ক্যাটেগরিঃ স্বাধিকার চেতনা

15_Jamaat-e-Islami_Shutdown_Rajshahi_021114_0009

সালিশেও আছি নালিশেও আছি, বিচারেও আছি, হরতালেও আছি। এ কেমনতর ধারা রে ভাই/বোন? আমরা চাকুরিজীবী, ব্যবসায়ীরা তাহলে কোথায় যাই? ভয়ে ভয়ে থাকি ভীষণ। হ্যাঁ, মানবতাবিরোধী, একাত্তরের যুদ্ধাপরাধী হিসেবে যারা বিচারারধীন তাদের কথা বলছি, তারা বিচারেও আছেন, হরতালেও আছেন। প্রতিটি বিচার প্রক্রিয়ায় তাদের জোর আইনি লড়াই দেখার মতো। কখনো কখনো মনে হয় তাদের অধ্যবসায় শেখার মতও। কিন্তু রায় হওযার পর যখন তা গেল বিপক্ষে, ডেকে দেন হরতাল। গ্রামীণ সালিশি-বিচার নিয়ে প্রচলিত কথাটা মনে পড়ে যায়- “সালিশে হোক যাই, তাল গাছটা আমার চাই।” আর, “সালিশে তালগাছ যদি পেলাম না, বিচারটা মানলাম না।” আদালতের রায়কে এভাবে কি গ্রামীণ সালিশির মতো অবমাননা করা যায়?

একটানা মানবতাবিরোধী, একাত্তরের যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের রায় হচ্ছে আর হরতাল দেওয়া হচ্ছে, আরও হুমকি আসছে হরতালের। হরতাল কার স্বার্থে? কার সমর্থণন? কার বিরুদ্ধে? ইসলাম শান্তির ধর্ম। বাংলাদেশ একটি মুসলিম জনসংখ্যাবহুল দেশ। হরতালে এসব মুসলিম জনগণেরও শান্তি বিঘ্নিত হয়। তাছাড়া আমরা সবাই তো আল্লাহর সৃষ্টি, আশরাফুল মাখলুকাত। আমাদের ভালো সৃষ্টিকর্তা সৃষ্টি করেছেন। আমরা সবাই শান্তি চাই। কোনো অন্যায়ে নাই। আমরা চাকুরি করে খাই। ব্যবসা করে খাই। তাই, বাধ্য হয়ে অফিসেও যাই। গাড়িতেও চড়ি। তাই, অনুরোধ করি, রায় মেনে নিন বা হরতালের বিকল্প কিছু খুঁজে নিন। এরকমই পাবলিক পারসেপশন।

তাই, মানবতাবিরোধী, একাত্তরের যুদ্ধাপরাধীদের সমর্থকদের অনুরোধ, আপনারা এক দিকে যান। জনগণ চায়, বিচারেই থাকেন। আইনি লড়াইয়ে লড়ে যান। শেষ পর্যন্ত আইনেই থাকুন। অশান্তির কর্মসূচি ত্যাগ করে যা কিছু শান্তির তথা ইসলামের তার উদ্যোগ নিন।