ক্যাটেগরিঃ রাজনীতি

 

বেগম খালেদা জিয়ার ভারত সফরকে স্বাগত জানাই।এটি খুবই ইতিবাচক।ভারত বিদ্বেষ কোন রাজনৈতিক আদর্শ হতে পারে না।আমাদের সংবিধানের ২৫ ধারায় পররাষ্ট্রনীতিতে উল্লেখ আছে কারো সাথে শত্রুতা নয় সকলের সাথে বন্ধুত্ব। তাছাড়া খালেদা ঘোষণা দিয়েছিলেন হরতাল ধর্মঘট নয় কার্যকর কিছু পদক্ষেপ এর মাধ্যমে দেশে নিরপেক্ষ সরকার আনার অন্দোলন চালিয়ে যাবেন।সেই দিক থেকে এটি অত্যন্ত ইতিবাচক।আরও উল্লেখ করতে হয় দেশে প্রথমবারের মত প্রেক্ষিত পরিকল্পণা হয়েছে ২০১০ সালে। বিএনপি-আওয়ামীলীগের পরামর্শ ও অনুমোদন সাপেক্ষে। জামাত ছাড়া সকল দল এর প্রত্যক্ষ অংশগ্রহণ ও অনুমোদন সাপেক্ষে। সেই ক্ষেত্রে ২০২১ সালের যে ভিশন বা টার্গেট বিএনপি আসলেও উন্নয়ন একই গতিতে চলবে।

দুর্নীতি হ্রাস করতে পারলে আরও বেগবান উন্নয়ন হবে।সোনিয়া গান্ধির সাথে খালেদার সাক্ষাৎ হয়নি। কৌশলগত কারণে বোধ হয়।আমাদের প্রধানমন্ত্রী ভারতকে তার নিজে বাড়ী ঘর জানালা মনে করেন তাই।তবে আওয়ামীলীগ কিছুটা সমীহের দৃষ্টিতেই দেখছে ব্যাপারটা।সহজ ভাষায় ঘাবড়াইছে।বাংলাদেশের সব মানুষ চায়। সুষ্ঠু নির্বাচন।খালেদা জিয়াও চান সুষ্ঠু নির্বাচন।সুতরাং এটা সবার দাবী।আওয়ামীলীগের অনেক বিজ্ঞ সমর্থকই কিন্তু রহস্য করে বলেন সুষ্ঠু নির্বাচন হলে বিএনপি ক্ষমতায় যাবে।নির্বাচন সুষ্ঠু হবে না বুঝাতে চাইলে ব্যাপারটা কেউ ভালভাবে নিবে না।খালেদা যে হরতাল করেননি এজন্য তাকে ধন্যবাদ।দেশের মানুষকে কস্ট নাদিয়ে দাবী আদায়ের আন্দোলন চালালে তার সমর্থন বাড়বে বই কমবে না।খালেদার ভারত বিদ্বেষী মনোভাবের পরিবর্তন,রাজনীতির নতুন মেরূকরন রাজনীতির জন্য সুখবার্তাই বটে।আওয়ামীলীগের অন্য রাজনীতিক দলগুলোর উপর সভাসমাবেশের নিষেধাজ্ঞা জিরু টলারেন্সি চলছে আওয়ামীলীগের গণতন্ত্র? আর জামাত তান্ডব চালালো সারা দেশে।তাদের লক্ষ্য ছিল পুলিশ ।যুদ্ধ অপরাধীদের বিচার হবে নিয়মতান্ত্রিক ভাবে?আওয়ামীলীগ তা ব্যবসা হিসেবে নিয়েছে?আর জামাত তারা বিচার প্রক্রিয়ায় বাধা দিচ্ছে। রাজাকারদের বিচার হবে না? কেন রাজাকার সাহেবরা?আওয়ামীলীগ-জামাত দুটোই উগ্রপন্থি। বৈঠা লগি ভার্সেস রগ কাটাবাহীনি। ১৯৭১ সালে রুশ ভারত বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে সক্রিয় সহায়তা করছে।,যুক্তরাষ্ট্র ছিল বিপক্ষে। আর এখন ভারত-যুক্তরাষ্ট্র মধুর সম্পর্ক। এখনকার কূটনীতি একথায় অর্থনৈতিক কূটনিতি।আগে সেটি ছিলনা। তাই বিএনপির এই পরিবর্তন আমি ইতিবাচক মনে করি ।

আপনারা কি মনে করেন?