ক্যাটেগরিঃ রাজনীতি

 

সাবেক দুই মন্ত্রী আবুল হোসেন ও আবুল হাসান চৌধুরিকে মামলার বাইরে রেখে পদ্মা সেতুর দুর্নীতি মামলা!!! দুদক মানে কি? দুর্নীতি দমন কমিশন নাকি দুর্নীতি দৃঢ়করণ কমিশন। শেখ হাসিনা গর্বভরে বলেছিলেন আবুল হোসেন দেশ প্রেমিক।আবার এটাও বলেছেন ড.ইউনুস বাংলাদেশের উন্নয়নের প্রধান অন্তরায়।সাম্প্রতিক সময়ে মাননীয় স্পিকার মহোদয় বিবৃতি দিয়েছেন প্রতি বছর যে পরিমান দূর্নীতি হয় তা দিয়ে একটা পদ্মাসেতু নির্মাণ সম্ভব!বিশ্বজিৎকে হত্যা করা হল। সেটাও অনেকেই শিবির কর্মীর ঘাড়ে চাপানোর চেষ্টা করেছেন।রামুর ঘটনাও সেই ভাবেই চাপানোর চেষ্টা হয়েছে।দেশের অর্থনৈতিক অবস্থা চাঙ্গা হলে তার কৃতিত্ব সরকারের।আর ব্যর্থতা দায়ভার বিরোধীদলের।বিশ্বজিৎ হত্যায় কে লাভবান?/?? প্রশ্ন ছোড়া হয়েছে।উদোর পিন্ডি বুধোর ঘাড়ে চাপানোর প্রচেষ্টা!! এদেশের মানুষ এত বোকা নন।এই টার্মে ছাত্রলীগের নৃশংসতা লজ্জাজনক পর্যায়ে পৌছেছে।প্রত্যেকটা এলাকায় আওয়ামী পন্থীদের রামরাজত্ব কায়েম হয়েছে।আবুল হোসেনকে বাইরে রেখে তদন্ত।এতে কার লাভ এই প্রশ্ন আওয়ামীপন্থীরা করেন না কেন?একটি বিদেশী সংস্থা দুদকের উপর চাপ সৃষ্টি করছে,প্রধান মন্ত্রীর আক্ষেপ।তার দোসররা দোষের উর্ধ্বে? কাছে আসল সত্য প্রকাশ করেছে।মানুষ যুদ্ধ অপরাধীর বিচার চায়।প্রহসন চায় না।মানুষ এটাও জানতে চায় মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন সময়ে আওয়ামীলীগ নেতাদের ভূমিকা কি?আওয়ামীলীগ নিরপেক্ষ বিচার করার কোন যোগ্যতা রাখে কি না?এই দেশে সত্যিকার গনতন্ত্র চর্চা আছে কি না?হচ্ছে কি না?গনতন্ত্র নস্যাৎ করার বিচার কি হতে পারে? বিচারপতি তোমার বিচার করবে কারা?বর্তমান প্রজন্ম স্বচ্ছতা চায়।আওয়ামীলীগ এই দেশের একমাত্র রাজনৈতিক দল নয়।বাকশালী জমানা শেষ হয়েছে।
বাকশালী কায়দায শাসনের পায়তারা চলছে।মানুষ হত্যা মহাপাপ।আমরা এই দেশের মানুষ।শান্তি চাই।দুর্নীতি মুক্ত দেশ চাই।দেশের উন্নয়ন চাই।এটা ভাবা ভুল হবে যে আমরা মহাজোটের শাসন চাই।তারা অন্যায় করলেও।তারা পেশাদার খুনিদের মুক্ত করে দিবে আর সহিংসতার জন্য বিরুধীদলকে দায়ী করবে। এখন স্বাধীনতার যুদ্ধের সময় চলছে না।পাকিস্তান এখন অনেক দূরে।সীমান্তে ভারতই বিজিবি হত্য করছে।পাকিস্তান আমাদের মাথা ব্যথার কারন নয়।সমুদ্রসীমা নিয়ে সমস্যা ভারতের সঙ্গে।বর্তমান সমযে পাকিস্তান বিরুধীতা একটা রাজনৈতিক জুজু। যুদ্ধাপরাধী ইস্যু আওয়ামীলীগ তাদের রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ব্যবহার করবে।প্রতিপক্ষ ঘায়েল করার জন্য ব্যবহার করবে তা হতে পারে না।রাজাকার হানাদাররা এই কাজটিই করেছেন ৭১ এ। আওয়ামীলীগ রাজাকার একই মুদ্রার এপিঠওপিঠ!!তাহলে কেমন হয়।রাজনীতিবিদদের প্রতি মানুষদের ঘৃণা বাড়ছে।রাজনীতিবিদরা দেশের শাসন যন্ত্র নিয়ে খেলছেন।এটা কাম্য নয়।হানাদার শাসন ব্যবস্থা আর এদেশী শাসন ব্যবস্থা এক হওয়া লজ্জাজনক।দেশে চরম অস্থতিীশীল অবস্থা বিরাজমান।আসছে হরতাল অবরোধ ধর্মঘট। এদেশের মানুষের জনজীবন আরো সংকটে।এই সংকট থেকে পরিত্রানের উপায় কি?দেশের মানুষকে দেশকে একটু ভালোবাসুন।প্রধানমন্তী ভন্ডামী পরিহার করুন।বিশ্বজিতের হত্যাকারীদের বিচার করুন।আবুল সাহবের বিচার করুন।আমাদের শান্তি দিন।সুস্ঠু নির্বাচন নিশ্চিৎ করুন।