ক্যাটেগরিঃ ক্যাম্পাস

 

বিকেলে অফিস থেকে ফিরে ছেলের খোঁজ করতেই ওর মা বলে, সুমনকে আজ হারুণ স্যার খুব পিটিয়েছে। সে সহজে কাঁদার পাত্র না হলেও এই প্রথম ইস্কুল থেকে এসে অনেকক্ষণ কেঁদেছে।’ শুনে খুব খারাপ লাগে এবং স্যারের ওপর প্রচন্ড ক্ষিপ্ত হয়ে উঠলেও নিজেকে সামলে নিই। এর আগেও কারণে বা অকারণে ওকে পিটানোর অভিযোগে অভিযুক্ত ঐ শিক্ষকের ওপর আমি স্বভাবতই ক্রুদ্ধ এবং ইতিপূর্বে তার বিরুদ্ধে প্রধানশিক্ষকের কাছে নালিশও করেছিলাম। তবে আমার ছেলেটিও বাসার পড়াশোনা ও হোমওয়ার্কে যথেষ্ট ফাঁকিবাজ বলে আত্মাভিমানের কারণে আমি তখনকার মতো বেশি কথা না বলে চুপ থাকি।

পরদিন সুমনের কাছ থেকে জেনে নিই ওকে পিটানোর কারণ কী এবং স্যার শরীরের কোথায় কোথায় আঘাত করেছেন, তা-ও। কারণটা অবশ্য সম্পূর্ণ অযৌক্তিক ও তুচ্ছ অথচ ডাস্টার দিয়ে আঘাত করা হয়েছে ওর মাথায়। এটাও জানলাম তখন, যখন সে মাথাব্যথার দরুণ রাতের পড়ায় অনীহাপ্রকাশ করতে থাকে। একসপ্তাহ পূর্বে একদিন ইস্কুলকামাইয়ের কারণে অঙ্কের যে হোমওয়ার্ক সে স্যারকে দেখায়নি তারই দরুণ এই বকেয়া শাস্তি, যা উদ্দেশ্যমূলক ও আক্রোশমূলক বলেই মনে হয়। সংগত কারণে ইস্কুলে যায়নি বলে সেদিনের হোমওয়ার্ক করা দূরে থাক্; তাতো ওর জানারই কথা নয়! এর জন্য বিনাদোষে ওর শাস্তি হবে কেনো, তা আদৌ বোধগম্য হয়না?

দূরারোগ্য ডায়াবেটিস ইনসিপেডাসে আক্রান্ত আমার ছেলেটি অসুস্থতাজণিত কারণে মাঝে মাঝেই ইস্কুল কামাই করে। রোগটির কথা প্রধানশিক্ষকসহ ইস্কুলের কমবেশি সবাই জানে। কিন্তু ওর হারুন স্যারের কাছে অসুখের যেমন কোনো ক্ষমা নেই তেমনি আত্নপক্ষসমর্থনেরও সুযোগ নেই। ফলে আমার হস্তলিখিত অনুপস্থিতির দরখাস্ত দিয়েও সে এধরণের অযৌক্তিক দৈহিক শাস্তি থেকে আগেও রেহাই পায়নি, এবারও পেলোনা। তাই এবার বার্ষিক পরীক্ষার পর ওকে অন্য ইস্কুলে ভর্তির সিদ্ধান্ত নিয়েছি। ছাত্রীশাখার কয়েকজন ম্যাডামের এধরণের নির্যাতন থেকে রেহাই দিতে একই ইস্কুলপড়ুয়া চারসন্তানের মধ্যে ডায়াবেটিস আক্রান্ত অন্য দু‘কন্যাকেও চলতিবছর অন্যত্র সরাতে বাধ্য হয়েছি। কারণ প্রধানশিক্ষকের নিকট অভিযোগের ফলে সন্তানদের ওপর শারীরিক নির্যাতন কমলেও বেড়েছিলো মানসিক নির্যাতন।

