম্য থামিয়ে দিলে সারা বাংলার মানুষ উপকৃত হবে।সন্ত্রাসী কোন দলের নয়।তারা দেশের ও সমাজের শত্রু। সাগর-রুনির হত্যা রহস্য উদ্ঘাটিত হোক। ফেলানির মায়েরা ন্যায় বিচার পাক।আর চেরাগ আলীর স্ত্রী-কন্যা তাদের অধিকার ফিরে পাক। বালিথা গ্রামে কোন হত্যা বা লাশ বা বড় ধরনের বিপর্যয় নামার আগেই এর সঠিক ও কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক এই কামনা করছি।