ক্যাটেগরিঃ নাগরিক আলাপ

 

চাপা মারছি না একেবারে নির্ভেজাল সত্যি কথা। হাসিও পেয়েছিল আর দুঃখও।বিআরটিসি বাসে যাচ্ছিলাম।পরিবীক্ষণ ও পর্যবেক্ষণ প্রশিক্ষণ কোর্সের শেষ ক্লাসটি করতে।গন্তব্য প্ল্যানিং একাডেমি কাটাবন।বাসের প্রথম তিন সারি আসন মহিলা ও প্রতিবন্ধীদের জন্য বরাদ্দ।তৃতীয় সারিতে একজন মহিলা বসা আর একজন পুরুষ মহিলা মাঝখানের সিটে।জানালার পাশের সিটটি ফাঁকা।এক ভদ্রলোক উঠলেন। তিনি ঐ আসনে বসবেন।লোকটি কর্ণারের সিটে বসলে মহিলার দুইপাশে দুই পুরুষ বসবেন্। ব্যাপারটা মহিলার কাছে অস্বস্তিকর লাগছিল।তাঁর অভিব্যক্তি দেখে বোঝা যাচ্ছিল। মহিলা বললেন এটাতো মহিলাদের সিট। পুরুষটা বলল এটা শুধু মহিলাদের সিট নয়।বলে আঙুল দিয়ে লেখাটা দেখালেন।আবারও আমার চোখ গেল লেখাটাতে। স্পষ্ট লেখা মহিলা,শিশু ও প্রতিবন্ধীদের জন্য।ভদ্রলোক মহিলা নন এটা নিশ্চিত। শিশুও নন্ এটাও নিশ্চিত।প্রতিবন্ধী ব্যাপরটাও শরীরে বুঝা যায়না।তিনি শরীর প্রতিবন্ধী নন্।লোকটি অভিজাত পোষাক পরিহিত।চট করে মাথায় বুদ্ধি এলো।হতে পারে লোকটি বুদ্ধি প্রতিবন্ধী।ওটা তো আর দেখে বুঝার উপায় নেই।দেখলাম আমার পাশে বসা লোকটা দাঁত বের করে হাসছেন । আমারও প্রচন্ড হাসি পেল। কত যুক্তি থাকতে তিনি প্রতিবন্ধী যুক্তিতে গেলেন। মহিলা খুব বিরক্তি নিয়ে লোকটাকে জানালার পাশের সিটে বসতে দিলেন্। বুদ্ধিপ্রতিবন্ধীদের চিনে রাখবেন।এদের থেকে নিরাপদ দূরত্বে থাকার অনুরোধ রইল।ব্যপারটা…..?