এদেশের আইন-কানুনে ছাত্র-ছাত্রীনির্যাতনরোধের ফৌজদারী বিধি থাকলে হয়তো ওরা রেহাই পেতো; কিন্তু সুষ্ঠু সমাধান না পাওয়ায় সন্তানদেরই ইস্কুল বদলাতে বাধ্য হয়েছি। তবে এ ঘটনা থেকে আমি বাস্তব একটা শিক্ষা পেয়েছি যে, ‘‘পানিতে বাস করে কুমিরের সঙ্গে লড়তে যাওয়া বোকামীর শামিল।’’ অথচ জাতিসংঘ সনদের ৩৭ নং ধারায় ‘কোনো শিশুই নির্যাতন বা নৃশংস অমানবিক মর্যাদাহানিকর আচরণ বা শাস্তির শিকার হবেনা’ বলা হলেও এদেশের ইস্কুলের নির্যাতন থেকে এখনো আমাদের বহুশিশু মুক্ত নয়।

ইস্কুলে কোমলমতি শিশুরা আসে শিক্ষকদের কাছে আদর-ভালোবাসার মাধ্যমে পাঠজ্ঞান, সততা, মানবতাবোধ ও সদাচরণ শিখতে, এটাই স্বাভাবিক। তাছাড়া শিশুছাত্রদের মেধা ও শারীরিক বিকাশের জন্যও খেলাধুলা, দূরমত্মপনা, দৌড়ঝাঁপ ইত্যাদি অত্যন্ত কার্যকরী দাওয়াই, চিকিৎসাশাস্ত্র অন্তত তাই বলে। শিশুদের খাদ্যহজম ও হজমশক্তির জন্যও কিছুটা কায়িক পরিশ্রম জরুরি। সেক্ষেত্রে তাদের দূরন্তপনা বা পাঠ অমনোযোগিতার দরুণ মানসিক ও শারীরিক নির্যাতন কোনক্রমেই শিক্ষার অনুষঙ্গের মধ্যে পড়েনা। বরং তাদের সার্বিক বিকাশের ক্ষেত্রে নির্যাতন মারাত্মক একটা বাধা।

অন্যদিকে দেখা যায় এবং আমরাও ছাত্রাবস্থায় দেখেছি, কোনো কোনো বন্ধুবৎসল, শিশুবৎসল ও আকর্ষণীয় ব্যক্তিত্বসম্পন্ন শিক্ষকের ক্লাশের আশায় আমরা অধীর আগ্রহেই বসে থাকতাম এবং তিনি ইস্কুলে না এলে সেদিন আমাদের খুব খারাপ লাগতো। এমনকি কোনোদিন কোনো কারণে ইস্কুলে আসতে মন না চাইলেও ঐ শিক্ষকের দূর্নিবার আকর্ষণেই আমরা ছুটে আসতাম ক্লাশে। তেমনি রাশভারী ও ছাত্রনির্যাতক শিক্ষকের ভয়ে ইস্কুলে বা ক্লাশে না আসার এবং এধরণের শিক্ষকের ছাত্র বা অভিভাবক কর্তৃক লাঞ্ছিত হবার ইতিহাসও কমবেশি আমাদের সকলের জানা আছে।

আসলে শিক্ষকতার মহান পেশায় জ্ঞান-গরিমা, আচার-আচরণ, ব্যক্তিত্ব ও আকর্ষণীয় পাঠকৌশলের কারণেই কোনো শিক্ষক যেমন জনপ্রিয় হন তেমনি কেউ কেউ হন অজনপ্রিয়। আগেকার দিনে আমরা জনপ্রিয় শিক্ষকদের সংখাধিক্যই দেখেছি, যা এখন কল্পনাও করা যায়না। শিক্ষার মানের পাশাপাশি ছাত্র-শিক্ষকের নৈতিক মান নিচে নেমে যাওয়ার ফলেই আজ ছাত্র-শিক্ষকসম্পর্কও আশানুরূপ পর্যায়ে নেই বলে বিশেষজ্ঞদের ধারণা।

