ক্যাটেগরিঃ ক্যাম্পাস

 

ভূমিকা: শিক্ষা নিয়ে বর্তমানে সবাই মেতে আছেন। সবাই যে যার দিক থেকে কিছু না কিছু করছেন। কেউ নির্লিপ্ত নন। তবে তাতে রকমফের আছে। আসুন দেখি, শিক্ষা নিয়ে কে কি করছেন–

যে যা করছেন: মাননীয় শিক্ষামন্ত্রী শিক্ষা নিয়ে রাজনীতি করছেন। রাজনীতি করা ইতিবাচক হতো যদি সেটা শিক্ষার গুণত মান-উন্নয়নের জন্য করা হত। কিন্তু তিনি যা করছেন, তা অবক্ষয়িত রাজনীতি বলতে যা বোঝায় তা — পুরনো মেয়াদ-উত্তীর্ণ বাসে রং মারা আর লোক দেখানো পরিসংখ্যানগত উন্নয়ন।
ব্যবসায়ীরা ফাঁকতালে শিক্ষা নিয়ে বাণিজ্য করছেন।
শিক্ষা নিয়ে বাবামারা ছুটোছুটি করছেন। স্কুল-বাসা-কোচিং-বাসা, নাভিশ্বাস দশা।
শিক্ষকরা শিক্ষা নিয়ে কোচিং করাচ্ছেন, কেউ কেউ টেস্ট পেপার, গাইড ও নোটবইয়ের লেখায় যুক্ত আছেন।
শিক্ষা নিয়ে বিরোধী দলীয় সমর্থকগোষ্ঠী আছেন মন্তব্যে মুখর-সমস্ত।
শিক্ষা নিয়ে সরকার দলীয় সমর্থকগোষ্ঠী আছেন কেউ নির্বাক, কেউ বিরক্ত, কেউ দলীয় ভক্ত।
শিক্ষাবিদরা ও কলামিস্টরা মান বাড়ানোর জন্য প্রবন্ধ, নিবন্ধ ও কলাম লিখছেন নিয়মিত।
ব্লগাররা শিক্ষা নিয়ে নিয়মিত ব্লগিং করছেন।
ফেইচবুকাররাও বসে নেই। তারাও ফেইচবুকিংএ তর্কেলিপ্ত।
পত্রিকাওয়ালা পাচ্ছেন লেখা ছাপছেন প্রতিদিন সম্পাদকীয় কিংবা “মতামতে”র পাতায়।
ছাত্ররা শিক্ষা নিয়ে বিভ্রান্ত আছে ও হচ্ছে। সবাই একি বলাবলি করছে?
মিষ্টি বিক্রেতা শিক্ষা নিয়ে লস খাচ্ছেন। কারণ তার নাকি মিষ্টি বিক্রি হয় নি। (সূত্র: রসআলো)
সাধারণ মানুষ শিক্ষা নিয়ে দ্বিধাগ্রস্ত আছেন। (কী হচ্ছে? কী বলাবলি হচ্ছে? কোনটা সঠিক? কোনটা বেঠিক?)
আসলে শিক্ষা নিয়ে সবাই যে যার মতো চালিয়ে যাচ্ছেন। কাজের কাজ তথা কাঙ্ক্ষিত কাজটি কবে হবে?
দেখার জন্য অপেক্ষা করে আছেন বাকি সবাই।
উপসংহার: শিক্ষা নিয়ে পুরো জাতি উচ্চকিত আলোচনা-সমালোচনায়। এটা একটা শুভ লক্ষণ। আসলে মেরুদন্ডটা সোজা করতে পারলে এর ইবিাচক প্রভাব পড়তো সর্বত্র। ব্যাপারটি সবাই বুঝতে পারছে বলে ভালো লাগছে। সত্যিকার ভালো লাগবে কাঙ্ক্ষিত কাজের কাজটা হলে।