ক্যাটেগরিঃ আইন-শৃংখলা

http://ciu.somewherein.net/pictures/selimanwar007/582b8ddcb5e66f165c3a66302f62c5e5_xlarge.jpeg

বর্তমান সরকারের আমলে ২১ জনের মৃত্যুদণ্ড মওকুফ করা হয়েছে। ২০০৯ থেকে ২০১১ সাল পর্যন্ত সময়ে রাষ্ট্রপতি এসব ফাঁসি দন্ড মাফ করেন।স্বাধীনতার পর মৃত্যুদন্ডাদেশ প্রাপ্ত মোট ২৫ জন রাষ্ট্রপতির ক্ষমা পেয়েছেন এর মধ্যে ১৯৮৭ সালে একজন,২০০৫ সালে ২ জন,২০০৮ সালে একজন,২০০৯ সালে একজন,২০১০ সালে একজন,২০১০ সালে ১৮জন এবং ২০১১ সালে দুজন। এতে দেখা যায় গত ৪০ বছরে ২৫ জন ক্ষমা পেলেও বর্তমান সরকারের তিন বছরে রেকর্ড ২১ জন ক্ষমা পেয়েছেন।

এইসব আসামীদের ক্ষমা করা আর সাম্প্রতিক গুম হত্যা অপহরণ আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির মধ্যে কি কোন যোগসূত্র নাই।সরকার কি তাহলে এগুলো প্রশ্রয় দিয়ে দেশের মানুষদের নিরাপত্তাহীনতার দিকে নিয়ে যাচ্ছে না।এই সরকারের দূর্নীতি অতীতের সকল রেকর্ড ব্রেক করেছে।দেশে এখন তুই চোর সরকার চলছে। সুশীল সমাজ পর্যন্ত রাজপথের আন্দালনের মাধ্যমে অধিকার আদায়ের কথা বলছেন।৫০ লক্ষ টাকা মুক্তিপণ নিয়ে পরাগ মন্ডলকে ফিরে পাওয়া গেছে। অপহরণকারীরা ধরা পরে নাই। সাগর-রনি হত্যার কোন কুল কিনারা নাই।বিরোধীদল রাজপথে কোন কর্মসূচি করতে পারে না। সস্প্রতি অর্থমন্ত্রী ডঃ ইউনুস সাহেবকে দেশের উন্নতির প্রধান অন্তরায় বলে মন্তব্য করেছেন।প্রধান মন্ত্রী আরও এক ধাপ এগিয়ে তিনি বিরোধী দলীয় নেত্রীকে সর্প হইয়া ধ্বংস কর উঝা হাইয়া ঝাড় মন্তব্য করেছেন।আগামীতে হয়ত তিনি গানের সাথে নৃত্য পরিবেশনেও নামতে পারেন।এতে অবাক হওয়ার কিছু নাই।তারা কারু বেডরুম পাহাড়া দিতে পারেন না। তারা দ্রব্য মূল্য কমাতে পারেন না।ট্রাফিক জ্যাম লাঘব করতে পারেন না। দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন। পদ্মাসেতু নাটকে মসিউর ছুটি ছুটি চলছে।দৌড়মন্ত্রী আবুল হোসেন ডুব দিয়ে আছেন পদ্মাসেতু আলোচনায় আসলে তার তাম উকিঝুকি দেয়্এমন ভঙ্গুর মন্ত্রসভা আর বিপর্যস্ত সরকার নিয়ে চটকদার মন্তব্য করে বেড়াচ্ছেন মন্ত্রীবর্গ।গনতন্ত্রের চর্চায় প্রধান অন্তরায় হওয়া সত্তেও গণতন্ত্রের ব্যাখ্যা নিয়ম দেখিয়ে হাসফিস করছেন তত্তবাবধায়ক ব্যবস্থায় ফিরে যাওয়ার সুযোগ নাই ব্লা ব্লা ব্লা ।গণতন্ত্রের মানসকন্যা????