আমাদের দেশের ইস্কুলে সাধারণত মানসিক ও শারীরিক নির্যাতনের মধ্যে গালাগাল, ঠাট্টা-বিদ্রূপ, ছাত্রের বিকৃত নামরাখা এবং বিকৃত নামে ডাকা, মুখভ্যাংচানো, অপমানজনক অঙ্গভঙ্গি প্রদর্শন, গালে ও মুখে চড়-থাপ্পরমারা, শরীরে বা হাতে বেত, রম্নলার বা লাঠির পিটুনী, বই বা ডাস্টারদ্বারা মাথায় আঘাত, আংগুল দিয়ে মাথায় টোকামারা, কানমলা দেয়া, কানধরে ওঠ্বস্ করা, কানধরে দাঁড় করিয়ে রাখা, একপায়ে দাঁড় করিয়ে রাখা, নীলডাউন করা, দু‘আঙ্গুলের ফাঁকে পেন্সিল বা কলম বা বেত ঢুকিয়ে জোরে চেপেধরা, নাকেখত্ দেয়া, প্রসারিত দু‘ বা একহাতে বই বা ইট দিয়ে দাঁড় করিয়ে রাখা, হাঁটুর নিচ দিয়ে দু‘হাত ঢুকিয়ে কানধরিয়ে বসে রাখা, টেবিলের নিচে মাথা ঢুকিয়ে দাঁড় করিয়ে রাখা, রোদে বা ক্লাশের বাইরে দাঁড় করিয়ে রাখার মতো নির্যাতন করতে দেখা যায়।

এসব নির্যাতন যেমন কোমলমতি শিশুদের ব্যক্তিত্ববিকাশের ক্ষেত্রে যথেষ্ট অন্তরায় তৈরি করে তেমনি শিক্ষকতা পেশার জন্যও কলঙ্কজনক। এদেশে শিক্ষক কর্তৃক নির্যাতনে মারাত্মক আহত হয়ে শয্যাগ্রহণ কিংবা হাসপাতালে ভর্তি এমনকি ছাত্রমৃত্যুর ঘটনার ইতিহাসও আছে। অথচ পাশ্চাত্যের অধিকাংশ দেশে বিদ্যালয়ে প্রশিক্ষিত শিক্ষক, উন্নত ও গঠনমূলক পাঠ্যসহ পাঠদান পদ্ধতির পাশাপাশি ছাত্রনির্যাতনের বিরুদ্ধেও কঠোর আইন রয়েছে। শিশুশিক্ষার ক্ষেত্রে ছাত্রদের মনোজাগতিক অবস্থার প্রেক্ষিতে তাই তারা আবিস্কার করেছে বিজ্ঞানসম্মত সিলেবাস এবং খেলাধুলা ও আনন্দের ছলে পাঠদানের লক্ষ্যে প্লে-গ্রুপ, নার্সারি ইত্যাদির মতো আকর্ষণীয় শ্রেণীবিভাজন। ফলে সেইসব দেশে অনায়াসে শতশত বিজ্ঞানীসহ বিশ্ববিখ্যাত পন্ডিতদের আবির্ভাবের পেছনে আদর্শ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং মহান শিক্ষকদের গঠনমূলক ভূমিকা অনস্বীকার্য, যা আমাদের দেশে বিরল। এজন্যই হয়তো এদেশেও ইদানীং ইংরেজি মিডিয়াম এবং কিন্টার গার্ডেনজাতীয় প্রতিষ্ঠানগুলো জনপ্রিয়তা পাচ্ছে।

