ক্যাটেগরিঃ সেলুলয়েড

সাম্প্রতিক এক সাক্ষাৎকারে সৌদ সম্বন্ধে লেখা হয়েছে। তিনি প্রচার বিমুখ(মহামানব!) তার বিয়ের উদাহরন দিতে মুহম্মদ সাঃ ও খাদিজা রাঃ উদাহারন আনা হয়।খাদিজা ছিলেন তাহিরা পূণ্যাত্বা আর সুবর্ণা?মুহম্মদ সাঃ ছিলেন সবচেয়ে যোগ্য পুরুষ এই ধরায়।আর সৌদ কতটুকু নির্লজ্জ এবং প্রচার সর্বস্ব হলে সুবর্নাকে বিয়ে করতে পারেন একবার ভাবেন তো এই ঘটনাকি সুবর্ণাকে চরম হেয় করে নাই।এই বিয়ে আর ধর্ষনের মধ্যে তফাৎ কি? শুধু কি তাই? এই ঘটনা ধরে নবীর শানের খেলাপ কথা হচ্ছে।এই পাপের জন্য দায়ীও সুবর্ণা-সৌদ। সৌদ কোন অনুষ্ঠানে একা উপস্থিত থাকলে মানুষ তা দেখবে বলে বিশ্বাস হয় না। তাই সুবর্না থাকলেই তিনি অনুষ্ঠানে হাজির। সেটাও প্রচারণার জন্যই। আর এটাকেও তার গুণ বলে প্রচার করা হয়।টাকা খেয়ে রিপোর্ট লেখার আলামত এটি।আর যারা এই অনুষ্ঠানের প্রজোযক তারা কতটা খারাপ একবার ভাবেন।ব্যবসায়িক মনোবৃত্তি থেকে এই ধরনের প্রোগ্রামের উৎপত্তি। ব্যবসায়িরা দেশের রাজনীতির বারটা বাজিয়েছে।সবকিছুরই।এমনকি মিডিয়ারও। সুবর্ণা-সৌদ দম্পতি একটা সমস্যা।এর সমাধান হওয়া উচিৎ। দেশে অসম প্রেম বেড়ে যাওয়া এবং এই কেন্দ্রিক সহিংসা বা হত্যার দায়ভার কিন্তু এদের উপরও বর্তায়।শুধুমাত্র উলঙ্গ ছবি থাকলেই তা এডাল্ট বা নিষিদ্ধ হওয়ার বিষয় হয় না।সুবর্না-সৌদের দাম্পত্য অনুষ্ঠানও শুধুমাত্র এডাল্টদের জণ্য বা নিষিদ্ধ হওেয়া বাঞ্চনীয়।কারন এগুলো থেকে টিনএজাররা অত্যন্ত বাজে মেসেজ পান।বাজে শিক্ষা পান।সুতরাং এই দম্পতি সুখে আছেন মার্কা অনুষ্ঠানের চেয়ে তারা অসুখি এবং ব্যর্থ হওয়াই মঙ্গলজনক। তাহলে আর কেউ এই ধরনের কাজ করবেন না। শাওন অন্তত এই দিক দিযে সুবর্ণার চেয়ে শতগুণ ভাল।তিনি নিজেকে হুমায়ুন আহমেদের স্ত্রী পরিচয়টাকেই আসল পরিচয় বলে গর্ব করেন।তিনি আর বিবাহ তো দূরের কতা কখনও গান বা অভিনয় করতে পারবেন কিনা বলেও আশঙ্কা করেছেন্ ।হুমায়ুন আহমেদের ষাট বছরের বৃদ্ধ বয়সের স্ত্রীর কথা ভাবনে তো।তার যৌবন পুরুটাই বাকী ।আরেকটা বিয়ে সে করলেও সেটা মনে হয়না কেউ খারাপ ভাবে নিবে। আর সুবর্ণা? ছিহ।

শ্রীদেবি,হেমা মালিনি তারা কত ব্যক্তিত্ববান।তাদের মানুষ কি পরিমান শ্রদ্ধা করে। সুবর্নাকে সৌদ সাব ফরিদীর শেষ দর্শন করতে দেয় নাই। কারন সুবর্না নাজেহাল হতে পারেন।কি তার স্ত্রী প্রেম?সুবর্নার এই ঘৃনিত অবস্থা সৌদই সৃষ্টি করেছেন।সুবর্না তার স্বামীর প্রেমে মুগ্ধ।অথচ তিনি সৌদের জন্য যে পরিমান ক্ষতিগ্রস্ত হযেছেন কোন দিন কি তা ভেবেছেন?ঐঅপকর্মটি না করলে তো তার এখন সবার নয়নের মনি হয়ে থাকার কথা।যাই হোক এখন তিনি সৌদের নয়নমনি আর পাবলিকের কাছে ঘৃণিত।আর নষ্টদের জন্য আদর্শ।৪৫ বছরের মহীলা বিয়ে করেছে ২৭ বছরের যুবককে মিরপুরের ঘটনা এটি।এদের আদর্শ নিশ্চই সুবর্ণা।সুবর্না সৌদ তাকে খুব সাপোর্ট দেন তাই খুশি।যার লোভ টাকা আর যার লোভ খ্যতি সেতো সাপোর্ট দিবেই।এটিই তো মানুষের জন্য ক্ষতিকর।দ্বিমত মানুষকে প্রকৃত অবস্থা শিক্ষা দেয়।আর অযৌক্তিক সমর্থন ধ্বংস করে।ফরিদী বাঁচার আকাঙ্ক্ষা নিযে মরেছেন । সুবর্ণা হয়ত পারবেন না্ ।তার মারা যাওয়ার ইচ্ছা নিয়ে বেঁচে থাকতে হতে পারে অনেকদিন।২২ বছর চেষ্টা করেছেন ফরিদীর সংসার টিকানোর জন্য ব্যর্থ হয়েছেন। আর ২২ বছর কি বাচঁবেন? আর ১০ বছর পর কি তিনি যুবতীই থাকবেন? সমাজটা ধ্বংসের দৃষ্টান্ত রাখলেন।নিজের জীবনটাও ধ্বংস করলেন।

যাই হোক সাইফ আর কারিনার বিয়ে হলো।বছরের সবচেয়ে আলোচিত বিয়ে?নবাব সাইফ অমৃতা সিংকে বিয়ে করেছিলেন ?অমৃতা ছিলেন তার ৭ বছরের বড়।কারিনা কিন্তু সাইফের তুলনায় অনেক ছোট ১৫ বছর।সাই ফতো তারকা আর সৌদ তার নামটা যে লিখছি এতেই আমার বিরক্ত লাগছে।তার জীবনেও ঐ রকম কারিনা আসা স্বাভাবিক। তখন বৃদ্ধা সুবর্ণা তার কাছ থেকে এত সাপোর্ট পাবেন না।বঞ্চনা ,ঘৃণা কিংবা ডিভোর্সও পেতে পারেন।কি দারুন সাপোর্ট তার জন্য অপেক্ষা করছে।সাইফ-কারিনার শুভ দাম্পত্য জীবন কামনা করলেও সুবর্ণারটা পারছিনা।কারন ওটা সমাজের জন্য সমস্যা ডেকে আনছে;আনবে”