তা যা-ই হোক, শিক্ষক কর্তৃক ছাত্রনির্যাতনের বিষয়টিকে কিন্তু কোনোক্রমেই ছোট করে দেখা যায় না।। আসলে পাঠদানকৌশলে অনুত্তীর্ণ শিক্ষকরাই নিজেদের ব্যর্থতা ঢাকার অজুহাত হিসেবে ছাত্রপিটানোর পথ বেছে নেন বলে মনে করা হয়। উপযুক্ত শিক্ষকপ্রশিক্ষণ বঞ্চিতরাও ছাত্রনির্যাতক হিসেবে ছাত্রদের কাছে অজনপ্রিয় হয়ে ওঠেন। চরিত্রগত কারণে কেউ ছাত্রনির্যাতক হলে সেটাকে অবশ্য ব্যতিক্রম বলে ধরে নেয়া যায়।
কিন্তু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের একজন শিক্ষকের কখনোই মাতৃসুলভ বা পিতৃসুলভ আচরণের বাইরে নির্যাতকের ভূমিকায় নেমে যাওয়া উচিৎ নয়। জাতিসংঘ শিশুসনদে স্বাক্ষরকারী দেশ হিসেবে বাংলাদেশেও ছাত্রনির্যাতনকে ফৌজদারী দন্ডবিধির আওতায় এনে একে প্রতিরোধের সাথে সাথে গণমূখী শিক্ষানীতি, শিক্ষাদানকৌশল, জনপ্রিয় ও অভিন্ন সিলেবাস প্রণয়নের মাধ্যমে শিক্ষাসংস্কার এবং শিক্ষা-আন্দোলন গড়ে তোলা দরকার।

অবশ্য এসব কারণেই সম্প্রতি ছাত্র-ছাত্রী নির্যাতনের বিরুদ্ধে আইন ও নীতিমালা ঘোষণা করেছে সরকার, যা নীচে তুলে ধরা হলো। এ ব্যাপারে হাইকোর্ট থেকেও রুলিং ও নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। এখন
সবাই সম্মিলিতভাবে এসব বাস্তবায়নে ভুমিকা রাখতে পারলেই সুফল পাওয়া যেতে পারে।

শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের শারীরিক ও মানসিক শাস্তি রহিতকরণের জন্য শিক্ষামন্ত্রণালয় যে পরিপত্র জারি করেছে, তা ”শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ছাত্র-ছাত্রীদের শারীরিক ও মানসিক শাস্তি রহিত করা সংক্রান্ত নীতিমালা-২০১১” নামে পরিচিত। নীতিমালায় যে ধরণের শাস্তির উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে তা হলো –

০১. শারীরিক শাস্তি :
শারীরিক শাস্তি বলতে যেকোন ছাত্র-ছাত্রীকে যেকোন ধরণের দৈহিক আঘাত করা বুঝাবে । যেমন –
ক) কোন ছাত্র-ছাত্রীকে হাত-পা বা কোন কিছু দিয়ে আঘাত করা/করা ।
খ) শিক্ষার্থীর দিকে চক/ডাস্টার বা এ জাতীয় কোন বস্তু ছুড়ে মারা ।
গ) আছাড় দেয়া ও চিমটি দেয়া ।
ঘ) শরীরের কোন স্থানে কামড় দেয়া ।
ঙ) চুল ধরে টানা বা চুল কেটে দেয়া ।
চ) হাতের আঙ্গুলের ফাঁকে কলম চাপা দিয়ে মোচড় দেয়া ।
ছ) ঘাড় ধরে ধাক্কা দেয়া ।
জ) কান ধরে টানা বা উঠবস করানো ।
ঝ) চেয়ার, টেবিল বা কোন কিছুর নীচে মাথা দিয়ে দাঁড় করানো বা হাঁটু গেড়ে দাঁড় করানো ।
ঞ) রোদে দাঁড় করে বা শুইয়ে রাখা কিংবা সূর্যের দিকে মুখ করে দাঁড় করে রাখা ।
ট) ছাত্র-ছাত্রীদের দিয়ে এমন কোন কাজ করানো যা শ্রম আইনে নিষিদ্ধ করা হয়েছে ।

০২. মানসিক শাস্তি :
কোন শিক্ষার্থীকে শ্রেণীকক্ষে এমন কোন মন্তব্য করা যেমন- মা-বাবা/বংশ পরিচয়/গোত্র/বর্ণ/ধর্ম ইত্যাদি সম্পর্কে অশালীন মন্তব্য করা, অশোভন অঙ্গভঙ্গি করা বা এমন কোন আচরন করা যা শিক্ষার্থীর মনে বিরূপ প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করতে পারে ।

সকল সরকারি ও বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়, মাধ্যমিক বিদ্যালয়, উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও কলেজ. উচ্চ মাধ্যমিক কলেজ, কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, মাদ্রাসা (আলিম পর্যন্ত) সহ অন্যান্য সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে এ নীতিমালা প্রযোজ্য হবে যা অমান্য করলে দন্ডনীয় অপরাধ বলে গণ্য হবে ।

কিছু কিছু ক্ষেত্রে দেখা যায় শাস্তি না দিয়ে পারা যায়না । অনেক শিক্ষার্থীর অসদাচরণের জন্য শাস্তি দিতেই হয় । কিন্তু মনে রাখতে হবে অবাঞ্চিত আচরণ দূর করার শেষ চেষ্টা হল শাস্তিদান । শুধু তখন শাস্তি দেয়া যায়, যখন অনেক রকম কৌশল প্রয়োগ করেও শিক্ষার্থীকে প্রতিহত করা যায় না ।

শাস্তি দেয়ার আগে –

* শিক্ষার্থীর অন্যায় আচরণকে উপেক্ষা করার ভান করুন । এসময় অন্য শিক্ষার্থীদের প্রশংসনীয় কাজকে সমর্থন করুন ।
* নিয়ম ভঙ্গকারী কোন শিক্ষার্থীকে আপনি পছন্দ করেন না এটা যেন শ্রেণীর সকল শিক্ষার্থী বুঝতে পারে । দেখবেন অনেকেই নিয়ম ভঙ্গকারী শিক্ষার্থীকে সাময়িকভাবে দল হতে বর্জন করবে ।
* আপনার আলোচিত বিষয়বস্তুতে আপনি স্থির থাকুন ।
* কিছু ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীর সংশোধনের জন্য সময় লাগে, ধৈর্য হারাবেন না । শিক্ষার্থীর অন্যায় আচরণকে এক মুহূর্তের জন্যও আমল দেবেন না ।

দীর্ঘ সময় ধরে এ ধরণের কৌশল প্রয়োগের পরও যদি শিক্ষার্থীর মধ্যে কোন পরিবর্তন না আসে, তবে তাকে শাস্তি দিন ।

কিন্তু শাস্তি দেওয়ার আগে ভাবুন –

* শাস্তির ফলাফল কী হবে ?
* শিক্ষার্থীর আদৌ কোন ইতিবাচক পরিবর্তন হবে কিনা ?
* তার শারীরিক বা মানসিক ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা আছে কিনা ?
* অন্যান্য শিক্ষার্থীর মধ্যে এর কি ধরণের প্রতিক্রিয়া হবে ?

এসব কিছু ভেবে নিয়ে যদি দেখেন শ্রেণীশৃঙ্খলা রক্ষার জন্য এবং শিখন পরিবেশ বজায় রাখার জন্য শাস্তি দেয়া জরুরি, তখন শিক্ষার্থীর অপরাধের মাত্রার উপর নির্ভর করে –

* মৃদু ভৎর্সনা করুন ।
* কঠোর তিরস্কার করুন ।
* তার কাজে অস্বীকৃতি জ্ঞাপন করুন ।
* শ্রেনী থেকে তাকে সাময়িকভাবে বর্জন করুন ।
* শ্রেনীর বাইরে রাখুন ।
* আনন্দ থেকে বঞ্চিত করুন ।
* মাসিক পরীক্ষার মোট নম্বর থেকে ১/২ নম্বর কমিয়ে দিন ।